শিশুর ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

 

বন্ধুরা আপনারা কি শিশুর ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার জানেন। যদি না জেনে থাকেন তাহলে আমাদের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। কেননা আমারে আর্টিকেলে আমরা শিশুর ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার এছাড়াও শিশুর ডেঙ্গু জ্বরের ৭টি সতর্কীকরণ লক্ষণ বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আমাদের সকলের এই বিষয়ে জানা উচিত। এবং আপনার যদি পরিবারের শিশু থেকে থাকে তাহলে আপনার এই বিষয়ে জানা আবশ্যক।

শিশুর ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

বর্তমানে ডেঙ্গু জ্বর একটি খুবই ভয়াবহ জ্বর। এই জ্বরে অধিকাংশ বেশিরভাগ মানুষ এখন মারা যাচ্ছে তাই আমাদের এই সকল বিষয়গুলোতে বেশি করে নজরদারি এবং সতর্ক থাকতে হবে।

পোস্ট সূচীপত্রঃ শিশুর ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

শিশুর ডেঙ্গু জ্বরের ৭টি সতর্কীকরণ লক্ষণ

  • শিশুদের যদি ডেঙ্গু জ্বর হয় তখন তাদের শ্বাসকষ্ট হওয়া।
  • পেটে ব্যথা হওয়া।
  • অতিরিক্ত দেরিতে প্রস্রাব করা।
  • যদি শিশুদের শরীরে অতিরিক্ত পানি আসে এবং পায়ের দিকে যদি পানি বের হয় তখন ওইভাবে বুঝতে হবে শিশুর ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে।
  • এবং শিশুদের অতিরিক্ত বমি হওয়া।
  • খিচুনি এবং দুর্বল হয়ে পড়া ও বিরক্ত বোধ মনে করা।
  • শুয়ে থাকা এবং বসে থাকার পর উঠে দাঁড়ানোর সময় মাথা ঘরে পড়ে যাওয়া।
  • এছাড়াও শিশুদের বমি ও পাতলা পায়খানার সঙ্গে রক্ত বের হলে এবং গায়ের রং র‍্যাশ হলে বুঝতে হবে শিশুটির ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে।

বাচ্চাদের ভাইরাস জ্বরের লক্ষণ

নিচে আজ আমরা বাচ্চাদের ভাইরাস জ্বরের লক্ষণ সম্পর্কে জানব। বাচ্চাদের ভাইরাস জ্বরের লক্ষণটির তথ্য পেশ করা হয়েছে রাজশাহী রয়েল হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেড এর শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, অধ্যাপক ডাঃ মোঃ ইকবাল বারী। চলুন এক নজরে দেখে নিন বাচ্চাদের ভাইরাস জ্বরের লক্ষণসমূহ গুলো কি;

আরো পড়ুনঃ শিশুদের হাম হলে কি করনীয় জানুন

  • শিশুদের ভাইরাস জ্বর হওয়ার আগে তাদের বিভিন্ন অঙ্গ পতঙ্গ দিয়ে রোগ সীমানু আক্রান্ত করে। এর ফলে তার শরীরে ধীরে ধীরে ভাইরাস জলে আক্রান্ত হতে শুরু করে।
  • শিশুদের অতিরিক্ত জ্বর আসা।
  • বাচ্চারা ঠিকমতো খেতে চায় না। সব সময় কান্না করা।
  • ভাইরাস জ্বর হলে শিশুরা চলাফেরা করতে চায় না।
  • খাবার খেতে চায়না এবং খেলেও বমি করে।
  • অতিরিক্ত বমি করা।
  • কথা বলার সময় বাচ্চাদের গলা ব্যথা করা।
  • ভাইরাস জ্বরে আক্রমণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শিশুদের ভাইরাস জ্বর সৃষ্টি হয় না। প্রথমে আমাদের শিশুদের জ্বর দেখা দেয়।
  • শরীরে তখন শীত শীত ভাব অনুভব করে ।
  • পায়ের গিরায় গিরায় ব্যথা অনুভব করা।
  • খাবারে অরুচি ভাব এবং অতিরিক্ত সর্দি হওয়া।
  • শিশুদের শরীরে কাঁপুনি হওয়া।
  • মাথা ব্যথা ও মাথা ধরা, তখন শিশুদের মাথা তারা ছাড়তে পারে না সর্বদা বুকে এবং কাঁধে মাথা লাগিয়ে রাখে।
  • ভাইরাস জ্বরে আক্রমণের ফলে শিশুদের ডায়রিয়া এবং পেটের সমস্যা হয়।
  • শিশুদের ঠান্ডা লাগলে ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
  • এছাড়া পানিতে ভিজলেও শিশুদের ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত হওয়া সম্ভব না থাকে।

