পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ইসলামিক উপায়

পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ইসলামিক উপায় সম্পর্কে আমরা আলোচনা করেছি যদি আপনারা পড়াশোনা ভালো হতে চান মনোযোগী হতে চান তাহলে আপনারা পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ইসলামিক উপায় ব্যবহার করে খুব দ্রুত পড়াশোনায় মনোযোগী হতে পারেন।

পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ইসলামিক উপায়
এছাড়াও আমরা এই আর্টিকেলে পড়ায় মন বসানোর পাঁচটি উপায় পড়াই মন বসে না কেন মন বসানোর দোয়া সকল কিছুই আমরা এই আর্টিকেলে আপনাদের সুবিধার্থে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি।

পোস্ট সূচিপত্রঃ পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ইসলামিক উপায়

পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ইসলামিক উপায়

পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ইসলামিক উপায় হচ্ছে, আমরা সকলেই জানি যে শিক্ষা হচ্ছে জাতির মেরুদন্ড ইসলামিক শিক্ষা বিধানের পাশাপাশি আমাদেরকে পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে হলে অবশ্যই পড়ালেখায় ভালো হতে হবে কারণ এই দুনিয়াতে ভালো কিছু করার জন্য পড়ালেখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম প্রত্যেকটি মানুষের জন্য সহজ আবার কিছু কিছু মানুষ আসে তাদের জন্য কঠিন। ইসলাম ভালো মানুষের জন্য সর্বদা সহজ সরল এবং খারাপ মানুষের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তাই আমরা মনে করি যে ইসলামিক উপায়ে মনে হয় পড়ালেখায় বাধা দেয় এবং এটি মনোযোগী হওয়ার কোন উপায় নেই আসলে এটি সত্য নয়।

ইসলামিক উপায় রয়েছে যে উপায় আপনি পড়াশোনা মনোযোগী হতে পারেন। পড়ালেখা আমাদের কাছে এমন একটি জ্ঞান যা দ্বারা আমাদের মস্তিষ্ক জ্ঞান বাড়াতে পারে এবং আমাদের জ্ঞানকে আরো বৃদ্ধি করতে পারি। আমরা সকলেই পড়ার আগে মনে করি যে এই পড়াটি কিভাবে মুখস্ত করব কিভাবে ধরে রাখবো এই চিন্তা ভাবনা আমাদের কাছে পড়াকে খুবই কঠিন করে দেয়। কোরআনে মহান আল্লাহতালা এরশাদ করেছেন আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে (সূরা ত্বাহা, আয়াত নাম্বার ১১৪)। 

আরো পড়ুনঃ মালদ্বীপ বাংলাদেশ কর্মী ভিসা নতুন প্রক্রিয়াকরণ ২০২৪

হে রাসুল আপনি মুখস্ত করার জন্য তাড়াহুড়া করবেন না বলুন আপনি হে আমার পালনকর্তা আমাকে আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন। এছাড়াও সূরা আলাক রয়েছে আপনি যদি প্রতিদিন পড়তে বসার আগে সূরা আলাক তিনবার পড়েন এবং নিজের শরীরে ফু দিবেন এর ফলে মহান আল্লাহতালার অশেষ রহমত আপনার উপরে বর্ষিত হবে এবং আপনি আপনার পড়াশোনায় মনোযোগী হতে পারবেন। কেননা সূরা আলাক পড়লে সূরা আলাকে রয়েছে নিজের সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে জ্ঞান বৃদ্ধি করার দোয়া।

পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার দোয়াঃ

سُبْحَانَكَ لَا عِلْمَ لَنَا إِلَّا مَا عَلَّمْتَنَا، إِنَّكَ أَنتَ الْعَلِيمُ الْحَكِيمُ

সুবহানাকা লা ইলমা লানা ইল্লা মা আল্লামতানা, ইন্নাকা আনতাল আলিমুল হাকিম।

এর অর্থ হচ্ছে হে আল্লাহ আপনি আমাকে জ্ঞান দান করুন কেননা আমি কিছুই জানিনা তবে আমি শিখতে চাই আপনার পবিত্র রহমত দান করুন এবং কেননা নিশ্চয়ই আপনি হেকমত ওয়ালা।

