পিরিয়ড না হলে করনীয় কি - পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার লক্ষণ

প্রিয় পাঠক আপনি নিশ্চয়ই পিরিয়ড সম্পর্কে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন, তাহলে আপনাকে পিরিয়ড না হলে করনীয় কি সেগুলো জানতে হবে। আর যদি আপনি পিরিয়ড না হলে করনীয় কি না জেনে থাকেন তাহলে আমাদের পোস্টটি ভিজিট করুন। কেননা আমাদের পোস্টে প্রথমে আমরা আপনার পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার লক্ষণ গুলো নির্ণয় করব। এবং পিরিয়ড না হলে করনীয় কি এ সম্পর্কে বর্ণনা করব।

পিরিয়ড না হলে করনীয় কি
প্রিয় পাঠক আপনার নিশ্চয়ই খুবই চিন্তিত পিরিয়ড না হওয়ার কারণে, আর চিন্তার কোন কারণ নেই কেন আজ আমরা এই আর্টিকেলের মধ্যে আপনাদের সকল চিন্তা দূর করে দেব এজন্য আপনাদের প্রয়োজন আমাদের আর্টিকেলটি সম্পন্ন পড়তে হবে।

পোস্ট সূচিপত্রঃ পিরিয়ড না হলে করনীয় কি -  পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার লক্ষণ

পিরিয়ড না হলে করনীয় কি?;ভূমিকা

একজন মহিলা জীবনে পিরিয়ড একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। সন্তান হওয়ার জন্য পিরিয়ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তো যাদের সঠিক সময়ে পিরিয়ড হয়না তাদের তাদের পিরিয়ড না হলে করণীয় কি জানতে হবে এবং পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার লক্ষণগুলো আপনাকে নজরে রাখতে হবে। তো আমরা আজ আমাদের এই আর্টিকেলের মধ্যে আপনাদেরকে পিরিয়ড না হলে করণীয় কি সেই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। 

এছাড়াও আরো পিরিয়ড সম্পর্কে কিছু তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করেছি। যেমন দ্রুত মাসিক হওয়ার উপায়, এবং অবিবাহিত মেয়েদের মাসিক না হওয়ার কারণ নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

হঠাৎ পিরিয়ড বন্ধ হয়ে গেলে করনীয়

হঠাৎ পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার কারণ হচ্ছে, হরমোনের সমস্যা এবং শারীরিক অপুষ্টি ও ডিম্বাশয় এর ক্রটি। পিরিয়ড বন্ধ হয়ে গেলে সাধারণত কম প্রবাহ মেনোপজ এর লক্ষন। পিরিয়ড বন্ধ হয়ে গেলে করণীয় হচ্ছে, মাসিক বা পিরিয়ড বন্ধ হলে আপনি বাদামী বর্ণের পিল ঔষধ খেতে পারেন। এ ওষুধ খেয়েও যদি আপনার পিরিয়ড না হয় তাহলে আপনি খুব শীঘ্রই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন। এবং গর্ভে সন্তান এসেছে কিনা যদি এসে থাকে তাহলে সেই সন্তানটির জরায় ওর সঠিক স্থানে আছে কিনা তার দিকে নজর দিতে হবে

পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার লক্ষণ

আপনার যদি সময় মত বা তারিখ অনুযায়ী পিরিয়ড না হয় এর কারণে আপনার মানসিক ও শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। এই বিষয়গুলো মোটেও অবহেলা করলে চলবে না। যখনই আপনারা দেখবেন যে সময় মত পিরিয়ড হচ্ছে না , তখন দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এছাড়া আপনি কিভাবে পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার লক্ষণ গুলো বুঝবেন। নিচে তা উল্লেখ করা হলোঃ