শিশুর ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

বর্তমানে ডেঙ্গু জ্বরের প্রবাহ বেড়েই চলেছে। এর কারণ আমাদের অসতর্কতার ফল আমরা আজ এখানে ওখানে বাড়ির ছাদের উপরে ফুলের টবে ইত্যাদি পানি জমে থাকার ফলে সেখান থেকে মশা জন্ম নেয় এবং তখন আমাদের সেই মুসা হলো কামড়ানোর পরে আমাদের ডেঙ্গু জ্বর হয় এবং ডেঙ্গু জ্বরের বর্তমান বিশ্বে বহু লোক মারা গেছে। তাই আমরা সকলে আমাদের পরিবারের এবং নিজেদের শিশুদের অনেক সতর্কতায় রাখতে হবে। তার জন্য আমাদের শিশুর ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার জানতে হবে। চলুন জেনে নেই শিশুর ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার।

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ গুলো হচ্ছে;

  • অতিরিক্ত জ্বর আসা।
  • মাথা ব্যথা হওয়া।
  • বমি বমি ভাব হওয়া।
  • মাংস পেশির ব্যথা সৃষ্টি হওয়া।
  • শিশুদের শরীরে ফুসকুড়ি অথবা লাল বর্ণের সারা শরীরে দাগ হওয়া।
  • শ্বাসকষ্ট হওয়া।
  • শিশুদের বমি ও পায়খানার সঙ্গে রক্তপাত হওয়া।
  • পেটে অতিরিক্ত ব্যথা হওয়া।
  • শিশুদের ডেঙ্গু জ্বর হলে তাদের শরীরে তাপমাত্রা ১০১ ডিগ্রি থেকে ১০৩° হওয়া।
  • শরীর থেকে জ্বর যাওয়া আসা করা।
  • শিশুদের চোখের পিছনে তীব্র ব্যথা হতে পারে। এছাড়াও সাধারন ব্যথা হয়।
  • শিশুদের সাড়া শরীরে লালচে রঙের র‍্যাস দেখা দিতে পারে।
  • শিশুদের পেট ফুলে যাওয়া।
  • শিশুদের দাঁত ও মাটি থেকে রক্ত পড়া।

শিশুদের ডেঙ্গু রোগের প্রতিকার হচ্ছে;

যেখানে জন্ম নেয় সেই জায়গাগুলো ধ্বংস করতে হবে। এডিস মশা সাধারণত পরিষ্কার পানি থেকে কম বংশবিস্তার করে, এরা সাধারণত টায়ারের পানিতে ফুলের টবের পানিতে এবং বৃষ্টির পানি পড়েছিল জমে থাকা এই সকল পানিগুলো জমে থাকার ফলে সে পানিগুলো নোংরা হয়ে যায় এবং সেখান থেকে অ্যাডিস মশা জন্ম নেয় এজন্য আমাদের সবার আগে এই জায়গাগুলো ধ্বংস করে দিতে হবে।