এ ছাড়াও আরো পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ইসলামিক উপায় গুলো হচ্ছেঃ

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়াঃ আপনারা হয়তো ভাবছেন যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়লে কিভাবে আমরা পড়াশোনায় মনোযোগী হব। আসুন সেটা আপনাদেরকে ভালোভাবে বুঝিয়ে দিয়ে এবং আপনারা সেটি ভালোভাবে জেনে নিন। যে ব্যক্তি দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে সে ব্যক্তি সব সময়ের জন্য সুস্থতা বোধ করে এবং তার ভিতরের মানসিকতা সুস্থ সবল থাকে সকল কাজে মন বসে এমনকি পড়ালেখায় অনেক বেশি মনোযোগী হওয়া যায়। এর কারণ হচ্ছে আমরা যখন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি তখন আমাদের উপর থেকে হিংসা অহংকার এবং আমাদের খারাপ অভ্যাস আল্লাহর রহমতে ত্যাগ করি।

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়লে খারাপ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া ছেড়ে দিতে হবে। আর খারাপ বন্ধুদের সঙ্গে ত্যাগ করার ফলে আপনি আস্তে আস্তে একজন ভালো মানুষে পরিণত হবেন তখন আপনি নিজের ভালো নিজেই বুঝতে পারবেন কি করলে আপনার ভালো হবে তখন সর্বদা আপনি। আপনার কাজের প্রতি মনোযোগী হতে পারবেন। তখন আপনি খুব সহজেই আপনার পড়ার প্রতি মন বসাতে পারবেন।

ফজরের নামাজ পড়ে সূরা আলাক তিনবার পড়ে পড়তে বসাঃ আপনি যদি পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ইসলামিক উপায় ব্যবহার করতে চান তাহলে আপনি অবশ্যই এই উপায়টি ব্যবহার করবেন। কেননা এটি খুবই একটি ভালো উপায়। আপনি যখন ফজরের নামাজ পড়তে উঠবেন তখন আপনার শরীর এবং মন এবং আপনার মাথার মস্তিষ্ক এগুলো সবই সুস্থ ও পরিষ্কার ফ্রেশ থাকবে। আর ফজরের নামাজ শেষে আপনি যখন আপনার সৃষ্টিকর্তার কাছে সূরা আলাক পাঠ করবেন তখন আপনার সৃষ্টিকর্তা আপনাকে অবশ্যই আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি করবে এবং আপনাকে পড়াশোনায় আপনার কাজে মনোযোগী হওয়ার জন্য রহমত দান করবে।

আর ভোররাতে পড়তে বসলে আপনাদের মাথা ঠান্ডা থাকে তখন আপনাদের পড়াটি আপনাদের মাথায় ভালোভাবে ঢুকে যায় এবং সেটি দীর্ঘ সময় ধরে মনে থাকে। এছাড়াও পড়াশোনা করতে হলে সবার আগে প্রয়োজন একটি নিরিবিলি জায়গা। আর ভোররাতে পড়তে বসলে অবশ্যই আপনি একটি নিরিবিলি পরিবেশ পাবেন এবং মহান আল্লাহর রহমতে আপনার জ্ঞান ও পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য বর্ষিত করবেন।

বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া এবং অতিরিক্ত টেলিভিশন দেখা ত্যাগ করতে হবেঃ আমরা যখন বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে থাকি তখন আমাদের কোন কথা খেয়াল থাকে না কোন কিছুই ভালো লাগে না তখন শুধু মনে হয় যে বন্ধুর সঙ্গে আড্ডা হইহুলা করে যায়। এবং আমরা যখন টেলিভিশনে কোন সিনেমা অথবা পছন্দের কিছু দেখতে থাকি তখনও আমাদের ঠিক একই অবস্থা হয় কোন কিছু কাজকাম পড়াশোনা করতে ভালো লাগে না পড়াশোনায় মনোযোগ বসেনা তখন ওই টেলিভিশনের প্রতি আমাদের আকর্ষণ হয়ে যায়। তাই আমাদেরকে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য অবশ্যই টেলিভিশন এবং বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া ত্যাগ করতে হবে।

