হজ যাত্রীদের করণীয় - ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ

প্রিয় পাঠক, আপনি কি হজ যাত্রীদের করণীয় এবং ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ সম্পর্কে জানতে চান। তাহলে চিন্তা নেই আর্টিকেল থেকে আপনারা হজ যাত্রীদের করণীয় ও ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ এবং হজ্জের জন্য করনীয় সম্পর্কে জেনে নিতে পারবেন। তাহলে চলুন হজ যাত্রীদের করণীয় এবং ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ জেনে নেই।
হজ যাত্রীদের করণীয় - ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ
প্রিয় পাঠক আপনি যদি হজে যেতে চান তাহলে আপনাকে হজে যাওয়ার আগে কি করতে হবে এবং হজের জন্য কি কি করণীয় রয়েছে তা আপনাকে জানতে হবে। আপনি যদি এগুলো জানতে চান তাহলে আমাদের আর্টিকেলটি সম্পন্ন পড়ুন।

পোস্ট সূচিপত্রঃ হজ যাত্রীদের করণীয় - ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ

ভূমিকা | হজ যাত্রীদের করণীয় - ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ

প্রিয় পাঠক আপনারা নিশ্চয়ই আজকে হজ যাত্রীদের করণীয় এবং ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ। জানতে আগ্রহী হয়েছেন অথবা আপনি হজে যেতে চলেছেন। আপনি যদি হজে যান বা যাওয়ার নিয়ত করেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই এ বিষয়গুলো ভালোভাবে জানতে হবে। এজন্য আপনি আমাদের এই আর্টিকেলটি সম্পন্ন করুন তাহলে আপনি হজ যাত্রীদের করণীয় এবং হজ্জের জন্য করণীয় ও ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ জানতে পারবেন।

হজ্জের জন্য করনীয়

হজ যাত্রীদের কে যেরকম যাত্রার জন্য কিছু করণীয় রয়েছে ঠিক সেই রকম আপনাকে হজ পালনের জন্য অনেকগুলো বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে এবং কিছু করণীয় রয়েছে আপনার। চলুন হজ্জের জন্য করণীয় গুলো জেনে নেই।

হজ হচ্ছে সাধারণত তিন প্রকার। যেমন,

  • ক্বিরাত হজ
  • ইফরাদ হজ
  • তামাত্তু হজ

এই তিনটি হজের মধ্যে সবথেকে তামাত্তু হজ পালন করা সব থেকে সহজ এবং সোজা। বাংলাদেশ থেকে বেশিরভাগ যে সকল নর ও নারী হজ পালন করতে সৌদি আরবে যান তারা সকলের তামাত্তু হজ পালন করেন।

হাঁস পালনের জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম মিকাত থেকে শুধু ওমরার নিয়তে ইহরাম বাঁধতে হয়। এজন্য বিমানবন্দর থেকে ইহরামের কাপড় পড়ে মিকাতে নিয়ত করলে হবে। মক্কাতে পৌঁছে ওমরার জন্য করনীয় বিষয়গুলো সম্পন্ন করতে হবে।

জিলহজ মাসের ৮ তারিখ হতে হজের নিয়তে ইহরাম বাঁধতে হয়। বর্তমানে এখন হাজীদের সুবিধার্থে সাথেই জিলহজ সন্ধ্যায় মিনায় নিয়ে যাওয়া হয় সে সময় হাজিরা ইহরাম বাড়তে পারেন বাধতে পারেন এতে কোন অসুবিধা নেই।

৮ই জিলহজ্জ

  • ইহরাম বাধা
  • মিনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা
  • মিনায় অবস্থান থাকাকাকৃত অবস্থায় জোহর আসর এবং মাগরিব ও এশা এছাড়া নয়ে জিলহজ্জের ফজরের নামাজ আদায় করা। নামাজ শেষে সর্বপ্রথম তাকবীরে তাসরিক অর্থাৎ তালবিয়া পাঠ করা।
  • চার রাকাত বিশিষ্ট ফজর নামাজ মুসাফিরগান সংক্ষিপ্ত করে দুই রাকাত আদায় করতে হবে।