আরো পড়ুনঃ সহবাসের পর তলপেটে ব্যথা হয় কেন

মশার হাত থেকে রক্ষা ফেটে শিশুদেরকে আমরা সব সময় দিনে হোক কিংবা রাতে হোক ঘুমানোর সময় মশারের ভেতরে রাখতে হবে। এবং যখন শিশু খেলাধুলা করবে এবং চলাফেরা করবে তখন আমাদের সতর্ক হতে হবে যে মশা যেন কোনভাবেই শিশুকে আক্রমণ করতে না পারে। এছাড়াও আমরা ডেঙ্গু রোগ হলে করণীয়গুলো কি তার হচ্ছে,

ডেঙ্গু রোগ দেখা দিলে,বা ডেঙ্গু রোগের মত সন্দেহ দেখা দিলে তাহলে আমরা খুব দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেব।

প্রথম আপনাকে যেখানে এডিস মশার যেখানে হবে সেই জিনিসটি আপনাকে দ্রুত ভেঙে ফেলতে হবে। এডিস মশা যেন আপনার বাড়ির আঙিনায় হতে না পারে সে স্থানগুলো তাড়াতাড়ি আপনাকে নষ্ট করতে হ। এডিস মশার যেন জন্ম না হয় সেজন্য আপনাকে বাড়ির আঙিনা সব সময় পরিষ্কার করে রাখতে হবে করে রাখতে হবে।

আপনার শিশুকে সব সময় মশারী টাঙ্গিয়ে মোশারির ভেতরে রাখবেন। বিশেষভাবে আপনার শিশুকে সব সময় মশারের ভেতরে রাখা দরকার।

সব সময় আপনার শিশুকে পোশাক পরাবেন যেন সেই পোশাক ফুলহাতা হয়। আপনার শিশুকে যেন মশা না কামড়ায় সেজন্য আপনাকে সবসময় তার যত্ন নিতে হবে। আপনাকে সবসময় বাসার আঙ্গিনায় বাসার ভেতরে বা বাইরে করতে হবে তাহলে হয়তো আপনি হাত থেকে রক্ষা পেতে পার।

শিশুর জ্বর ১০২ হলে করণীয়

আপনাদের শিশুদের যদি ১০২ ফারেনহাইট যে সবচেয়ে বেশি জ্বর হয় তাহলে আপনারা আপনার শিশুকে তার মলদ্বারে সাপোজিটরি প্যারাসিটামল ব্যবহার করতে পারবেন। আপনার শিশুকে বেশি বেশি করে খাওয়াতে হবে স্যালাইন, সবরকম ফলের রস, এবং তরল খাবার খাওয়াতে হবে। অন্য খাবার গুলো তার পাশাপাশি চলবে। সব রকম খাবারের আপনি আপনার বাচ্চাকে খাওয়াতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ শিশুদের খাবার তালিকা জানুন

 তবে আপনি আপনার বাচ্চাকে অবশ্যই সবচেয়ে বেশি করে তরল খাদ্য দেবেন। আপনার শিশুর অনেক কারণেই তার জ্বর আসতে পারে। যেমন ডেঙ্গু, টাইফয়েড, নিউমোনিয়া ও চিকুন গুনিয়া কারণেও কিন্তু আপনার শিশু জ্বর আসতে পারে। সেজন্য আপনাকে সবসময় সাবধানতা বজায় রাখতে হবে ।

শিশুর জ্বর না কমলে করণীয়

আপনাদের শিশুদের জ্বর একটি মাত্র অনুসর্গ যা একটি কোন রোগ নয়। কিংবা আপনার শিশুকে যার কোন ক্ষতি করবে না বরং বড় কোন সমস্যার ইঙ্গিত করবে। তবে আপনার শিশুর জ্বর যদি অনেক বেশি হয় তাহলে আপনার শিশুকে সে জ্বরে ক্ষতি করতে পারেন তাই জ্বর হলে কি করবেন তা জেনে নেওয়া আপনার পক্ষে খুব জরুরী। তার জন্য না করলে কি করনীয় তা এবার আমরা জানবো।