সারাদিন পড়ার উপায়

সারাদিন পড়ার উপায় জানতে চাচ্ছেন তাহলে চলুন জেনে নিন। আসলে আপনি যেটা ভাবছেন যে আপনি সারাদিন ধরে পড়বেন সেই জন্য কিছু উপায় অবলম্বন করতে চাচ্ছেন পৃথিবীতে এমন কোন বিজ্ঞানী বা মহাপুরুষ মহাজ্ঞানী লোক নেই যারা সারাদিন যাবত পড়েছে। এবং তারা সারাদিন যাবত পড়ার কোন টোটকা বা উপায় বের করেছে। সারাদিন যাবত আপনি যদি পড়েন তাহলে আপনার মস্তিষ্কে কিছুই ঢুকবে না সকালে কমপক্ষে আপনাকে তিন ঘন্টার মত পড়তে হবে। এবং বাকি সময়টা রেস্ট নিতে হবে খেলাধুলা করতে হবে নিজেকে বিনোদনের মাধ্যমে কাটাতে হবে তাহলে আপনার মস্তিষ্ক ভালো থাকবে সুস্থ থাকবে এবং পড়ার প্রতি আগ্রহী থাকবে তখন আপনি খুব সহজে পরামর্শ করতে পারবেন।

তাই সারা দিন যাবত আপনার কোন পড়ার দরকার নেই এবং কোন বিজ্ঞানী বাজ্ঞানী লোক সারাদিন যাবত পড়েনি। কেননা সারাদিন যাওয়ার পরলে আপনার মাথার ব্রেনে অতিরিক্ত চাপ পড়বে এর ফলে আপনার কোন পড়া মনে থাকবে না শুধু আপনার পড়াই হবে। তাই একটি রুটিন তৈরি করুন এবং সেই রুটিন অনুযায়ী নিজের মস্তিষ্কে অল্প সময়ে সঠিক পড়া আপনার মাথায় ঢুকাতে পারবেন।

পড়াশোনায় মন বসানোর পাঁচটি উপায়

পড়াশোনায় মন বসানোর পাঁচটি উপায় আজকে আমরা আলোচনা করতে চলেছি। এই পাঁচটি উপায় জেনে আপনারা পড়াশোনা খুব সহজে মন বসাতে পারবেন। অবশ্যই আপনাকে পড়াশোনায় মন বসানোর জন্য কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। পড়াশোনায় মন বসানোর পাঁচটি উপায় হচ্ছেঃ

পড়াশোনার প্রতি লক্ষ্য স্থির করুন

পড়াশোনায় মন বসানোর জন্য আপনাকে অবশ্যই একটি লক্ষ্য স্থির করতে হবে যে আপনি পড়াশোনা করে কি করতে চান এবং পড়াশোনায় কতটা নিজেকে দক্ষ করতে চান। আপনি যখন পড়াশোনা করে ভবিষ্যতে কিছু করতে চান তাহলে আপনার সেটি একটি লক্ষ্য হবে। আপনি যদি সেই লক্ষ্য স্থির করেন তাহলে আপনি আপনার সেই লক্ষ্যের কথা মনে করুন বারেবার তাহলে দেখবেন আপনি ঠিক পড়ায় মন বসাতে পারছেন এবং নিজেকে সেই লক্ষ্যের কাছে পৌঁছে যেতে পারবেন।

খারাপ অভ্যাস ও খারাপ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া ত্যাগ করুন

জীবনের সবকিছু কেড়ে নিতে পারে আপনার খারাপ অভ্যাস এবং খারাপ সঙ্গ। কেননা সঙ্গ দোষে লৌহ ভাসে। তাই আপনাকে অবশ্যই জীবনে কিছু করতে হলে পড়াশোনা করতে হবে এবং এই পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হলে আপনাকে অবশ্যই আপনার খারাপ অভ্যাস এবং খারাপ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া বন্ধ করতে হবে। আপনি যখন বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেবেন তখন আপনার কোন দিকে খেয়াল থাকবে না তখন শুধু মনে হবে আপনি আপনার বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় দিয়ে যান।

