গলা খুসখুস ও কাশি দূর করার উপায় - গলা খুসখুস কেন হয়

প্রিয় পাঠক আপনারা কি গলা খুসখুস ও কাশি দূর করার উপায় এবং গলা খুসখুস কেন হয় তা কি জানেন।যদি না জেনে থাকেন তাহলে আমাদের আর্টিকেল নি মনোযোগসহ পড়ুন। কেননা আজ আমরা গলা খুসখুস ও কাশি দূর করার উপায় বিস্তারিত আলোচনা করেছি। চলুন কথা না বাড়িয়ে জেনে নেই।

গলা খুসখুস ও কাশি দূর করার উপায়

আমাদের আর্টিকেলে গলা খুসখুস ও কাশি দূর করার উপায় ছাড়াও থাকছে আরো অনেক বিষয়ের আলোচনা। এজন্য ভালোভাবে আমাদের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহ পড়ুন।

পোস্ট সূচিপত্রঃ গলা খুসখুস ও কাশি দূর করার উপায় - গলা খুসখুস কেন হয়

ভূমিকা - গলা খুসখুস ও কাশি দূর করার উপায়

গলা খুসখুস ও কাশি একটি বিরক্ত কর। এটি আমাদের অনেক সমস্যা দেখা দেয়। এজন্য এটি দূর করা আমাদের খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা খুসখুসে কাশি বিভিন্ন রোগের কারণ ও লক্ষণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই আমরা এটিকে দ্রুত নিরাময় করার চেষ্টা করে থাকে কিন্তু অনেকেই বিফল হয়ে দাঁড়ায়। সেজন্য আজকে আমরা আপনাদের কাছে গলা খুসখুস ও কাশি দূর করার উপায় এবং গলা খুসখুস কেন হয় এছাড়াও কাশি সম্পর্কে আরো অনেক বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করব। এছাড়াও গলা খুসখুস ও কাশি ভালো করার এমন কিছু উপায় বলবো যা থেকে আপনারা খুব দ্রুত গলা খুসখুস ও কাশি দূর করার উপায় খুঁজে পাবেন। তাহলে চলুন দেরি না করে জেনে নেই।

খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায়

আজকে আমরা আপনাদেরকে এমন কয়েকটি উপায় বিষয়ে জানাবো যা থেকে আপনারা খুব দ্রুত এই বিরক্তি কর খুশখুসে কাশি দূর করার উপায় বিষয় জানতে পারবেন। এবং তা খুব দ্রুত ভালো হতে পারবেন। এই খুশখুসে কাশি সাধারণত আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে হয়ে থাকে। তবে আবহাওয়া পরিবর্তনের পরে আমাদের এটি ঠিক হয়ে যাওয়ার কথা কিন্তু এই খুশখুসে কাশি ভালো হতে চাচ্ছেনা।

এই খুশখুসি কাশির সাধারণত ফুসফুসের সমস্যা হওয়ার জন্য, হাঁপানি হওয়ার জন্য, ভাইরাসে আক্রমণ এছাড়াও এলার্জির কারণে হয়ে থাকে। তবে এই কাশিগুলো শুরু হওয়ার প্রথমেই যদি কিছু উপায় ব্যবহার করি তাহলে এগুলো আর বাড়াতে পারে না, তা খুব দ্রুত ভালো হয়ে যায়। তাহলে চলুন সেই উপায়গুলো সম্পর্কে আপনাদের বিস্তারিত জানিয়ে দেই।

আদা চাঃ আপনার বিরক্ত কর কাশি দূর করার জন্য চায়ের সঙ্গে আদা দিয়ে চা খাবেন তাহলে আপনার খুশখুসে কাশি খুব দ্রুত নিরাময় হবে।

মধু লেবু ও পানিঃখুসখুসি বিরক্তিকর কাশি দূর করাতে মধু ও লেবুর গুরুত্বপূর্ণ অপরিহার্য। মধু খুশখুসে কাশি দূর করতে খুবই কার্যকরী কারণ মধুতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের উপাদান এছাড়াও লেবুতে রয়েছে অনেক প্রকারের উপাদান যা আপনার গলা ব্যথা ও খুসখুসে কাশি দূর করাতে একসঙ্গে মধু লেবুর রস ও সমপরিমাণ পানি মিশ্রিত করে পান করেন তাহলে খুব দ্রুতই আপনি খুশখুসে কাশি থেকে মুক্তি পাবেন।

আরো পড়ুনঃ টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ ও চিকিৎসা জানুন