  • পেট ব্যথা 
  • ভারী রক্তপাত
  • যৌনপথে জমাট বাধা রক্তের দলা বের হওয়া
  • পিরিয়ড চকলেট ৩৫ দিনেরও বেশি সময় যাবত না হওয়া
  • পেলভিক ব্যথা
  • পিঠে ব্যথা
  • মুখের অতিরিক্ত চুল
  • মাথা ব্যথা
  • চুল পড়া 
  • স্তনে সাদা স্রাব
  • বৃষ্টি পরিবর্তন হয়

অবিবাহিত মেয়েদের মাসিক বন্ধ হওয়ার কারণ

প্রত্যেকটি মেয়েদের মাসিকের ভিন্ন ভিন্ন চক্র রয়েছে। । কারো মাসের শুরুতে হয়, কারো মাসের মধ্যখানে হয়, আবার কারো মাসের শেষের দিকে হয়। সাধারণত পিরিয়ড অনিয়মিত ঘটে থাকে যখন পিরিয়ডের চক্র বিশ দিনের কম এবং 40 দিনের বেশি হয় এর ফলে ভিডিও চক্রের সময়কাল ঘন ঘন পরিবর্তন হয়। আপনারা হয়তো সবাই জানেন না যে সাধারণত ১৩ থেকে ৪৬ বয়স পর্যন্ত মেয়েদের ডিম্বাশয় তার কার্যক্ষমতা চালিয়ে যেতে পারে।

আরো পড়ুনঃ গেম খেলে টাকা ইনকামের উপায়

 প্রতি মাসে মেয়েদের ডিম্বানু গুলো পিরিয়ডের সময়কালে সৃষ্টি হতে থাকে। তখন যদি সেটা শুক্রাণুর স্পর্শ না পাই তখন সেটা রক্তস্রাবের ভেতর দিয়ে বেরিয়ে চলে আসে যাকে আমরা সাধারণভাবে পিরিয়ড বা মাসিক ও মেন্স বলে থাকে। হঠাৎ করে পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণ হচ্ছে তার শরীরে ডিম্বাণু সৃষ্টি হতে পারেনি এবং ব্যাঘাত হয়েছে। ডিম্বানুতে কোন জটিলতার সমস্যা সৃষ্টি করে না। শিখেছি আমরা বলতে পারি মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য আরও কিছু কারণ রয়েছে,

যেমন; নেশা জাতীয় জিনিস খাওয়া। কারণে সে জাতীয় জিনিস আমাদের শরীরে ডিম্বাণু সৃষ্টি করতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এর ফলেও অনিয়মিত মাসিক দেখা দেয়। এছাড়াও পেটে অতিরিক্ত চর্বি জমার কারণে মাসিক বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়াও পিরিয়ড বা মাসিক না হওয়ার আরও বেশ কিছু কারণ রয়েছে। আপনি যদি অতিরিক্ত চিন্তা করেন এবং আপনার অবজোরে মানসিক চাপ সৃষ্টি হয় তাহলে আপনার ডিম্বাণু তৈরিতে ব্যাঘাত ঘটবে।

যেগুলোর কারণে মাসিক বন্ধ হয় সেগুলো হচ্ছে;

  • মানসিক চাপ সৃষ্টি হওয়া
  • স্বাভাবিক মাত্রায় ঘুম না হওয়া
  • যৌন পথ শুকিয়ে যাওয়া
  • সারা শরীরে জ্বালাপোড়া করা
  • অতিরিক্ত লোম গজানো
  • অতিরিক্ত ঘামা
  • অন্যান্য সময় অতিরিক্ত ঘামা

সাধারণত এই সমস্যাগুলো দেখা দিলে অবিবাহিত মেয়েদের পিরিয়ড বা মাসিক বন্ধ হয়ে যায়।

দ্রুত মাসিক হওয়ার উপায়

আজকে আমরা আপনাদেরকে দ্রুত মাসিক হওয়ার জন্য এমন কয়েকটি প্রাকৃতিক উপায় বলবো যেগুলো ব্যবহার করে আপনারা খুব সহজেই দ্রুত মাসিক হওয়াতে পারবেন। তো চলুন দেরি না করে জেনে নেই, নিচে উল্লেখ করা হয়েছে;