আপনি একটু ভেবে দেখেন এই খারাপ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে আপনার কতটা ক্ষতি হচ্ছে আপনি যদি এই সময়টা আপনার শরীরচর্চা এবং আপনার উপকারে কাজে সময়টা ব্যয় করতেন তাহলে আপনার শরীরটা কত ভালো থাকতো এবং মনটা কত ভালো থাকতো। এবং এর ফলে আপনার পড়ায় মন বসবে। খারাপ বন্ধুদের সঙ্গে চলাফেরা করলে পড়াশোনায় মন বসে না শুধু তাদের সঙ্গে ঘোরাফেরা করতে মন চায়। তাই আপনাকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য খারাপ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া বন্ধ করতে হবে।

পড়ার রুটিন তৈরি করতে হবে

ভালো ছাত্র হওয়ার জন্য পড়ার রুটিন তৈরি করা দরকার ঠিক সেরকম পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য পড়ার রুটিন তৈরি করা দরকার। কেননা আপনি যদি সারা দিন বা সারা সময় পড়েন তাহলে কোন সময় আপনার পড়াতে মনোযোগ বসবে না। আর পড়াও মনে করতে পারবেন না এবং দীর্ঘ সময় ধরে রাখতেও পারবেন না। তাই অবশ্যই আপনাকে রুটিন তৈরি করতে হবে ধরুন আপনি দুই ঘন্টা পড়লেন এবং এক ঘন্টা খেলাধুলা শরীরচর্চা এবং পছন্দের কাজ কাম করলেন। তারপরে আবার কিছুক্ষণ পর পড়তে বসলেন তাহলে আপনি পড়ালেখায় খুব দ্রুত মন বসাতে পারবেন।

পড়াশোনার পাশাপাশি শরীর চর্চা ও ব্যায়াম করুন

পড়াশোনায় মন বসানোর এটি একটি খুবই ভালো মাধ্যম। আপনি যখন শরীর চর্চা করবেন ব্যায়াম করবেন তখন আপনার শরীরটি খুবই পাতলা ও সুস্থতা ফিল করবে। এরফলে আপনার পড়ালেখায় দ্রুত মন বসবে এবং আপনি পড়ালেখায় মনোযোগী হতে পারবেন। কেননা শরীরচর্চা ও ব্যায়াম করলে আমাদের শরীরটা প্রাউড ফিল হয় তখন আমাদের মনটা অনেক সুন্দর ও ফ্রেশ থাকে এর ফলে আমাদের সকল কাজে খুব দ্রুত মন বসে। তাই আপনি যদি পড়ালেখায় মন বসাতে চান তাহলে আপনাকে দৈনিক দৌড়াদৌড়ি অর্থাৎ শরীরচর্চা ও ব্যায়াম।

পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে ও সুস্থ থাকতে হবে

পড়াশোনায় মন বসানোর জন্য অবশ্যই আপনাকে সুস্থ থাকতে হবে এবং পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। কেননা পুষ্টির অভাবে অনেক মানুষ নানান ধরনের রোগ বালা এর সম্মুখীন হয়। আপনি যদি পড়ালেখায় মনোযোগী হতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে এবং আপনার শরীরকে সুস্থ থাকতে হবে। কেননা আমাদের শরীর যখন খারাপ থাকে তখন আমাদের কোন কাজের মনোযোগ বসেনা সকল কাজে সকল জায়গায় আমাদের অশান্তি অনুভব হয়। আর যখন আমাদের শরীরটা সুস্থ থাকে মনটা ফ্রেশ থাকে তখন আমাদের সকল কাজকর্মে মন বসে এমনকি পড়াশোনায় খুব ভালো মন বসে এবং আমরা পড়ালেখায় মনোযোগী হতে পারব।