তুলসী পাতা ও মধুঃতুলসী পাতার রস কাশি ভালো করার জন্য ওষুধের থেকে বেশি কাজ করে থাকে। তাই আপনার যদি ফুসফুসে কাশি ভালো না হয় তাহলে আপনি অবশ্যই তুলসী পাতা ও মধু একসঙ্গে খাবেন তাহলে অবশ্যই আপনার খুশখুসে কাশি দূর হবে। প্রথমে আপনি তুলসী পাতা চিপে তার রস বের করে নিবেন একটি চামসে তারপরে সমপরিমাণে মধু নিবেন দিয়ে একসঙ্গে মিশিয়ে সেবন করবেন। দিনে এটি আপনি চার থেকে পাঁচ বার সেবন করতে পারবেন।

গলা খুসখুস ও কাশি দূর করার উপায়

আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি যে গলা খুসখুস ও কাশি দূর করার উপায় গুলো কি। আমাদের অনেকেরই আবহাওয়া পরিবর্তন এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে গলা খুসখুসে কাশি হয়ে। এই কাশিটা খুবই বিরক্তকর এবং বিভিন্ন রোগের লক্ষণ ও বিভিন্ন রোগের কারণ হয়ে ওঠে। তাই আমাদের উচিত গলা খুসখুস ও কাশি দূর করার উপায় বোলো জেনে রাখা।আপনারা যদি গলা খুসখুস ও কাশি দূর করার উপায় না জেনে থাকেন তাহলে আমাদের আর্টিকেলের এই অংশটি মনোযোগসহ পড়ুন তাহলে আপনারা এই বিষয়ে অবশ্যই জানতে পারবেন।

গলা খুসখুস ও কাশি দূর করার উপায় গুলো হচ্ছে;

আদা ও লেবুঃ আপনার যদি গলা খুসখুস ও কাশি হয়ে থাকে তাহলে আপনারা প্রথমেই শুরুতেই এগুলো দূর করাতে হবে। এজন্য আপনারা আদার রস ও লেবুর রস এছাড়াও কাঁচা আদার সঙ্গে লেবুর রস এর সঙ্গে খেতে পারেন তাহলে খুব দ্রুত আপনারা গলা খুসখুস ও কাশি দূর করতে পারবেন। কারণ আধারে রয়েছে এন্টি ব্যাকটেরিয়া এবং লেবুতে রয়েছে সাইট্রিক এসিড এগুলো মিলে আপনার কাশি দূর করতে সহায়তা করে।

তুলসী পাতার রসঃ কাশির ক্ষেত্রে তুলসী পাতা খুবই কার্যকরী। এটি একটি প্রাকৃতিক উপাদান আপনি যদি গলা খুসখুস কাশি দূর করতে চান তাহলে তুলসীপাতার রস এ ছাড়া তুলসী পাতা কাঁচা চিবিয়ে রসগুলো খাবেন তাহলে আপনাদের গলা খুশখুস এবং অতিরিক্ত কাশিও যদি হয়ে থাকে তাও দ্রুত ভালো করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরো পড়ুনঃ শিশুদের ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার জানুন


তুলসী পাতা ও মধু মধু খুবই কার্যকরী কাশির জন্য। আপনি যদি তুলসী পাতা বা তুলসী পাতা রস ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন তাহলে আপনার গলার খুসখুসে কাশি খুব দ্রুত ভালো হয়ে যাবে। কেননা তুলসী পাতা ও মধু একসঙ্গে কাশির বিপরীতে খুবই কার্যকারী।

গরম পানি ও নুনঃ আপনার যদি গলা খুসখুস ও কাশি হয়ে থাকে তাহলে আপনি দিনে খুব ঘন ঘন গরম পানি ও নুন এর সঙ্গে মিশিয়ে গড়গড়া করতে হবে। কারণ গরম পানি ও নুন একসঙ্গে মিশিয়ে গড়গড়া করার গুরুত্ব অপরিহার্য। কারণ এটি বলা খুসখুস দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী।

কাঁচা হলুদ ও দুধঃ দুধ ও কাশির ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হলুদে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আপনার গলার খুশখুস ও কাশি দূর করতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স রাখে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা করে নিয়েছে হলুদ। আপনার যদি অতিরিক্ত বা সামান্য গলা খুসখুস ও কাশি হয়ে থাকে এছাড়াও যদি গলা ব্যথা হয়ে থাকে তাহলে আপনি গরম দুধের সাথে কাঁচা হলুদ মিশিয়ে খান। তাহলে কিছুদিনের মধ্যেই আপনার এই সমস্যাগুলো সমাধান হয়ে যাবে।