পেঁপেঃ পেপে সঠিক সময়ে নিয়ম মোতাবেক মাসিক হওয়ার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এজন্য আমরা সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার পেপে বা পেঁপের তরকারি খেতে পারি।

আরো পড়ুনঃ ৫০০টাকায় ল্যাপটপ কিনতে বিস্তারিত জানুন

ধনেঃ মাসিকের জন্য খুবই কার্যকরী ও ঘরোয়া উপায়ের মধ্যে প্রথম উপায় হল ধনী বীজ। এদের রয়েছে অনেক বৈশিষ্ট্য যা খেলে আপনার দ্রুত মাসিক হতে খুবই উপকারে আসবে। এজন্য যখন আপনার সময় মত মাসিক হবে না তখন আপনি দুই কাপ গরম পানির সঙ্গে এক চামচ ধনী গুড়া মিশিয়ে সেবন করতে পারি। তাহলে দ্রুত মাসিক হতে আমাদের খুবই উপকার হবে

আদার চাঃ আজ আছে আপনার শরীরকে খুবই শক্তিশালী এবং আপনার শরীরের ঋতুস্রাব কে উৎসাহিত করে। জরায়ুকে সঠিকভাবে কার্যক্রম চালাতে আদা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এজন্য আমরা আদার চা এবং কাঁচা আদার সঙ্গে মধু মিশিয়ে সেবন করতে পারি। এর ফলে অনিয়মিত মাসিক কমে যায় এবং সঠিকভাবে পিরিয়ড চক্র শুরু হয়।

ভিটামিন সিঃ আমাদের শরীরের ভিটামিন সি এবং ভিটামিন সি জাতীয় খাবার গুলো সঠিক মাত্রায় মাসিকে প্রচলিত করতে পারে। এবং আপনার শরীরে জরায়ুর যদি কোন সমস্যা থাকে সমাধান করতে খুবই কার্যকরী এই ভিটামিন সি উপাদান। নিচে ভিটামিন সি জাতীয় খাবারের তালিকা গুলো দেওয়া হলোঃ

  • কুশারের গুড়
  • গাজর
  • সেদ্ধ হলুদ
  • খেজুর
  • কাজুবাদাম
  • আনারস
  • আঙ্গুর
  • কুমড়া
  • মাছ
  • দই

উপরের এই ভিটামিন সি জাতীয় খাবার গুলো আপনি যদি পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার সময় সঠিকভাবে সঠিক নিয়মে খেতে পারেন তাহলে খুব দ্রুত আপনার মাসিক হতে পারে।

পিরিয়ড না হলে করনীয় কি

এখন আমরা আলোচনা করব পিরিয়ড না হলে করণীয় কি। এখান থেকে আপনারা পিরিয়ড না হলে করণীয় গুলো কি কি এই সকল সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং ওপর থেকে আপনারা পিরিয়ড বা মাসিকের সম্পর্কে অনেক কিছুই জেনেছেন।মাসিক বা পিরিয়ড ড না হওয়ার ওপর ভিত্তি করে অ্যামোনিয়া চিকিৎসা প্রদান করা হয়। পিরিয়ড না হওয়ার সঠিক কারণ কি জানার জন্য বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা করার প্রয়োজন হয়।

পিরিয়ড না হলে করনীয় কি

পরীক্ষায় যদি আপনার হরমোনের সমস্যা দেখা দেয় তখন আপনাকে হরমোন সাপ্লিমেন্ট এর ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়। যদি খুবই জটিলতা হয়ে পড়ে তাহলে সার্জারি এর প্রয়োজন হতে পারে। এছাড়াও আপনি পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার প্রথম অবস্থায় আমাদের দেখানো কিছু নিয়ম বা উপায় ব্যবহার করে মাসিক বা পিরিয়ড হওয়াতে পারেন। সেই উপায়গুলো হচ্ছেঃ