অতিরিক্ত টেলিভিশন দেখা এবং রাত জাগা ত্যাগ করুন

অতিরিক্ত টেলিভিশন দেখলে আপনি কখনোই পড়ালেখায় মন বসাতে পারবেন না কেননা আপনি যখন অতিরিক্ত টেলিভিশন দেখবেন তখন আপনি টেলিভিশনের প্রতি উৎকৃষ্ট হয়ে পড়বেন। তখন আপনি যতই চেষ্টা করুন না কেন আপনি টেলিভিশনের উপর থেকে আপনার মন খুব সহজেই তুলতে পারবেন না এর ফলে আপনি কখনোই পড়ালেখায় আপনার মন বসাতে পারবেন না। এবং রাত জাগা রাত জাগা একটি খুবই খারাপ অভ্যাস। রাত জাগলে আপনার শরীরটা খুবই দুর্বল হয়ে যায় খারাপ হয়। এবং আপনার মাথার মস্তিষ্কে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে রাত জাগার করে তখন আপনার মস্তিষ্কে কোন পড়া ঢুকে না।

যার ফলে আপনি পড়া মুখস্ত করতে পারেন না প্রতিদিন স্কুলে কলেজে অপমানিত হন এর ফলে আপনার পড়ালেখার উপর থেকে মন উঠে যায়। তাই আপনাকে এই সকল কার্যক্রম থেকে দূর হওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই অতিরিক্ত টেলিভিশন দেখা থেকে এবং রাত জাগা ত্যাগ করতে হবে। তাহলে আপনি পড়াশোনায় মন বসাতে পারবেন।

মনোযোগ বৃদ্ধির মেডিটেশন | পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ইসলামিক উপায়

মনোযোগ বৃদ্ধির মোটিভেশন গুলো আজকে আমরা নিচে সংক্ষেপে আলোচনা করব যা থেকে আপনারা আপনাদের মোটিভেশন বৃদ্ধি করতে পারবেন যদি এই উপায়গুলো মানেন। সকল কাজে মনোযোগ বৃদ্ধির মোটিভেশন বা উপায় হচ্ছেঃ

  • যদি আপনি রাত জেগে থাকেন তাহলে সেই রাত জাগা ত্যাগ করতে হবে।
  • শরীরকে পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম ও ঘুম দিতে হবে।
  • অতিরিক্ত টেলিভিশন দেখা বন্ধ করতে হবে।
  • বন্ধুদের সঙ্গে অতিরিক্ত আড্ডা এবং খারাপ বন্ধুদের সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে।
  • প্রতিদিন শরীর চর্চা ও ব্যায়াম করতে হবে এর ফলে শরীর সুস্থ থাকবে সকল কাজে মনোযোগ বসবে।
  • দীর্ঘ সময় যাবত অতিরিক্ত পেশার বা শারীরিক পরিশ্রম থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • সকল কাজে মনোযোগী হওয়ার জন্য আপনাকে কাজের মাঝে মধ্যে বিরতি নিতে হবে।
  • যদি পড়াশোনায় মনোযোগী হতে চান বা মনকে ভালো রাখতে চান ও সকল কাজে মনোযোগ বৃদ্ধি করতে চান তাহলে মাঝেমধ্যে কোথাও বেড়াতে যান পরিবেশের আবহাওয়া অনুভব করুন।
  • শরীরকে সুস্থ রাখুন এবং পুষ্টিকর ও ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খান।
  • সকল কাজকর্মে মনোযোগ বৃদ্ধি করার জন্য সময়ের কাজ সময় করুন কাজকে কখনো বাঁধিয়ে রাখবেন না।