১. আপনার শিশুর যদি জ্বর হয় তাহলে আপনারা প্রথমে সাধারণ ওষুধ আর এক কথাতে প্রাথমিক ওষুধ ব্যবহার করতে  হবে। এবং ঠিক নিয়মে সে ওষুধ গুলো আপনার সে সময় খাওয়াতে হবে। সে ওষুধ খেয়ে যদি তার জল না কমে তাহলে আপনার শিশুকে সাথে সাথে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে।

২. যদি আপনার শিশুর জ্বর না কমে তাহলে আপনার কাজ হচ্ছে শিশুকে আরাম দেওয়া।

৩. আপনার শিশুকে সবসময় বাইরে অথচ আলো বাতাসে নিয়ে বেড়াতে হবে। আপনার শিশুকে আপনি সবসময় আপনার নিজ যত্নে রাখবেন এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কাপড় পরাবেন।

৪. আপনার শিশুর জ্বর কমার জন্য আপনাকে সবসময় তার যত্ন নিতে হবে এবং মাথা থেকে পা পর্যন্ত বারবার মুছে দিতে হবে যেন তার শরীর গরম না হয়। আপনার শিশুকে প্রতিদিন গোসল না করিয়ে দুই তিন দিন পর পর গোসল করাতে পারবেন।

৫. যদি আপনার শিশুর ওষুধ খেয়ে জ্বর না কমে তবে ভাববেন সে ওষুধে কোন কাজ হয়নি। বলেই কিন্তু জ্বর কমতে চাচ্ছে না। আপনার শিশুকে যদি আপনি বেশি ওষুধ খাওয়ান তাহলে আপনার শিশুর শরীরে হয়তো ওষুধ কোন কাজ করবে না। কারণ বেশি ওষুধ খেলে কখনোই শরীরে কোন কাজ করে না। তাই আপনার শিশুর যদি বেশি ওষুধ হয় তাহলে আপনাকে কয়েকটি কমিয়ে রাখতে হবে হয়তো বেশি ওষুধ খেয়ে আপনার বাচ্চার জ্বর কমছে না।

এই সব করণীয়গুলো মেনে চললেই আপনার শিশুর জ্বর দ্রুত কমবে। তাই আপনার শিশুর অল্প জ্বর হতে তার চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন।

২ বছরের শিশুর জ্বর হলে করণীয়

আমাদের সব বাবা মার কাছে সন্তান হচ্ছে অমূল্য সম্পদ। শিশু যদি মা-বাবার দেখানো সঠিক পথে থাকে থাকে । তাহলে আপনাদের শিশুদের কোন কিছুর অভাব হবে না। জ্বর আপনার শিশুর জীবনকে নাচের মতো করে তোলে সেজন্য তাকে। ভালো করে তার চিকিৎসা করা দরকার এবং তাকে বাবা মায়ের আদর স্নেহ দেওয়া।

