চোখের জ্যোতি বৃদ্ধির ব্যায়াম ৫টি

চোখের জ্যোতি বৃদ্ধির ব্যায়াম সম্পর্কে জানতে হবে। যদি না জানেন তাহলে আমাদের পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। কেননা আজ আমরা চোখের সমস্যা দূর করার উপায় চোখের জ্যোতি বৃদ্ধির ব্যায়াম ৫টি বিস্তারিত আলোচনা করেছি। যদি আপনার চোখে সমস্যা থেকে থাকে তাহলে চোখের জ্যোতি বৃদ্ধির ব্যায়াম ৫টি জানলে সমস্যা দূর করতে পারবেন।

চোখের সমস্যা দূর করার উপায়
চোখ আমাদের মানবদেহের জন্য খুবই একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এটি ছাড়া মানুষ নিঃস্ব করবে আমাদের চোখের সমস্যা হলে আমাদের চোখের সমস্যা দূর করার উপায় জানা উচিত দ্রুত তার ব্যবস্থা নেওয়া।আমাদের এই আর্টিকেলে মধ্যে চোখের সমস্যা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে তো আমরা কথা না বাড়িয়ে চলুন জেনে নেই।

পোস্ট সূচিপত্রঃ চোখের জ্যোতি বৃদ্ধির ব্যায়াম ৫টি 

চোখের সমস্যা বোঝার উপায়       

চোখ আমাদের শরীরের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেটি না থাকলে আমরা পুরোটাই পঙ্গু হয়ে যেতাম চোখ দিয়ে আমরা দেখি চোখ দিয়ে আমরা চলি চোখ দিয়ে আমরা সকল পৃথিবীর কাজ করে থাকি দুনিয়াটা যেমন সূর্যের আলো ছাড়া অন্ধকার তেমনি আমাদের কাছে চোখ ছাড়া পুরো পৃথিবীটা অন্ধকার তবে বর্তমান সময়ে অনেক মানুষের চোখে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা রয়েছে তবে আমরা বুঝতে পারি না যে আমাদের চোখে আসলে কি কি সমস্যা হয়েছে তাই আমরা এই আর্টিকেলের মাধ্যমে চোখের সমস্যার কিছু লক্ষণ বলবো যে লক্ষণগুলো দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার চোখের সমস্যা রয়েছে | আর সেই লক্ষণগুলো হল:

>> আপনি যখন রাতে সময় কোন কিছু চোখ দিয়ে ঝাপসা দেখেন কিংবা একটু দূরের বস্তুগুলোকে অস্পষ্ট দেখেন তাহলে জানতে হবে আপনার চোখের সমস্যা রয়েছে|

>> কোন কাজ করার সময় বা অবসর সময়েও যদি আপনার চোখ লাল অথবা গোলাপী কিংবা বাদামী রং ধারণ করে নীলচে রং ধারণ করে, তাহলে বুঝতে হবে আপনার চোখের সমস্যা হয়েছে|

>> দিনে অথবা রাতে আপনি যদি ঝাপসা দেখেন, যেমন টিভি দেখার সময়, মোবাইল দেখার সময় কিংবা দিনে বিভিন্ন কাজ করার সময় যদি ঝাপসা দেখেন তাহলে বুঝবেন আপনার চোখের সমস্যা রয়েছে|

>> যদি হঠাৎ আপনার চোখ ফুলে যায় কিংবা চোখের এক কোনা যন্ত্রণা করে তাহলে বুঝবেন আপনার চোখের সমস্যা রয়েছে|

>> যদি আপনার খুব মাথা ব্যথা করে ওষুধ খেলেও ভালো হচ্ছে না বিভিন্ন ধরনের যাবতীয় মহলোম জাম্বাগ ব্যবহার করার পরেও ব্যথা কমছে না তাহলে বুঝবেন আপনার চোখের জন্য আপনার মাথার ব্যথা কমছে না কারণ চোখের সমস্যার কারণেও কিছু কিছু সময় মাথা যন্ত্রণা বা ব্যথা বা মাথা ধরা হয়ে থাকে|

>> আবার চোখ দিয়ে যদি খুবই ঘন ঘন পানি পড়ে তাহলে জানবেন আপনার চোখের সমস্যা রয়েছে কারণ চোখের পানি পড়া ভালো কথা নয় এটি এক ধরনের সমস্যা বা রোগ|