পড়ায় মন বসে না কেন

পড়ায় মন বসে না কেন এটি আপনারা সকলেই জানেন কিন্তু আপনারা অনুভব করেন না এবং নিজেরা চিন্তাভাবনা করে দেখেন না তাই হয়তো আপনারা সেটি বুঝতে পারেন না। পড়াশোনায় মন না বসার প্রধান কারণ হচ্ছে বন্ধুর সঙ্গে অতিরিক্ত আড্ডা দেওয়া এবং খারাপ বন্ধুদের সঙ্গে সঙ্গ দেওয়ার জন্য। তাই আমাদেরকে অবশ্যই পড়ায় মন বসাতে হলে এই খারাপ অভ্যাস গুলো ট্যাগ করতে হবে। কেননা যখন আমরা বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে অতিরিক্ত আড্ডা দেই তখন আমাদের মন সেই কাজে আকৃষ্ট হয়ে পড়ে তখন আমাদের কোন ভাবে পড়তে মন চায় না।

এছাড়াও যখন আমাদের শরীল সুস্থ থাকে না তখন আমাদের কোন কাজে মন বসে না এমনকি পড়াশোনাও করতে ইচ্ছা হয় না কেননা শরীর দুর্বল অনুভব হয় শরীর ম্যাজ ম্যাজ করে শুধু আমাদের শুয়ে থাকতে বিশ্রাম নিতে ইচ্ছে করে এজন্য আমাদেরকে শরীর সবসময় সুস্থ রাখতে হবে যদি আমরা পড়ায় মন বসাতে চাই। এর পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। অতিরিক্ত টেলিভিশন দেখার কারণে ও আমাদের পড়ায় মন বসে না। যখন আমরা অতিরিক্ত টেলিভিশন দেখি তখন আমাদের মনটা শুধু টেলিভিশনের উপরেই আকৃষ্ট হয়ে পড়ে অর্থাৎ আমরা টেলিভিশনের উপর পাগল হয়ে পড়ি তাই আমরা কখনোই চিন্তা করে দেখি না যে অতিরিক্ত টেলিভিশন দেখার ফলে আমাদের পড়ার কতটা ক্ষতি হয় আমাদের কাজের কতটা ক্ষতি হয়।

আরো পড়ুনঃ সৌদি আরব জব ভিসা ২০২৪ সম্পর্কে জানুন

পড়াই মন না বসার আরেকটি কারণ হচ্ছে সেটি সময়ের পড়া সময়ে না করায় যখন আমরা সময় পড়া সময় করি না সময়ের হোমওয়ার্ক সময় করি না তখন সেই পড়াটি অতিরিক্ত হয়ে যায় তখন আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি হয় এর ফলে আমাদের পড়ায় মন বসে না। অতিরিক্ত সময় ধরে পড়তে থাকলে পড়াতে মন বসে না। এজন্য মাঝে মধ্যে পড়ার ফাঁকে ফাঁকে কিছু সময় বিরতি নিতে হবে। পড়ার সময় বিরক্ত বোধ হবেন না তাহলে পড়া করে মন বসবে না পড়াকে ইনজয় করে পড়ুন মজা করে পড়ুন। তাহলে দেখবেন পড়ার উপরে আপনার মন খুব সহজে বসছে।

পড়ায় মন বসানোর দোয়া

পড়ায় মন বসানোর দোয়া আপনাদেরকে বলব তার আগে আপনাদেরকে জানাবো যে কোন কোন সূরা পড়লে আপনারা পড়ায় মন বসাতে পারবেন। আপনার যদি সূরা আলাক প্রতিদিন পড়ার আগে তিনবার পাঠ করেন এবং মহান আল্লাহর নামে পড়েন তাহলে আপনাদের পড়ায় মন বসবে এবং খুব দ্রুত পড়ার জ্ঞান লাভ করতে পারবেন। কেননা সুরা আলাকের সম্পূর্ণ মহান আল্লাহর নামে পড়ার কথা বলা হয়েছে সকল জ্ঞানের হেকমতওয়ালা হচ্ছে আল্লাহ। তাই করার আগে আপনি সূরা আলাক পাঠ করলে আল্লাহর রহমতে আপনার পড়াতে খুব দ্রুত মন খুজবে।

এছাড়াও পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য আরেকটি দোয়া হচ্ছেঃ 