মধু ও পেঁয়াজের রসঃ এটি সেবন করার জন্য প্রথমে আপনাকে একটি পেঁয়াজের রস নিতে হবে এবং এর সঙ্গে একটা চামচ মধু নিতে হবে, এরপরে মিশিয়ে একটি দিনে দুই থেকে তিনবার খাবেন। তাহলে দেখবেন খুব দ্রুত পেঁয়াজের ঝাজ এবং মধু্র উপকারিতা গুলো একসঙ্গে মিলে আপনার গলার খুসখুসে এবং কাশি দূর করেছে।পিয়াজ গলা খুসখুস দূর করতে খুবই কার্যকরী।

রসুন ও ঘিঃ অন্যান্য সকল পদার্থের মত কাশির ক্ষেত্রে রসুন খুবই কার্যকারী। কারণ রসুন রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল, এবং এক্সপেক্টরেন্ট। যা আমাদের কাশির বিপরীতে খুবই অপরিহার্য। এটি সেবন করার জন্য আমরা এটিকে প্রথমে একটি রসুন কুচি কুচি করে কেটে নেব এবং এর চা চামচ ঘি নেব এরপরে সেগুলো ভালো করে মিশিয়ে ভেজে নেব। ভাজার পর কুসুম গরম অবস্থায় থাকাকালীন খেয়ে নিব।

গলার খুশখুসি ও কাশি শীতকালে বেশি হয়ে থাকে ঠান্ডার জন্য। এজন্য আপনারা সর্বদা নজর রাখবেন যাতে করে আপনাদের গলায় এবং কানে ঠান্ডা না লাগে। এবং আপনাদের কাশি হয় তাহলে আপনাদের প্রথমের দিকেই গলায় কাপড় বা মাপলাট জড়িয়ে রাখবেন তাতে করে গলায় কোনভাবে আপনার ঠান্ডা না লাগতে পারে।

খুশখুশে কাশি দূর করার উপায়

ফুসফুসে কাশি দূর করানোর উপায় গুলো হচ্ছে,

  • দিনে আপনি যতবার সম্ভব ততবারই গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করবেন। এবং গরম পানির সঙ্গে লবণ মিশিয়ে গড়গড়া করলে ভালো হয়।
  • বাহিরে গেলে সব সময় আপনার কাছে লবণ রাখলে ভালো হয়। কারণ যখনই গলা খুসখুস করবে তখন এই মুখে লবণ দিয়ে রাখবেন। এছাড়াও লবণের সঙ্গে আদা কুচি কুচি করে কেটে নিয়ে পকেটে রাখতে পারেন যখনই গলা খুসখুস করবে এবং কাশি হওয়া সম্ভাবনা আসবে তখন সাথে সাথেই এক টুকরো আদা তার সঙ্গে লবণ মিশিয়ে মুখে রাখবেন এবং চুষে খাওয়ার মত করবেন এর ফলে খুব দ্রুতই আপনার ফুসফুসে কাশি দূর হবে।
  • ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • ঠান্ডা ও পানীয় জাতীয় জিনিস খাওয়া যাবেনা।
  • দিনে কমপক্ষে তিন থেকে চারবার মধু পান করতে হবে।
  • এছাড়াও দিনে তিন থেকে চারবার আদা চা খাবেন।
  • যদি আপনি মধ্য পান বা অ্যালকোহল খেয়ে থাকেন তাহলে সেগুলো পরিহার করবেন।
  • নেশা জাতীয় জিনিস খাওয়া যাবে না।
  • যদি গলায় ঠান্ডা লেগে থাকে তাহলে গলাতে কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। যাতে করে গলাতে কোনভাবে বাতাস না লাগে।
  • যদি পারেন গরম পানি করে একটি স্টিলের গ্লাসে বা গাবলায় ঢেলে নিবেন। এবং সেই পত্রটি গরম হয়ে গেলে কাপড় দিয়ে সে পত্রটি চেপে ধরে একটি গরম হয়ে গেলে গলায় শেক দিবেন। এতে করে আপনার গলার ব্যথা এবং কাশি অনেকটা কমে আসবে।
  • এছাড়াও দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।
  • বায়ু দূষণে টাকা যাবে না এর ফলে আপনার ফুসফুসের সমস্যা হতে পারে। তখন আপনার খুশখুসে কাশি হতে পারে।
  • গলা খুসখুস কেন হয়
  • গলা খুসখুস করে সাধারণত কাশির জন্য। যখন আমাদের কাশির সঙ্গে কফ না আসে বা কফ না বের হয় তখন তাকে খুশখুসে কাশি বলা হয়। সাধারণত ফুসফুসে সমস্যা হলে শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে আমাদের গলা দিয়ে অনেক স্পিডে বাতাস বের হয় তখন আমাদের গলা খুসখুস করে থাকে যার ফলে ধীরে ধীরে কাশিতে পরিণত হয় এবং কাশির জন্য গলা ফুসফুস করে থাকে।
  • এছাড়াও আরো বিভিন্ন কারণে আমাদের গলা খুশখুস দেখা দেয় সেগুলো আজ আমরা নিচে বিস্তারিত বর্ণনা করেছি। জানতে হলে নিচের অংশ পড়ুন।
  • অতিরিক্ত সিগারেট খাওয়া ও ধূমপান করার জন্য গলায় খুসখুস বা খুসখুসে কাশি হয়।
  • মদ্যপান করার ফলে ফুসফুসের সমস্যার জন্য গলা খুসখুস করে থাকে।
  • ফুসফুসে কোন প্রকারের সমস্যা দেখা দিলে গলা খুসখুস ও খুসখুসে কাশি হয়।
  • ক্যান্সারের ফলে।
  • পরিপাকতন্ত্রের সমস্যার জন্য গলায় খুসখুস সৃষ্টি হয়।
  • শ্বাসতন্ত্রে ভাইরাসের আক্রমন ও সংক্রমণের জন্য।
  • গলায় ঠান্ডা লাগার ফলে কাশির জন্য গলা খুসখুস করে থাকে।
  • যক্ষ্মার জন্য গলা খুসখুস করে।
  • অনেকদিন যাবত সত্যিটা আক্রমণ থাকার ফলে।

