পা ফাটা দূর করার ঘরোয়া উপায় ৫টি - পা ফাটা থেকে মুক্তির উপায়

পা ফাটা দূর করার ঘরোয়া উপায় এবং পা ফাটা থেকে মুক্তির উপায় জানতে চান। যদি জানতে চান তাহলে আপনারা এই আর্টিকেল থেকেই পা ফাটা দূর করার ঘরোয়া উপায় ৫টি সম্পর্কে জেনে নিতে পারবেন। তাহলে চলুন দেরি না করে পা ফাটা দূর করার ঘরোয়া উপায় ৫টি জেনে নেই।
পা ফাটা দূর করার ঘরোয়া উপায় - পা ফাটা থেকে মুক্তির উপায়
পা ফাটা খুবই একটি খারাপ সমস্যা। যার জন্য আমরা যেখানে সেখানে মানুষজনের সামনে যেতে পারি না। এজন্য আমাদেরকে খুব দ্রুত ভালো করতে হবে। এজন্য আপনাদেরকে পা ফাটা দূর করার ঘরোয়া উপায় ৫টি  এবং পা ফাটা থেকে মুক্তির উপায় বিস্তারিতভাবে জানতে হবে।

পোস্ট সূচীপত্রঃ পা ফাটা দূর করার ঘরোয়া উপায় ৫টি - পা ফাটা থেকে মুক্তির উপায়

ভূমিকা | পা ফাটা দূর করার ঘরোয়া উপায় - পা ফাটা থেকে মুক্তির উপায়

প্রিয় বন্ধুরা, পা ফাটা একটি সাধারন সমস্যা যা কারো কারো শীতকালে হয়ে থাকে এবং কারো কারো সারা বছর এই পা ফাটা দেখা দেয়। তখন আপনারা সেটি ভালো করার জন্য নানান জায়গায় দৌড়ে বেড়ান এবং জীবিতদের পরামর্শ নেওয়ার পরে নানান ধরনের ওষুধ খান এবং সেটা কিছুদিনের জন্য ভালো হয় আবার ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দিলে তা আবার দেখা দেয়। আপনারা যদি আপনাদের পা ফাটা সমস্যাটি চিরতরে দূর করার জন্য আপনাদেরকে কিছু টিপস জানতে হবে এবং অনেক উপায় আছে যার দ্বারা আপনারা পা ফাটার সমস্যাটি ভালো করতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ দিনে কমপক্ষে কত ঘন্টা ঘুমানো উচিত

এজন্য আপনাদেরকে পা ফাটা দূর করার ঘরোয়া উপায় ৫টি এবং পা ফাটা থেকে মুক্তির উপায় গুলো জানতে হবে। আপনি যদি পা ফাটা দূর করার ঘরোয়া উপায় গুলো জানেন তাহলে আপনি ঘরে বসে থেকেই কিছু উপায় অবলম্বন করে আপনার পা ফাটা সমস্যাটি সমাধান করতে পারেন। এজন্য আপনাকে অবশ্যই পা ফাটা থেকে মুক্তির উপায় জানতে হবে। এ সম্পর্কে জানার জন্য আপনাকে আমাদের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে। 

গরমে পা ফাটা দূর করার উপায়

শীত আসলেই পা ফাটা শুরু হয়. এবং শীত থেকে শুরু হয় পা ফাটা। গরমে শরীর থেকে অনেক রকমের পানি বের হয়ে যায়। এবং গ্রীষ্মকালে ডিহাইড্রোসনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় তাই গরমে পা ফাটে। এবং গ্রীষ্মকালে বা গরমের সময় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং দূষণ বারে তাই গ্রীষ্মকালে পা ফাটার সমস্যা বেশি দেখা দেয়। তাই গরমে পা  ফাটে কেন তা দূর করার উপায় জানব।

গরমে আমাদের পা ফাটা দূর করা উপায় হচ্ছে মধু। কারণ মধু হলো একটি পা ভালো রাখার সহজ উপায় কারণ মধু একটি নরম জাতীয় জিনিস। নরম জিনিস আমাদের পায়ের গোড়ালিতে রাখলে পা কখনোই ফাটবে না। অল্প কিছু পানি সাথে মধু মিশিয়ে তাতে পা ডুবিয়ে রাখলে পা নরম হয় এটি করলে গরমে পা ফাটা কমবে। মধু পায়ের গোড়ালিকে নরম ও সুন্দর করে রাখে। গরমে আপনাদের পা ফাটলে আপনারা মধু কিছু পানিতে মিশিয়ে ১০ থেকে ২০ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখবেন তাহলে আপনাদের পা নরম হয়ে থাকবে এবং গরমেও পা ফাটবে না।