বাংলাঃ সুবহানাকা লা ইলমা লানা ইল্লা মা আল্লামতানা, ইন্নাকা আনতাল আলিমুল হাকিম। 

তাড়াতাড়ি পড়া মুখস্ত করার দোয়া

তাড়াতাড়ি পড়া মুখস্ত করার দোয়া সম্পর্কে জানতে চান চলুন সে বিষয়ে আলোচনা করা যাক। মহান রব্বুল আলামীন কুরআনে অনেক বিষয়ে আলোচনা করেছেন মানবজাতির পথকে সুন্দর ও শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বাঁচার জন্য নানান ধরনের বিষয়ে বলেছেন। এর পাশাপাশি তিনি আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ কে একটি দোয়া শিখিয়েছেন যে দোয়াটি পড়লে পড়ার পরে মনোযোগী হওয়া যায় আগ্রহী হয়ে যায় কিন্তু কখনো আল্লাহতালা এরশাদ করেননি যে তাড়াতাড়ি পড়া মুখস্ত করার দোয়া কোন নবীদের বর্ণিত করেছেন। তাই আমরা অযথা এই সকল কথা বাত্রা ও চিন্তাভাবনা থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করব।

তাড়াতাড়ি পড়া মুখস্ত করার দোয়া
আপনি যদি পড়া মুখস্ত করতে চান তাড়াতাড়ি সে ক্ষেত্রে আপনাকে পড়াটাকে বিরক্তবোধ মনে করা যাবে না সেই পড়াকে আনন্দের সঙ্গে বলতে হবে পড়ার তাকে ইনজয় করে পড়তে হবে। আমাদের ভেতরে অনেকেই রয়েছে যারা পড়া মুখস্ত করার জন্য শুধু পড়ে যান পড়েই জানে কিন্তু সেই পড়াটাকে কখনো বোঝার চেষ্টা করেননি যে ওই জায়গায় কি সম্পর্কে বোঝানো হয়েছে মনোযোগ দিয়ে বোঝেননি। সেই জন্য আপনারা সেই বিষয়টি তাড়াতাড়ি মুখস্থ করতে পারেন না। তাড়াতাড়ি মুখস্থ করার জন্য সর্বদা মহান আল্লাহতালার মহান সৃষ্টিকর্তার নাম নিয়ে পড়া শুরু করুন। তারপরে সেই পড়াটিকে মনোযোগ সহ বুঝুন এবং পড়ুন। তাহলে দেখবেন আপনি খুব তাড়াতাড়ি পড়া মুখস্ত করতে পারছেন।

পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখার উপায়

পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখার কিছু উপায় রয়েছে যা আমরা বিস্তারিতভাবে উপরে আলোচনা করেছি। আপনার যদি সে সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জানতে চান তাহলে আমাদের আর্টিকেলের উপরের অংশ মনোযোগ সহকারে পড়ুন। এটা ছাড়া আমরা এখানে সংক্ষেপে আরো কিছু উপায় বলবো যা থেকে আপনারা পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখার উপায় জানতে পারবেন। উপায়গুলো হচ্ছেঃ