>> আবার যদি আপনার চোখ ঘন ঘন ওঠে তাহলেও জানবেন নিশ্চয়ই আপনার চোখের কোন সমস্যা হয়েছে|

>> চোখ যদি কিছুক্ষণ পরপর বা কিছুদিন পরপর ব্যথা করে এবং ঝাপসা অনুভব করেন তাহলে বুঝে নেবেন আপনার চোখের সমস্যা রয়েছে|

চোখের ঝাপসা দূর করার উপায়    

চোখ আমাদের শরীরের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেটি না থাকলে আমরা পুরোটাই পঙ্গু হয়ে যেতাম চোখ দিয়ে আমরা দেখি চোখ দিয়ে আমরা চলি চোখ দিয়ে আমরা সকল পৃথিবীর কাজ করে থাকি দুনিয়াটা যেমন সূর্যের আলো ছাড়া অন্ধকার তেমনি আমাদের কাছে চোখ ছাড়া পুরো পৃথিবীটা অন্ধকার | চোখে ঝাপা খুব একটা খারাপ কারণ চোখ আমাদের শরীরের বলা যায় প্রধান অঙ্গে কারণ চোখ ছাড়া আমরা কোন কিছুই করতে পারবো না চোখ ছাড়া আমাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সবাই পঙ্গু হয়ে যার মতন| আর এই চোখ যদি ঝাপসা হয় তখন আমাদের পুরো পৃথিবী ঝাপসা হয়ে যাওয়ার মতন| ঝাপসা দূর করার উপায় গুলো আমরা এই কন্টেন্ট থেকে জেনে নিই

>> মোবাইল বা কম্পিউটার ও টিভির ক্ষতিকারক তেজস্ক্রিয় রশ্মি থেকে নিজের চোখকে ধরে রাখুন| কারন এই তেজস্ক্রিয় রশ্মি আমাদের চোখের জন্য ক্ষতিকারক|

>> ভিটামিন এ জাতীয় খাবার আমাদের খেতে হবে কারণ এটি চোখের জ্যোতি বাড়ায় দৃষ্টি বাড়ায় চোখের ঝাপসা দূর করে চোখকে দীর্ঘায়ু করে তোলে ভিটামিন এ জাতীয় খাবারগুলো হল, কাঁঠাল, কুমড়ো, কচু শাক, পুঁইশাক, মিষ্টি পেঁপে, লাউ শাক, পালন শাক, ধনিয়া পাতা, পাটের শাক, আলু,, ডিম, কলিজা, ছোট ছোট খরচা মাছ, ইত্যাদি খেতে হবে| 

>> চোখে ঝাপসা দেখার কারণ অনেক লুকিয়ে রয়েছে যেমন শরীরে ডায়াবেটিস থাকলে অথবা চোখের সামনে পড়লেও মানুষ চোখে ঝাপসা দেখতে পাই এছাড়া গ্লুকোমারের কারণেও চোখে ঝাপসা শুরু হয়|

>> সব সময় আমাদের চোখকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে| যাতে আমাদের চোখে কোন প্রকার রোগ ভাইরাস হতে না পারে|

>> ডিমের সাদা অংশ ছাড়াও শাকসবজিতেও প্রচুর পরিমাণ লিউটিন থাকে আর এসব চোখের জন্য খুবই উপকারী এসব খাবার এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে| চোখের জন্য ব্যায়াম করতে হবে এরোবিক ব্যায়াম করতে হবে এটি চোখের জন্য খুবই কার্যকরী এছাড়াও আমাদের নিয়মিত সাঁতার কাটতে হবে টেনিস খেলা খেলতে হবে এগুলো আমাদের চোখের জ্যোতি বাড়িয়ে দেয় অনেকটাই

>> তাছাড়াও ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে আমরা চোখের ড্রপ ব্যবহার করে চোখের ঝাপসা বা চোখের যে কোনো ব্যথা কমাতে পারি|

চোখের দৃষ্টি ৬/৬ করার উপায়   

বর্তমান বিশ্বে বর্তমান সময়ে মানুষ ইলেকট্রিক সামগ্রী ব্যবহার করে নিজের অজান্তেই নিজের চোখের দৃষ্টি ক্ষতি করে ফেলেছে| এর পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বদ অভ্যাস ও রোগের কারণেও চোখের দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি হতে পারে কিন্তু বিভিন্ন প্রয়োজনে আমাদের চোখের দৃষ্টি 6/6 হওয়া দরকার। এর জন্য আমাদেরকে চোখের দৃষ্টি ৬/৬ করার উপায় জানতে হবে।