অ্যালোভেরা এ আপনাদের পাকে নরম করে রাখবে কারণ অ্যালোভেরা একটি নরম জাতীয় পদার্থ। গরমে পা ফাটলে অ্যালোভেরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । কারণ এলোভেরা আপনার পায়ের গোড়ালিকে  সুন্দর করে রাখবে এবং জেল হিসেবেও কাজ করবে। কারণ এলোভেরা তে আছে ভিটামিন সি, ও ভিটামিন বি ৩ এবং আরও অনেক কিছু যা আপনাদের পায়ের গোড়ালিকে নরম করবে। অ্যালোভেরা আপনাদের পায়ের গোড়ালির উষ্ণতা কমাবে। এবং এলোভেরা আপনাদের পায়ের ফাটল কমাতে সাহায্য করবে।

গরমে আপনাদের বেশি করে পানি পান করতে হবে কারণ পানি পান করলে আপনাদের পায়ের গোড়ালি নরম থাকবে। এবং পায়ের গোড়ালের নরম থাকলে আপনাদের পায়ের গোড়ালি শক্ত হবে না শক্ত হলেই গরমে পায়ের গোড়ালি ফাটার সম্ভাবনা বেশি থাকবে। তাই গরমে গোড়ালি ফাটা থেকে রক্ষা পেতে আপনাদের সব সময় বেশি করে পানি পান করতে হবে ।

হাত পা ফাটা দূর করার উপায়

শীতের শুরু থেকে আমাদের হাত পা ফাটার সমস্যা বেশি দেখা দেয় । কারণ শীতের শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে আমাদের অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগে তাই হাত পা ফাটা শুরু হয়। শীতে বেশি ধুলোবালি ঘাটলে বা ধুলোবালের প্রকোপে গেলে হাত-পা ফাটার সমস্যা দেখা দেয়। আমাদের শরীরে যদি কোন কিছুর অভাব থাকে যেমন আইরন ভিটামিন ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য আরো কিছু তাহলে হাত পা ফাটার সমস্যা বেশি দেখা যায়। তাই চলুন হাত পা ফাটার কয়েকটি উপায় জানি। 

শীতে আপনাদের হাত-পা ফাটলে হালকা গরম পানিতে এক চামচ মধুর সাথে পানি মিশিয়ে হাত পা কিছুক্ষণের জন্য তাতে রেখে দিন। হাত এবং পা নরম হওয়ার সাথে সাথে পানি থেকে বের করে নিয়ে তা নরম কিছু দিয়ে মুছে নিন।

আরো পড়ুনঃ করলা খাওয়ার উপকারিতা জানুন

শীতে আপনাদের ধুলোবালি থেকে দূরে থাকতে হবে কারণ ধুলোবালি হচ্ছে পা হাতের ক্ষতিকর দিক। শীতে আপনাদের পা সবসময় নরম রাখতে হবে যেন গোড়ালি শক্ত না হয় শক্ত হলে তা ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে। এবং নরম করতে আপনাদের জুতা পড়তে হবে। জুতা পড়লে আপনাদের পায়ে কোন ময়লা পড়বেন এবং পায়ের গোড়ালি শক্ত হবে না তাই আপনাদের জুতা পড়া উচিত।

হাত পা ফাটা থেকে রক্ষা পেতে আপনাদের প্রতিদিন হাতে পায়ে অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে হবে। যাতে সব সময় হাত-পা নরম হয়ে থাকে। আপনাদের হাতে পায়ে শীতে অলিভ অয়েল মাখলে হাত-পা নরম হয়ে থাকবে যাতে আপনাদের হাত-পা ফাটবে না। এবং আপনাদের শীতে হাত-পা ফাটা থেকে রক্ষা পেতে আপনাদের আপনাদের হাত পা সুন্দরভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে রাখতে হবে যেন তাতে ময়লা কিছু না লাগে।

হাত-পায়ে সুরক্ষা কারী হলো ভ্যাসলিন । ভ্যাসলিন ত্বকে নরম করে রাখে। তাই আপনাদের শীতের রাতে প্রতিদিন ঘুমানোর আগে হাতে পায়ে ভ্যাসলিন বা অন্য কিছু নরম জিনিস ব্যবহার করে দিতে হবে। আপনারা যদি প্রতিদিন হাতে পায়ে ভ্যাসলিন লাগান তাহলে আপনাদের আপনাদের হাত-পা নরম হয়ে থাকবে এবং ফাটার সম্ভাবনা কম থাকবে। আপনারা যদি প্রতিদিন লাগান তাহলে আপনারা অনেক সুরক্ষা পাবেন। কারণ ভেসলিন আপনাদের ত্বকে নরম করে রাখবে।