৯ই জিলহজ্জ

  • সূর্য উদয়ের পর মিনা হতে আরাফার ময়দান উদ্দেশ্যে রওনা
  • মসজিদে নামেরায় জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় করার ক্ষেত্রে জোহরের ওয়াক্তের যোহর এবং আসরের ফরজ নামাজ একত্রে আদায়।
  • সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান এবং কেবলামুখী হয়ে বেশি করে জিকির ও দোয়া করা।
  • লক্ষ্য রাখবেন আপনাকে অবশ্যই আরাফার সীমানার ভেতরে থাকতে হবে।
  • সূর্যাস্তের পূর্বের রওনা দেওয়া যাবে না।
  • সূর্যাস্তের পর মুজদালিফার দিকে রওনা দিতে হবে।
  • মুজদালিফায় পৌঁছে একত্রে মাগরিব ও এশার ফরজ নামাজ পেশার ওয়াক্তে আদায় করতে হবে।
  • মুজদালিফায় রাত্রি যাপন এবং ১০ জিলহজ্জের ফরজের নামাজ আদায়।
  • অসুস্থ মহিলা গন এবং তাদের সহযোগিতাকারিগণ ছাড়া অন্য কেউ ফজরের নামাজের আগে রওনা দিতে পারবেন না।

১০ই জিলহজ্জ

  • সূর্য উদয়ের পূর্বে মিনার দিকে রওনা
  • বড় শয়তানকে সাতটি পাথর নিক্ষেপের জন্য মুজদালিফা হতে ছোট ছোট পাথর সংগ্রহ করতে হবে পরবর্তী দিনগুলোর পাথর সেখান থেকে নিতে পারবেন।
  • মিনাই পৌঁছে আল-জামরাতুল কুবরা তে পরপর সাতটি পাথর নিক্ষেপ করতে হবে ডান হাতের বৃদ্ধ ও শাহাদত আঙ্গুলের সাহায্যে পাথর নিক্ষেপ করতে হবে এবং শব্দ করে আল্লাহ আকবার বলতে হবে।
  • তামাত্তু এবং কিরাত হজের দাম যবেহ করতে হবে।
  • মাথা মোড়ানো বা চুল ছড়াতে হবে।
  • এই সকল বিষয়গুলো সম্পূর্ণ হলে আপনি হালাল হবেন তাই ইহরামের পোশাক ছেড়ে সাধারণ পোশাক পড়া উচিত।
  • মক্কা শরীফে ফিরে গিয়ে হজের ফরজ তাওয়াফ তাওয়াফুল ইফাযা আদায় করতে হবে।
  • সাফা মারওয়া সায়ী করতে হবে।
  • সবশেষে আবার মিনায় ফিরে এসে অবস্থান ও রাত্রি যাপন করতে হবে।

১১,১২,১৩ জিলহজ্জ

  • ১১, ১২ই জিলহজ মিনায় অবস্থান এবং রাত্রি যাপন।
  • সূর্য পশ্চিমে হেলে যাওয়ার পর পর্যায়ক্রমে ছোট জামড়া ও মধ্য জামড়া এবং বড় জামড়ায় ৭টি করে পাথর নিক্ষেপ করতে হবে। ওয়াক্ত মত নামাজ পড়া তবে মুসাফিরের জন্য চার রাকাত বিশিষ্ট ফরজ নামাজ দুই রাকাত আদায় করা।
  • অতি জরুরী প্রয়োজনে তাড়াতাড়ি হজের কাজ শেষ করতে হলে ১২ই জিলহজ সূর্যাস্তের পূর্বে মিনার সীমানা পেরিয়ে যেতে হবে।
  • উত্তম হলো ১৩ই জিলহাজ সূর্যাস্তের পূর্বে মিনাই অবস্থান করে পাথর নিক্ষেপ করা।
  • মনে রাখবেন এই দিনগুলোতে জোহরের আযানের পর পাথর মারা ভালো।

তারপরে আপনাকে বিদায় তাওয়াফ করতে হবে। এবং মদিনা শরীফে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা জিয়ারত করতে হবে। এর পরে আপনার হজের সকল যাবতীয় কাজগুলো যথাক্রমে শেষ হবে।

ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ

ইহরাম অবস্থায় হাজীদের কিছু নিষিদ্ধ ও বর্জনীয় কাজ রয়েছে। যেগুলো আপনাকে অবশ্যই হজ পালনের জন্য বর্জন করতে হবে। তাছাড়া আপনার হজ পালনের জন্য অনেক সমস্যা হতে পারে এমনকি আপনার হজটি না হতে পারে।