>> যেমন বিভিন্ন প্রয়োজনে বা সরকারি চাকরি হওয়ার সময় অনেক সময় প্রার্থীর চোখের দৃষ্টি ছয় বা ছয় হতে হবে| কিন্তু ৬/৬ বলতে কি বোঝায় ও ৬/৬ করার উপায় আজকে এই আর্টিকেলে আমি আপনাদেরকে জানিয়ে দেবো|

৬/৬ বলতে বোঝায়, একটি ব্যক্তি নির্দিষ্ট স্থান থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে কতটুকু পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছে তার একটা পরিমাপ করা আর এই চোখের পরিমাপকে মূলত visual acuity=d/D মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়| যার অর্থ হলোd=the distance of the subject from the chart এবংD=the distance at with normal vision can just see what the subject sees at 6 meters.

যেমন ধরা যাক আপনি যদি আপনার নিজের চোখের দৃষ্টি শক্তি পরীক্ষা করতে চান তাহলে প্রথমে আপনি একটি বড় সাইজের আলো যুক্ত কার্টুন বাক্স এর ভেতরের দিকে তাকাবেন এবং সেটা আপনি আয়নার প্রতিফলনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্থান থেকে ওই দূরের লেখাগুলো পড়বেন। আর সেখানে আপনার দূরত্ব থাকতে হবে মোট 6 মিটার| আর যদি আপনার চোখের দৃষ্টি শক্তি ভালো হয় বা ভালো থাকে তাহলে আপনি সেখান থেকে আপনার লেখাগুলো ভালোভাবে করতে পারবেন আর যদি দৃষ্টি শক্তি কম থাকে তাহলে সেটা করতে পারবেন না একে ছয় বাই ছয় বোঝানো হয় ছয় করার উপায় এটা|

চোখের জ্যোতি বৃদ্ধির ব্যায়াম ৫টি   

চোখের একটি সাধারণ ব্যায়াম হলো প্রথমে আমরা ঘড়ির কাটার দিকে তাকাবো পরবর্তী তারপর ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে তাকিয়ে চোখের মনিকে ঘোরাবো তবে এই ব্যায়ামটি আমাদের খুবই ধীরে ধীরে ধৈর্যশীল সহকারে করতে হবে এটা প্রতিদিন তিন থেকে চার মিনিট করলেই দেখবেন দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটবে সেই সঙ্গে আপনার সকল কাজকর্মে মনোযোগ বসবে বা বৃদ্ধি পাবে।

তাছাড়াও আরো কয়েকটি ব্যায়াম করে চোখের বৃদ্ধি বাড়াতে পারেনঃ

1. ফোকাস শিফটিং এক্সারসাইজ

এই ব্যায়ামটি আমাদের চোখের পেশির ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। এই ব্যায়ামটি করতে হলে আপনাকে প্রথমে আপনার সামনের বস্তুর দিকে তাকাতে হবে| পাঁচ সেকেন্ড যাবত তাকিয়ে থাকবেন এবং কিছুক্ষণ পর একটু দূরে অন্য এক বস্তুর দিকে ৫ সেকেন্ড যাবত তাকিয়ে থাকুন এমনটা করলে চোখের পেশির কর্মদক্ষতা ও কর্ম ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় আর স্বাভাবিকভাবে চোখের দৃষ্টি শক্তি বাড়তে থাকে।

2. চোখের মনি বলের মত ঘুরে ব্যায়াম করুন

আপনি আপনার চোখ কে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখতে চান তাহলে এই ব্যায়ামটির পেছনে কিছু সময় আপনাকে দিতে হবে কারণ চোখ আমাদের মানব দেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ| প্রথমে আমরা ঘড়ির কাটার দিকে তাকাবো পরবর্তী তারপর ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে তাকিয়ে চোখের মনিকে ঘোরাবো তবে এই ব্যায়ামটি আমাদের খুবই ধীরে ধীরে ধৈর্যশীল সহকারে করতে হবে এটা প্রতিদিন তিন থেকে চার মিনিট করলেই দেখবেন দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটবে।