শীতে আপনাদের পা হাত ফাটলে সেই ফাটা স্থানে আপনারা বেশি করে পাকা কলা লাগাতে পারেন। কারণ পাকা কলা হাত পা নরম করে রাখে। পাকা কলা হাত পায়ের জন্য খুবই উপকারী। পাকা কলা আপনাদের হাত পা ফাটলে সপ্তাহে এক থেকে দুইবার ব্যবহার করুন। এবং পাকা কলা আপনাদের ত্বক ও নরম ও কোমল করে রাখবে।

পা ফাটা দূর করার ঘরোয়া উপায়

আমাদের পায়ের গোড়ালি হাঁটার সমস্যা সকল ছেলেমেয়েদের ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যায়। তবে এই পায়ের গোড়ালি ফাটা মেয়েদের ক্ষেত্রে বেশি লক্ষ্য করা যায়। শীত আসলে তো তাদের পায়ের দিকে তাকানো যায় না। এজন্য এটি একটা লজ্জার বিষয় মানুষজনের সামনে যেতে এবং বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াতের সময় নিজের পা ফাটা থাকবে খুবই খারাপ লাগে এবং লজ্জা লাগে। শীত ছাড়াও আমাদের পায়ের গোড়ালি যখন সূক্ষ্ম ও রুক্ষ এবং শক্ত হয়ে যায় এর ফলে আমাদের পা ফাটল ধরে।

এছাড়াও আমাদের নিজেদের দোষে পা এবং পায়ের গোড়ালি ফেটে যায়। যেমন আপনারা যদি ঠিকভাবে নোংরা পা পরিষ্কার না করেন তাহলে আপনাদের পা থাকতে পারে। এবং অনিয়মিতভাবে খাওয়া দাওয়া করলে এছাড়াও ভিটামিন ই এর অভাব ক্যালসিয়ামের অভাব এবং আপনার শরীরে যদি আয়রনের অভাব থেকে থাকে তাহলে এর ফলেও আপনার পা ফাটতে পারে। আপনার যদি এই সমস্যার কারণে পা ফেটে থাকে তাহলে পা ফাটা দূর করার ঘরোয়া উপায় রয়েছে সেগুলো ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনারা আপনাদের পা ফাটা ঠিক করতে পারবেন।

নারিকেলের তেল

প্রতিদিন গোসল করার পর ভালোভাবে পা পরিষ্কার করে নেবেন। পা পরিষ্কার করার পরে ভালোভাবে পায়ের পানি গুলো মুছে ফেলতে হবে। এবং তারপরে নারিকেলের তেল আপনার পায়ে ভালোভাবে মালিশ করতে হবে। প্রতিদিন আপনাকে এভাবে দিনে দুইবার নারিকেলের তেল পায়ে মালিশ করতে হবে। তাহলে দেখবেন কিছুদিনের মধ্যে আপনার পা ফাটাতেই ভালো হয়ে গেছে। এছাড়াও আপনি রাতে ঘুমানোর পরিমাণ মতো নারিকেলের তেল নিয়ে আপনার পায়ের ফাটা জায়গাগুলোতে লাগিয়ে দিবেন। এভাবে আপনি যদি কিছুদিন এই উপায়টি ব্যবহার করতে থাকেন তাহলে আল্লাহর রহমতে তা খুব শীঘ্রই ভালো হয়ে যাবে।

লেবুর রস

একটি গামলায় পা ডোবানোর মত পানি নিবেন এবং সেই প্রাণীটি গরম করার সময় পানিতে একটি শ্যাম্পু এবং লেবুর রস মিশিয়ে নেবেন। এরপরে ওই পানিতে ১৫ থেকে ২০ মিনিট আপনার ফাটা পায়ের অংশ পানিতে ডুবিয়ে রাখবেন। তারপরে কিছুক্ষণ পরে পায়ের ফাটা গোড়ালি অংশটা ভালোভাবে ঘষে নিবেন। এরপরে পুনরায় গরম পানিতে আপনার ফাটা পা ধুয়ে নিবেন এবং ভালোভাবে শুকনো গামছা অথবা তেনা দিয়ে পাটি মুছে নেবেন। এভাবে কিছুদিন এই উপায়টি ব্যবহার করবেন। তাহলে দেখবেন খুব শীঘ্রই আপনার পায়ের হাটা অংশটি ছেড়ে গেছে।