 দুই বছরের শিশুর জ্বর হলে কি করনীয় তা জানবো।

  • আপনার শিশুকে প্রতিদিন বেশি করে তরল জাতীয় খাবার খেতে দিতে হবে। তরল খাবার খেলে আপনার শিশুর শরীরের তাপমাত্রা সব সময় কমে থাকলে তার শরীর কখনো গরম হতে পারবেনা সেজন্য তার জ্বরও হবেনা। তাই তরল খাদ্য আপনার বাচ্চার শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখতে সহায়তা করে।
  • আপনার বাচ্চার যেন শরীরের পানি শূন্যতা আর অভাব না দেখা দেয় সেই দিকে আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে। আপনার বাচ্চা যদি ডায়রিয়াজনিত কোন রোগ হয় তাহলে আপনাকে সাথে সাথে খাবার স্যালাইন অথবা সব সময় মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। অথবা নরমাল দুধও খাওয়াতে পারবেন। কিন্তু তাকে তরল খাবারই বেশি দেওয়া উচিত । তরল খাবার খেলে আপনার বাচ্চা সুস্থ থাকবে।
  • আর আপনি যদি চান আপনার বাচ্চাকে স্বাভাবিকভাবে স্বাভাবিক হওয়ার খাওয়াবেন তাহলে খাওয়াতে পারেন ,কোন সমস্যা নেই কিন্তু তরল খাবারও দিতে হবে তার পাশাপাশি। আমাদের দেশে অনেক কিছুই আছে যাদের জ্বর হলে তারা খাবার খেতে চায় তাদেরকে কিন্তু ঘন ঘন খাবার দেওয়া উচিত। যদি আপনার সন্তানের জ্বর হয় তাহলে সে যদি খাওয়ার খেতে চাই তাহলে আপনি তাকে পুষ্টিকর খাবার খাওয়াবেন যেন সে খাবারে ভিটামিন থাকে।
  • যদি আপনার শিশুর জ্বর বেশি হয় তাহলে আপনি রাতে পরীক্ষা করবেন। যে দিনের চেয়ে তাপমাত্রা বেশি আছে না কম আছে সেদিকে আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে। এই জন্য আপনাকে অবশ্যই রাত্রে জ্বর পরীক্ষা করতে হবে।
  • আপনাকে অবশ্যই সন্তানের প্রতি যত্ন এবং নজরদারি নিতে হবে এবং অবশ্যই জ্বর ভালো না হয় এবং জ্বর আসলেই আপনি চাইলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।
  • এই অবস্থায় আপনি আপনার শিশুকে পাতলা দেখে পোশাক পরিধান করাবেন কারণ এই সময় পোশাক মোটা হলে আপনার শিশুর শরীরের তাপমাত্রা আটকে দেয় এবং তাপমাত্রাগুলো দ্রুত বেড়ে যায়।
  • এছাড়াও আপনি আপনার শিশুকে এই অবস্থায় হালকা উষ্ণ এবং গরম পানিতে গোসল করাতে পারেন।

শিশুর ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার?;শেষ কথা

প্রিয় অভিভাবকেরা, আপনাদের অবশ্যই শিশুর ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে। কেননা আপনার একটি ভুলের কারণে আপনার সন্তানের অনেক বড় ক্ষতি হতে পারে। আমরা যদি আগে থেকে জেনে থাকি তাহলে আমরা আমাদের সন্তানদের প্রতি সতর্ক থাকবো এবং তাদেরকে এসব বিষয়ে অর্থাৎ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আগে আমরা তাদের সতর্ক ও সেই রোগের প্রতিকার করতে পারবো।

আরো পড়ুনঃ জন্ম থেকে দুই বছর পর্যন্ত শিশুদের সকল খাবার তালিকা জানুন

এবং আপনি যদি আমাদের আর্টিকেল থেকে শিশুর ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জানার জন্য বিস্তারিত আর্টিকেলটি পড়ে থাকেন তাহলে আপনি নিশ্চয়ই ডেঙ্গু সম্পর্কে এবং বিভিন্ন ধরনের জ্বরের সম্পর্কে জানতে পারবেন। কিভাবে ১০২ ডিগ্রি জ্বর হলে শিশুদের প্রতি আপনাদের করণীয় কি এবং শিশুদের করণীয় কি এই সকল বিষয়ে আপনারা জানতে পারবেন।

এবং আপনারা ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ গুলো জেনে খুব দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারবেন। যার ফলে আপনি ও আপনার সন্তানের অনেক উপকার এবং অনেক বড় ক্ষতির হাত থেকে আপনারা বাঁচতে পারবেন।

(বিদ্রঃ এই সকল তথ্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও রাজশাহী রয়েল প্রাইভেট লিমিটেড হাসপাতাল এর শিশু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাঃ মোঃ ইকবাল বারী এর তথ্যসূত্রে গাথা এবং এই সকল ইনফরমেশন তার বক্তব্য অনুযায়ী প্রেস করা হয়েছে)

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আরাবি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url