আদার চাঃ আজ আছে আপনার শরীরকে খুবই শক্তিশালী এবং আপনার শরীরের ঋতুস্রাব কে উৎসাহিত করে। জরায়ুকে সঠিকভাবে কার্যক্রম চালাতে আদা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এজন্য আমরা আদার চা এবং কাঁচা আদার সঙ্গে মধু মিশিয়ে সেবন করতে পারি। এর ফলে অনিয়মিত মাসিক কমে যায় এবং সঠিকভাবে পিরিয়ড চক্র শুরু হয়।

ধনেঃ মাসিকের জন্য খুবই কার্যকরী ও ঘরোয়া উপায়ের মধ্যে প্রথম উপায় হল ধনী বীজ। এদের রয়েছে অনেক বৈশিষ্ট্য যা খেলে আপনার দ্রুত মাসিক হতে খুবই উপকারে আসবে। এজন্য যখন আপনার সময় মত মাসিক হবে না তখন আপনি দুই কাপ গরম পানির সঙ্গে এক চামচ ধনী গুড়া মিশিয়ে সেবন করতে পারি। তাহলে দ্রুত মাসিক হতে আমাদের খুবই উপকার হবে।

পেঁপেঃ পেপে সঠিক সময়ে নিয়ম মোতাবেক মাসিক হওয়ার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এজন্য আমরা সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার পেপে বা পেঁপের তরকারি খেতে পারি।

এলোভেরাঃ এলোভেরা জেল আপনার পিরিয়ড বা মাসিক নিয়ন্ত্রণ ও অতিরিক্ত মাসিক বন্ধ হওয়া প্রতিরোধ করে। এবং এলোভেরা আমাদের শরীরের হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে খুবই কার্যকারী। তবে আপনি মাসিক বা পিরিয়ডের সময় এলোভেরা ও এলোভেরার জেল ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ এটি তখন আপনার জরায়ুর সংকোচন বাড়িয়ে দিতে পারে।

ভিটামিন সিঃ আমাদের শরীরের ভিটামিন সি এবং ভিটামিন সি জাতীয় খাবার গুলো সঠিক মাত্রায় মাসিকে প্রচলিত করতে পারে। এবং আপনার শরীরে জরায়ুর যদি কোন সমস্যা থাকে সমাধান করতে খুবই কার্যকরী এই ভিটামিন সি উপাদান।

সহবাসের পর পিরিয়ড না হলে করণীয়

একজন মহিলা বিয়ের পর পিরিয়ড এবং সহবাস নিয়ে মনের মধ্যে খুবই চিন্তিত থাকে। কেউ দাম্পত্য জীবনে এখন সন্তান নিতে চান না, এর ফলে আপনারা সহবাসের পর মাসিক না হলে খুবই চিন্তিত থাকেন এবং আপনার মধ্যে একটি বড় চিন্তা বিরাজমান থাক। আমরা অনেকেই মনে করি যে সহবাসের পর যদি মাসিক বা পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যায় তাহলে সে প্রেগন্যান্ট হয়েছে তাই ভাবি। এটা সঠিকভাবে বলা যায় না।

আরো পড়ুনঃ সিজারের পর ইনফেকশন হলে করণীয় কি

কারণ একজন মেয়ের শরীরে অনেক কারণে ডিম্বাণ সৃষ্টিতে সমস্যা হয়। আর এই ডিম্বাণু যতক্ষণ না পর্যন্ত তৈরি হতে পারে ততক্ষণ পর্যন্ত পিরিয়ড হয় না। এজন্য সহবাসের পর সময়মতো মাসিক হয় না। এছাড়াও আপনি আপনার কোন জটিলতা সমস্যা থেকে থাকে তাহলে পরীক্ষা করে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে পারেন। এবং আপনার প্রেগনেন্সি কনফার্ম করতে হবে।