পেট্রোলিয়াম জেলি ও মেরিল

বিভিন্ন কারণে আমাদের পায়ের গোড়ালি ফেটে যায় এবং পায়ের ওপরের অংশ কেটে যায় এটি বেশিরভাগশিতে দেখা যায় এছাড়াও আমাদের ভিটামিনের অভাবেও এটি গরমেও দেখা দেয় অর্থাৎ সারা বছরই পা ফাটা দেখা দেয়। পা ফাটা দূর করার ঘরোয়া উপায় ৫টি এর ভেতরে থেকে একটি ভালো উপায়। আপনি বাড়িতে বসে থেকে পেট্রোলিয়াম জেলি এবং মেরিল আপনার পা ফাটা অংশে প্রতিদিন দিনে তিন থেকে চারবার ব্যবহার করলে আপনার পা ফাটা অংশটি খুব শীঘ্রই সেরে যাবে।

কিছুদিন যাবৎ পেট্রোলিয়াম জেলি আপনার পায়ের ফাটা অংশতে ব্যবহার করবেন। তবে এটি আপনাকে ব্যবহার করার সময় আপনার পায়ের ফাটা অংশটি আপনাকে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে তারপরে পার্টি মুছে পেট্রোলিয়াম জেলি আপনার পায়ে ব্যবহার করতে পারবেন। তাহলে দেখবেন খুব শীঘ্রই আপনার পায়ের ফাটা অংশটি ভালো হয়ে গেছে।

অ্যালোভেরা জেল

আমাদের পা ফাটে শীতের সুক্ষ মৌসুমের জন্য এছাড়া আমাদের শরীরের যত্নের অভাবে এছাড়া ভিটামিন এ অথবা ভিটামিন সি এর অভাবে। আর এই সকল উপাদান গুলো অ্যালোভেরা জেলে ভরপুর। এজন্য আমাদের পা ফাটা ভালো করতে এলোভেরা জেল খুবই কার্যকারী। আপনি অ্যালোভেরা জেল টি ব্যবহার করার আগে আপনার পাটি ভালোভাবে পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিয়ে মুছে নিবেন তারপরে এলোভেরা জেল লাগিয়ে দিবেন।

আরো পড়ুনঃ ওজন কমাতে টক দই এর উপকারিতা জানুন

তবে আপনি চাইলে এটা রাতে শোয়ার আগেও একই নিয়মে ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি পায়ের গোড়ালি সম্পূর্ণভাবে ভালো করতে চান তাহলে আপনাকে এই উপায়টি খুব ধৈর্য সহকারে কয়েকদিন ব্যবহার করে যেতে হবে। তাহলে আপনি এর ফল পাবেন। এলোভেরা জেল দিনে দুই থেকে তিনবার পায়ের ফাটা অংশে ব্যবহার করতে পারবেন।

অলিভ অয়েল

আমাদের পা শুক্র মৌসুমে এবং বেশি হাঁটাহাঁটি করার জন্য ফেটে যেতে পারে। এজন্য আমাদেরকে সব সময় আমাদের পায়ের গোড়ালিতে নরম ও নমনীয় কোমল রাখতে হবে এর জন্য আপনি অলিভ অয়েল তেল ব্যবহার করতে পারেন। দিনে কমপক্ষে তিন থেকে চারবার আধা ঘন্টা অথবা বিশ মিনিট যাবত অলিভ অয়েল তেল দিয়ে পায়ের ফাটা অংশটি মালিশ করতে হবে এবং সেই জায়গাটি সবসময় জন্য নরম করে রাখতে হবে তাহলে আপনার পায়ের ফাটা অংশটি ভালো হতে পারে। এছাড়াও আপনাকে পায়ের ফাটা অংশ ভালো করার জন্য বেশি হাঁটাহাঁটি করা যাবেনা। খালিপায়ে হাঁটাহাঁটি করা যাবে না। এছাড়াও খালি পায়ে শক্ত জায়গায় এবং শক্ত উঁচু-নিচু জায়গায় চলাফেরা করা যাবে না। সব তো জায়গায় চলাফেরা করার সময় আপনাকে অবশ্যই স্যান্ডেল বা জুতা ব্যবহার করতে হবে। এবং পায়ের গোড়ালিকে সবসময় নরম রাখতে হবে।