গগলা খুসখুস দূর করার সিরাপ

১৩১৩ আরো পড়ুনঃ শিশুদের কি খাওয়ালে বুদ্ধি বাড়ে জানুন

দীর্ঘদিন যাবত আপনার গলা কি খুশখুশ করে এবং খুশখুসে কাশিতে ভরপুর। রাতে ঠিক মতন ঘুম হয় না। এবং অনেক জায়গায় ছোটাছুটি করেও অনেক চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ফুসফুসে কাশি ভালো হচ্ছে না। এজন্য আপনারা আজ গলা খুসখুস দূর করা সিরাপের নাম জানতে চাচ্ছেন। তাহলে আপনারা সঠিক জায়গায় এসেছেন। আমাদের কাছে গোলাপ খুঁজখুশ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য এমন কিছু  সিরাপের নাম রয়েছে। যেগুলো সেগুন করলে আপনারা খুব দ্রুতই গলা খুসখুস থেকে আরাম পাবেন। চলুন গলা খুসখুশি ও খুশখুস কাশি দূর করার সেভাবে নাম ও ছবিগুলো হচ্ছে;















গলায় খুসখুস দূর করার ঔষধ

আপনারা অনেকেই গলা খুশখুস জোর করার ভালো ঔষধ খোঁজাখুজি করে হয়রান হয়ে গেছেন তবু পাচ্ছেন না। আজ আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি গলা খুশখুস দূর করার ভালো ঔষধ। চলুন ওষুধ গুলোর নাম জেনে নিন।

  • Keto - A 100 mg
  • Adovas syp
  • Trusprel

ছোটদের জন্য,

  • Ambrox
  • Ambroten
  • ketifen
  • Livostar
  • Cef 3
  • prideyatrick

গলা খুসখুস ও কাশি দূর করার উপায়?;শেষ কথা

প্রিয় বন্ধুরা আপনারা নিশ্চয়ই এতক্ষণে আমাদের আর্টিকেলটি সম্পন্ন করেছেন এবং ও কাশি দূর করার উপায় এবং গলার খুসখুস কেন হয় এছাড়াও আরো অনেক বিষয়ে জানতে পেরেছেন। আমাদের গলা খুসখুস হয়ে থাকলে রাতে ঘুমানোর সময় এবং যেখানে সেখানে যাওয়ার সময় খুবই বিরক্তকর লাগে। এবং এটি অনেক রোগের লক্ষণ দেখা দেয়। এজন্য আপনারা গলা খুসখুস দেখা দিলে শুরুতেই আমাদের আর্টিকেলের দেখানো উপায় গুলো ব্যবহার করতে পারেন। এই উপায়গুলো যদি আপনি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারেন তাহলে খুব দ্রুত আপনার গলার খুসখুস ও কাশি দূর হয়ে যাবে।

১২১২ আরও পড়ুনঃ শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ জানুন

এই আর্টিকেলে যে সকল উপাগুলো এবং টিপসগুলো বলা হয়েছে যদি আবারও গলা খুসখুস ও এরকম সমস্যা দেখা দেয় তাহলে আমি অতি দ্রুত এই উপায় গুলো ব্যবহার করে থাকি এবং অতি দ্রুত এই সমস্যা থেকে সমাধান পেয়ে থাকি। এছাড়াও আপনাদেরও যদি এই ধরনের সমস্যা হয় তাহলে আপনারা গলা খুশখুস ও কাশি দূর করার উপায় গুলো ব্যবহার করে এই সমস্যার সমাধান খুব শীঘ্রই পেয়ে যাবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আরাবি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url