নারী পুরুষ উভয়ের জন্য

স্বামী স্ত্রীর যৌন মিলন করা যাবে না শরীরের লোম ও চুল এবং হাত পায়ের নখ কাটা যাবে না। কোন জীবজন্তুকে স্বীকার করা যাবে না এবং কোন শিকারি কেউ সাহায্য করা যাবে না। পোশাকে সুগন্ধি ব্যবহার করা যাবে না ঝগড়া ফাসাদ করা যাবে না।

শুধু পুরুষদের জন্য

মাথার সঙ্গে লেগে আছে এমন কিছু দিয়ে মাথা ঢাকা এবং সেলাই করা পোশাক পরিধান করা।

শুধু মেয়েদের জন্য

নেকাব বা বোরখার মুখ বরাবর দিয়ে মুখ ঢাকা।

হজ যাত্রীদের করণীয়

প্রিয় হজযাত্রীবৃন্দ আপনারা সকলে জানেন যে কোন জায়গায় যেতে হলে আগে আমাদের কিছু একটা করণীয় থাকে। সেরকমই হজে যাওয়ার জন্য কিছু করণীয় রয়েছে যেগুলো হয়তো আপনারা জানেন না। সেই করণীয় গুলো যদি আপনার আগে থেকে জেনে রাখেন তাহলে আপনাদের সহজে যাওয়ার সময় আপনাদের যাত্রা পথ সুন্দর ও সহজ হয়ে যাবে আপনাদের জন্য। তাই আপনাকে সেই সময় তাড়াহুড়া এবং নানা ধরনের দুশ্চিন্তায় না পড়ে এখন থেকে আপনি হজ যাত্রীদের করণীয় জানলে আপনার অনেক সুবিধা হবে। চলুন যাত্রীদের করণীয় জেনে নেই।

ঢাকা হজ ক্যাম্পে এসে আপনাকে যে সকল জিনিস সাথে নিতে হবে

হজ অফিসে এসে নির্ধারিত দিনে দশটার ভিতরে সরকারি ব্যবস্থাপনার হজ যাত্রীর বৃন্দ হজ ক্যাম্পে রিপোর্ট করবেন। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ যাত্রীবৃন্দদের হজ এজেন্সির ধার্য তারিখে এসে মেডিকেল সার্টিফিকেট যাচাই করাবেন। এবং এজেন্সির পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সরকারের ব্যবস্থাপনায় যে সকল হাজিরা হজ করতে যাবেন তাদেরকে হজে গমনের অনুমতি পত্র, ব্যাংকে যে আপনি টাকা দিয়েছেন তার একটি রশিদ এবং মেডিকেল সার্টিফিকেট আনতে হবে। আর বেসরকারিভাবে যারা হজে যাচ্ছেন তাদেরকে মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং হজ এজেন্সির পরামর্শ অনুযায়ী কাগজপত্র সঙ্গে আনতে হবে।

হজ ক্যাম্পের ভেতরে ডরমেটরিটে শুধুমাত্র হজ যাত্রীরা অবস্থান করতে পারবেন। এজন্য আপনারা কখনো হজ যাত্রীরা নিজেদের আত্মীয়-স্বজন সাথে আনবেন না। হজ ক্যাম্পে ধূমপান নিষিদ্ধ। এজন্য আপনারা কখনো হজ্জ ক্যাম্পের ভেতরে ধূমপান করবেন না এবং এই ক্যাম্পের ভেতরে সুনির্দিষ্ট মূল্যে খাবার সরবরাহের জন্য ক্যান্টিন রয়েছে। এই ক্যান্টিন টি রাত-দিন .২৪ ঘন্টায় খোলা থাকে। এজন্য আপনারা কখনো বাহির থেকে খাবার সরবরাহ করবেন না সকল সময় ক্যাম্পের ভেতর থেকে সরবরাহ করবেন খাবার।

যারা বেসরকারিভাবে হজে যাচ্ছেন সেই সকল হজযাত্রীরবৃন্দ হজ এজেন্সির এর সঙ্গে আপনার খাওয়া ও কোরবানির চুক্তি করে নেবেন। এটি আপনার জন্য খুব ভালো হবে। হজে যাওয়ার সময় আপনি টিকেট, পাসপোর্ট, এবং বৈদেশিক মুদ্রা ও অন্যান্য ও জরুরি কাগজপত্র পাওয়ার পর সেগুলো আপনি আপনার কাছে খুব সতর্কের সঙ্গে সংরক্ষণ করে রাখবেন। কারণ যদি আপনি এই কাগজ পাতি হারিয়ে ফেলেন এবং আপনার কাছ থেকে চুরি হয়ে যায় তাহলে আপনার হজে যাওয়া সম্ভব হবে না। এই জন্য আপনারা সব সময় টিকেট পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের রশিদ নাম্বার আলাদা নোটবুকের সংরক্ষণ করবেন।