শীতে পা ফাটা দূর করার উপায়

আমাদের সকলেরই ছোট থেকে বড় সবার শীট আসতে না আসতেই পাথাটা শুরু হয়ে যায়। তবে এই ফাটাটি দীর্ঘায়ু নয়। শীতের সুক্ষ মৌসুমের জন্য আমাদের পায়ের গোড়ালি ফেটে যায়। তবে এটি ভালো করার জন্য অনেক উপায় রয়েছে তা হচ্ছে,

এক চামচ লেবুর রস এক চামচ গ্লিসারিন এবং এর সঙ্গে কিছু গরম পানি মিশিয়ে আপনার পায়ের ফাটা অংশে লাগিয়ে দিবেন। এটি আপনি বেশ কিছুক্ষণ দিন ধৈর্য সহকারে ব্যবহার করবেন তাহলে আপনি কয়েকদিনের মধ্যেই ফলাফল পেয়ে যাবেন।

এছাড়াও নারিকেল তেল ব্যবহার করে আপনারা আপনাদের পায়ের ফাটা খুব সহজে ভালো করতে পারেন। আপনার পায়ের ফাটা অংশে পাটি পরিষ্কার করার পরে নারিকেলের তেল দিনে দুবার থেকে তিনবার ব্যবহার করবেন। তাহলে আপনি কিছুদিন এভাবে ব্যবহার করার পরে ফলাফল পাবেন।

এছাড়াও আপনি চাইলে লোশন, গ্লিসারিন এবং পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করে আপনি আপনার পায়ের ফাটা অংশটি খুব সহজেই ভালো করতে পারেন। এগুলো আপনি গোসল করার পরে পা পরিষ্কার করে ব্যবহার করতে পারবেন এবং রাতে শোয়ার আগে পায়ের ফাটা অংশে ব্যবহার করতে পারবেন।

পা ফাটা থেকে মুক্তির উপায়

বর্তমানে এখন শুধু শীতেই নয় সারা বছর ফাটছে পা। এর জন্য আপনার চলাফেরা আপনার শরীরের প্রতি অবহেলা এবং আপনার চারপাশের আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণেই দেখা দেয় এই পা ফাটা যা বেশিরভাগ মেয়েদের দেখা যায়। আর এই কারণ বেশিরভাগ হয়ে থাকে খালি পায়ে অতিরিক্ত চলাফেরা করার জন্য এবং শক্ত জায়গায় এছাড়া উঁচু নিচু শক্ত জায়গায় চলাফেরা করার জন্য পায়ের গোড়ালি শক্ত হয়ে যায় তখন সুক্ষ মৌসুমে জন্য আমাদের পা ফাটা শুরু হয়।

  • পায়ের ফাটা অংশের আপনারা পেট্রোলিয়াম জেলি পায়ের ফাটা অংশে ব্যবহার করতে পারেন।
  • পায়ের ফাটা অংশে দিনে দুই থেকে তিনবার নারিকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন।
  • পায়ের ফাটা অংশে এলোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন।
  • পা পরিষ্কার রাখতে হবে।
  • অতিরিক্ত হাটা চলা করা যাবেনা।
  • নারিকেলের তেল ব্যবহার করতে পারবেন পায়ের ফাটা অংশে।
  • উঁচু নিচু শক্ত জায়গায় চলাফেরা করার সময় সেন্ডেল অথবা জুতা ব্যবহার করতে হবে।
  • পায়ের ফাটা অংশে পেঁয়াজের রস ও মধু একসঙ্গে মিশ্রিত করে ব্যবহার করতে পারবেন। এর ফলে খুব দ্রুত পায়ের ফাটা অংশ ভালো হয়ে যায়।

শেষ কথা | পা ফাটা দূর করার ঘরোয়া উপায় ৫টি - পা ফাটা থেকে মুক্তির উপায়

প্রিয় বন্ধুরা আপনারা নিশ্চয়ই এতক্ষণে বুঝতে পেরেছেন যে পা ফাটা দূর করার ঘরোয়া উপায় এবং পা ফাটা মুক্তির উপায় গুলো কি কি। এবং কিভাবে চললে আপনাদের পায়ের ফাটা অংশ খুব দ্রুত ভালো হবে এবং কি কারনে এবং কোন সময় বেশি পায়ের গোড়ালি ফাটে। এগুলো এখন থেকে আপনারা জেনে সতর্ক হতে পারবেন এবং আপনাদের পা ফাটা থেকে নিজেদেরকে বিরত রাখতে পারবেন। এবং যদি আপনাদের পা ফাটা থাকে তাহলে আপনারা পা ফাটা দূর করার ঘরোয়া উপায় ৫টি ব্যবহার করতে পারবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আরাবি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url