3. হাতের তালু আর চোখ

এই ব্যায়ামটি করার জন্য প্রথমে আমাদেরকে আমাদের হাতের তালু চোখে চাপ না দিয়ে চোখের উপরে রেখে দিতে হবে এটা করলে আমাদের চোখের স্ট্যান্ডস কমতে থাকে সেই সঙ্গে চোখের ক্লান্তিও দূর হবে।

4. চার নাম্বার ব্যায়ামটি করার জন্য আমাদেরকে প্রথমে চোখটি শক্ত করে বন্ধ করতে হবে তিন থেকে পাঁচ সেকেন্ডের জন্য আবার খুলতে হবে তিন থেকে পাঁচ সেকেন্ডের জন্য এভাবে ৭-৮ বার করলে আমাদের চোখের আশেপাশের মাংসপেশি তে এই ধরনের ব্যায়াম হয় এবং রক্ত চলাচল করতে সহায়তা হয় যা আমাদের চোখকে সতেজ রাখে।

5. দুই হাত সোজা করুন এবং পেন্সিলের সমান একটি লাঠি নিন সেই লাঠিটি আপনার নাকের সামনে বারবার ধীরে ধীরে নিয়ে আসুন আপনি  লাঠির দিকে ভালোভাবে তাকিয়ে থাকুন যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনার ফোকাস সেই লাঠির দিকে করতে পারছেন তারপর প্রকাশ করার পর আবার সরিয়ে নিবেন আবার ফোকাস করবেন একই নিয়মে এভাবে ১০ থেকে ১২ বার করতে পারেন তারপর চোখ বন্ধ করে কিছুক্ষণের জন্য বিশ্রাম নিবেন।

চোখের সমস্যা দূর করার উপায়

মোবাইল বা কম্পিউটার ও টিভির ক্ষতিকারক তেজস্ক্রিয় রশ্মি থেকে নিজের চোখকে ধরে রাখুন। কারন এই তেজস্ক্রিয় রশ্মি আমাদের চোখের জন্য ক্ষতিকারক।

ভিটামিন এ জাতীয় খাবার আমাদের খেতে হবে কারণ এটি চোখের জ্যোতি বাড়ায় দৃষ্টি বাড়ায় চোখের ঝাপসা দূর করে চোখকে দীর্ঘায়ু করে তোলে ভিটামিন এ জাতীয় খাবারগুলো হল, কাঁঠাল, কুমড়ো, কচু শাক, পুঁইশাক, মিষ্টি পেঁপে, লাউ শাক, পালন শাক, ধনিয়া পাতা, পাটের শাক, আলু,, ডিম, কলিজা, ছোট ছোট খরচা মাছ, ইত্যাদি খেতে হবে।

চোখে ঝাপসা দেখার কারণ অনেক লুকিয়ে রয়েছে যেমন শরীরে ডায়াবেটিস থাকলে অথবা চোখের সামনে পড়লেও মানুষ চোখে ঝাপসা দেখতে পাই এছাড়া গ্লুকোমারের কারণেও চোখে ঝাপসা শুরু হয়।

সব সময় আমাদের চোখকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে| যাতে আমাদের চোখে কোন প্রকার রোগ ভাইরাস হতে না পারে। মাছ মাসে অনেক প্রকারের উপাদান রয়েছে মাছে রয়েছে ফ্যাটি এসিডের মতো ভালো উপাদান ও মাগার থ্রি ফেটি অ্যাসিড রয়েছে যা দৃষ্টিশক্তিতে অত্যন্ত কার্যকর এটি আমাদের চোখের রেটিনা ভালো রাখতে ভূমিকা পালন করে এবং আমাদের বেশি করে ছোট মাছ খেতে হবে যা আমাদের চোখ শুষ্ক ও স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করবে আমাদের উচিত বড় মাছ বা ছোট মাছ ও সামুদ্রিক মাছ যেটাই হোক একটি হলেও আমাদের খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে।

ডালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ডালে থাকা প্রোটিন আমাদের চোখের রেটিনা কে সতেজ ও সংরক্ষণ করতে সহায়তা করে। এজন্য ডালকেও আমাদের খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে

কি খেলে চোখের দৃষ্টি বাড়ে 

আমাদের দেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হচ্ছে চোখ। বর্তমানে চোখের দৃষ্টি শক্তি কমে যাওয়া সাধারণত একটি সমস্যা বা রোগ, বয়স বেড়ে যাওয়া অপুষ্টি বা ইলেকট্রনিক্স জিনিসের ওপর চোখের বেশি নজর পড়া এর ফলে চোখের দৃষ্টি কমে যায় কিছু খাবার খেয়ে আমরা আমাদের চোখের দৃষ্টি শক্তি বাড়াতে পারে| তা আমরা এই আর্টিকেলের মাধ্যমে পড়ে জানাবো

>>ডিম খেয়ে চোখের দৃষ্টি বাড়াতে পারবো। কারণ চোখের জন্য ডিম অত্যন্ত উপকারী ডিমের অনেক উপাদান রয়েছে ডিম রয়েছে স্বাস্থ্যকর চর্বি খনিজ পদার্থ ভিটামিন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রোটিন জাতীয় পদার্থ যা চোখের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

>> বাদাম খেয়েও চোখের দৃষ্টি শক্তি বাড়াতে পারবো| বাদাম ও ভিজে ভিটামিন খনিজ পদার্থ ফ্যাটি অ্যাসিড এন্টিঅক্সিডেন্ট, ইত্যাদি রয়েছে দৃষ্টি বাড়াতে বাদাম ও বীজ অত্যন্ত উপকারী জন্য আমাদেরকে বাদাম ও চীনা বাদাম এবং কাঠবাদাম ও বীজ ইত্যাদি খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে

>> মাছ মাসে অনেক প্রকারের উপাদান রয়েছে মাছে রয়েছে ফ্যাটি এসিডের মতো ভালো উপাদান ও মাগার থ্রি ফেটি অ্যাসিড রয়েছে যা দৃষ্টিশক্তিতে অত্যন্ত কার্যকর এটি আমাদের চোখের রেটিনা ভালো রাখতে ভূমিকা পালন করে এবং আমাদের বেশি করে ছোট মাছ খেতে হবে যা আমাদের চোখ শুষ্ক ও স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করবে আমাদের উচিত বড় মাছ বা ছোট মাছ ও সামুদ্রিক মাছ যেটাই হোক একটি হলেও আমাদের খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে।

>> ডালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ডালে থাকা প্রোটিন আমাদের চোখের রেটিনা কে সতেজ ও সংরক্ষণ করতে সহায়তা করে| এজন্য ডালকেও আমাদের খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে

কোন ফল খেলে চোখের জ্যোতি বাড়ে   

আমাদের দেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হচ্ছে চোখ| বর্তমানে চোখের দৃষ্টি শক্তি কমে যাওয়া সাধারণত একটি সমস্যা বা রোগ, বয়স বেড়ে যাওয়া অপুষ্টি বা ইলেকট্রনিক্স জিনিসের ওপর চোখের বেশি নজর পড়া এর ফলে চোখের দৃষ্টি কমে যায় কিছু  খেয়ে আমরা আমাদের চোখের দৃষ্টি শক্তি বাড়াতে পারে। নিচে সেই সব ফলের নাম দেওয়া হলঃ
গাজর, পাকা পেঁপে পেয়ারা, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, টমেটো, ভুট্টা ইত্যাদি সকল ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম, লাইকপিন যা চোখের রেটিনাকে রক্ষা করে।

চোখের সমস্যা দূর করার উপায়ঃকিছু মন্তব্য

চোখের সমস্যা দূর করার উপায় গুলো জেনে আপনি আপনার চোখের সমস্যা দূর করতে পারবেন।চোখের সমস্যা দূর করার উপায় এবং চোখের জ্যোতি শক্তি বাড়ানো এমনকি আপনার চোখ কিভাবে ভালো থাকে এবং রাখতে পারবেন সকল বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করেছি ।আমাদের আর্টিকেল যদি আপনাদের খুবই ভালো লাগে তাহলে এটি ফলো বা লাইক করুন ।এবং যেকোনো তথ্য জানার জন্য আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইটে সকল প্রকার তথ্য দেওয়া রয়েছে। আপনার যে কোন সমস্যার সমাধান পেয়ে যেতে পারেন আমাদের এই ওয়েবসাইট থেকে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আরাবি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url