হজ যাত্রীবৃন্দরা আপনাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মালামাল যাতে করে বহন করতে পারেন এমন একটি চামড়ার লাগে সঙ্গে নিতে হবে। তবে টিনের লাগেজ ও অতিরিক্ত মালামাল যেমন কম্বল বালটি কাঁথা ইত্যাদি এই সকল জিনিস নেওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। তবে আপনার ব্যাগের উপরে আপনার নাম এবং আপনার ঠিকানা ও আপনার পাসপোর্ট নং লিখতে হবে।

হজযাত্রীবৃন্দকে হজের জন্য কমপক্ষে দুইটি ইহরামের কাপড় একজোড়া পায়জামা পাঞ্জাবি, দুইটি লুঙ্গি, দুইটি টুপি, দুইটি গেঞ্জি, দুই জোড়া স্যান্ডেল, দুইটি তোয়ালে ও গামছা সঙ্গে নিতে হবে। আর মহিলাদের জন্য সালোয়ার কামিজ নেওয়া উত্তম।

১২১২ আরো পড়ুনঃ ওমরা হজ করতে কতদিন লাগে জানুন

এবং হজ যাত্রীরা যখন আপনারা সরাসরি মক্কায় গমন করবেন তখন আপনারা যাত্রার ছয় ঘন্টা আগে ইরামের কাপড় পড়বেন এবং চার ঘন্টা পূর্বে হজ ক্যাম্পের ইমিগ্রেশন কাউন্টারে রিপোর্ট করবেন। আপনারা যারা সরাসরি মদিনা শরীফে যেতে চান তাদের ঢাকাতে ইরামের পোশাক পরিধান করার কোন প্রয়োজন নেই। তারা যাত্রার 4 ঘন্টা পূর্বে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে রিপোর্ট করবেন এবং সরাসরি মক্কা ও মদিনায় যাওয়ার বিষয়টি বাংলাদেশ হজ মিশন জেদ্দা অফিস নির্ধারণ করে এবং এই বিষয়টি হজ যাত্রীদের কে যথাযথ সময়ে জানিয়ে দেয়।

আর যে সকল হজ যাত্রী বৃন্দ বেসরকারিভাবে হজের যাবেন তারা সব সময়ের জন্য হজ এজেন্সির পরামর্শ অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

মক্কা ও মদিনাতে পৌঁছে আপনার ভাড়া করা বাড়িতে আপনাকে উঠতে হবে যদি আপনার কোন আত্মীয়-স্বজন থাকে তবুও আপনি সেই আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে থাকতে পারবেন না। কারণ এই নিয়মটি হচ্ছে সৌদি সরকারের আইন। এবং মক্কা ও মদিনাতে পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গে আপনাকে মোয়াল্লেম অফিসের দেওয়া কার্ড সব সময় যেন আপনার সঙ্গে রাখতে হবে। এর ফলে সরকারি প্রশাসকরা আপনাকে চিনতে পারবে যে আপনি হজ যাত্রীবৃন্দ।

শেষ কথা | হজ যাত্রীদের করণীয় - ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ

প্রিয় বন্ধুরা আশা করা যায় যে আপনারা আমাদের আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়েছেন এবং আমাদের আর্টিকেল থেকে হজ যাত্রীদের করণীয় এবং ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ থেকে যে সকল বিষয়গুলো আপনাকে বর্জন করতে হবে এবং হজ যাত্রী হিসেবে আপনাকে যে সকল বিষয়গুলো মেনে চলতে হবে ও করতে হবে তা আপনি ভালোভাবে জানতে পেরেছেন। এবং আমরা আশা করতে পারি যে আপনারা আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়ে অনেক উপকৃত হয়েছেন। আপনাদের পত্রিকায় উচিত হজে যাওয়ার আগে আপনাদের এই বিষয়গুলো জেনে নেওয়া।

তাহলে হয়তো আপনাদের হজ পালন করতে অনেক সুবিধা হবে। তাহলে প্রিয় পাঠক আর কথা না বাড়িয়ে এখানে শেষ করছি দেখা হবে পরবর্তী কোনো আর্টিকেলে। এবং আমাদের আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ ও শেষ পর্যন্ত করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আরাবি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url