কারণ আমরা সকলেই জানি মেয়েদের শরীরে যখন ডিম্বাণু সৃষ্টি হয় এবং পুরুষের শরীর থেকে যখন শুক্রাণু তার ডিম্বাণুতে যায় তখন আর কোন পিরিয়ড বা মাসিক হয় না যতদিন না পর্যন্ত সন্তান জন্ম নেয়। আবার আমরা হয়তো কেউ জানিনা যে মেয়েদের শারীরিক সমস্যার কারণে এবং শরীর দুর্বলের কারণে অনেক সময় ডিম্বাণু সৃষ্টি হতে পারে না যার ফলে মাসিক হয় না এবং হলেও খুব দেরিতে এটা হয়ে থাকে যার ফলে আমরা ভেবে থাকি প্রেগন্যান্সি হয়েছে।

দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ

মাসিক বা পিরিয়ড একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যা মেয়েদের শরীরে প্রতিনিয়ত ঘটতে থাকে মাসিকে হতে কেন রক্তপাতের বিলম্ব ও মাসিকের অনুপস্থিতির কারণ গুলো হচ্ছে, হরমোন এর ভারসাম্যহীনতা,স্ট্রেস , ওজন ওঠানামা, মেনোপজ ও গর্ভাবস্থা ইত্যাদি এই সকল কিছু একজন মেয়ের দুই বা তার অধিক মাস সময় যাবত মাসিক না হওয়ার কারণ হতে পারে।

আরো পড়ুনঃ ডায়রিয়া হলে করণীয় কি

ওজন ওঠানামাঃ আপনার শরীরের ওজন যখন ওঠানামা করবে তখন আপনাকে বুঝতে হবে আপনার মাসিক চক্রকে প্রভাবিত করতে পারে। এরপরে তখন আপনাদের মাসিক হওয়ার সময়টা খুবই বেড়ে যায় যার ফলে সময় মত মাসিক হয় না।

হরমোন এর ভারসাম্যহীনতাঃ একটি মহিলার মাসিক চক্রকে নিয়ন্ত্রণ করতে হরমোনের খুবই প্রয়োজন হয় সেজন্য বলা যায় যে হরমোন মাসিক স্বপ্নকে নিয়ন্ত্রণ এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাধারণত আমাদের শরীরে দুটি হরমোন মাসিকের ঋতুর সাব নিয়ন্ত্রণ এবং চক্র কে নিয়ন্ত্রণ করে সেগুলো হল, ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরন ।

মেনোপজঃ মেনোপজ এমন একটি প্রক্রিয়া যা সাধারণত ৩৯ থেকে ৫০ বছরের ছন্দ দিকে ঘটে। মেনোপজ হলে শরীর থেকে আস্তে আস্তে মাসিকের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন গুলো তৈরি হওয়া বন্ধ হয়ে যায় যার ফলে পিরিয়ড স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

কিছু মন্তব্য-পিরিয়ড না হলে করনীয় কি

আপনারা নিশ্চয়ই এতক্ষণে বুঝতে পেরেছেন যে পিরিয়ড না হলে করনীয় কি এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য আপনাকে খুবই ধন্যবাদ। দেখা হবে পরবর্তী আর্টিকেলে।আমাদের আর্টিকেল যদি আপনাদের খুবই ভালো লাগে তাহলে এটি ফলো বা লাইক করুন ।এবং যেকোনো তথ্য জানার জন্য আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইটে সকল প্রকার তথ্য দেওয়া রয়েছে। আপনার যে কোন সমস্যার সমাধান পেয়ে যেতে পারেন আমাদের এই ওয়েবসাইট থেকে।

আরো পড়ুনঃ সিজারে পর খাবার তালিকা গুলো জানুন

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আরাবি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url