  • পড়াশোনা করার সময় অন্য কথাবার্তা অর্থাৎ আজেবাজে চিন্তাভাবনা করবেন না।
  • অতিরিক্ত বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেবেন না।
  • খারাপ সঙ্গ ত্যাগ করবেন।
  • মোবাইল থেকে দূরে থাকুন এবং মোবাইলে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া থেকে দূরে থাকুন।
  • মোবাইল গেমের ওপর আকৃষ্ট হয়ে পড়বেন না। কারণ এগুলো মানুষের মাথায় সব সময় চিন্তা ভাবনায় থাকে এবং মানুষের মস্তিষ্ককে এগুলো ওয়াশ করে ফেলে যার ফলে কিছু ধরে রাখা মুশকিল হয়ে পড়ে।
  • পড়াশোনা শেষ করে আপনার চারপাশ ঘুরেফিরে দেখবেন কিন্তু পড়াশোনা করার পরে টেলিভিশন থেকে দূরে থাকবেন।
  • এছাড়াও অতিরিক্ত টেলিভিশন দেখা থেকে বিরত রাখুন নিজেকে।
  • নিজের লক্ষ্যকে স্থির করুন এবং নির্বাচন করুন।
  • আপনি যদি আপনার পড়াটির মাথায় রাখতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে পড়াতে বুঝে বুঝে পড়তে হবে। শুধু পড়লে হবে না সে পড়াটি মনোযোগ দিয়ে কি বোঝাতে চেয়েছে সেই পড়াটিতে সেগুলো বুঝে বুঝে পড়তে হবে।
  • পড়ার সময় আপনার চারপাশটি নিরিবিলি করে নেবেন। কেননা হইচই এর মধ্যে যে পড়াটি আপনি মুখস্ত করবেন সেটি কিছুক্ষণের জন্য আপনার মাথায় থাকবে তারপরে এটি কিছুক্ষণ পর অটোমেটিকলি আপনি ভুলে যাবেন।
  • আর যদি নিরিবিলি জায়গায় পড়েন আপনি অনেক দিন যাবত আপনার মাথায় ধরে রাখতে পারবেন।
  • আপনি অনেকক্ষণ যাবৎ করবেন না করার মাঝে মধ্যে বিরতি নিবেন না হলে সেই পড়াটি আপনি মাথায় ধরে রাখতে পারবেন না। কেননা তখন আপনার মাথায় একটি চাপ সৃষ্টি হয় যখন আপনি অতিরিক্ত করতে থাকেন। আর আপনি যখন পড়ার মাঝে মধ্যে বিরতি নেন তখন আপনার চাপ সৃষ্টি করতে পারেনা এবং মাথাটি ঠান্ডা হয়ে যায় এর ফলে সেই পড়াটি অনেকক্ষণ যাবৎ ধরে রাখতে পারে।
  • কেননা ঠান্ডা মাথায় যে জিনিসটি আমরা চিন্তাভাবনা করি এবং মুখস্ত করি সেটি অনেকক্ষণ যাবৎ আমরা ধরে রাখতে পারি আমাদের স্মৃতিতে।
  • নিজেকে উৎসাহিত করুন পড়তে এবং নিজে নিজেকেই পুরস্কৃত করুন।

পড়াশোনায় ভালো করার উপায়

পড়াশোনায় ভালো করার উপায় গুলো হচ্ছে, আমরা অনেকেই রয়েছি যারা পড়াশোনায় দুর্বল সবসময় ভাবি যে কিভাবে পড়াশোনায় ভালো করা যায়। কিন্তু আমরা কখনো ভাবি না যে পড়াশোনায় ভালো করতে হলে আমাদের কিভাবে নিজেকে চেঞ্জ করতে হবে। নিজেদের কি কাজগুলো করতে হবে পড়াশোনায় ভালো করতে হয়। এছাড়াও কিছু উপায় রয়েছে যে উপায়গুলো ব্যবহার করে আমরা খুব সহজেই পড়াশোনায় ভালো হতে পারি। চলুন সে উপায় গুলো আমরা এক নজর দেখে নেইঃ

খারাপ সঙ্গ ও বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া ত্যাগ করুন

পড়াশোনায় ভালো করার জন্য অবশ্যই আপনাকে খারাপ সঙ্গ এবং বন্ধুদের সঙ্গে অতিরিক্ত আড্ডা দেওয়া ত্যাগ করতে হবে। কারণ পড়াশোনায় ভালো করতে হলে আপনাকে দীর্ঘক্ষন হতে হয়। আর আপনি সেই সময় গুলো যদি আপনার বন্ধুদের সঙ্গে ব্যয় করেন তাহলে আপনি পড়ায় ভালো হতে পারবেন না। এছাড়াও আপনি যখন আপনার বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেন তখন আপনার মস্তিষ্ক চাপ সৃষ্টি হয়ে থাকে যখন আপনি পড়ার টেবিলে বসেন তখন আপনার সেই কথাগুলোই বারবার মনে হয় তখন আপনি কোনভাবে আপনার পড়াটি সম্পূর্ণভাবে মুখস্ত করতে পারবেন না। তখন আপনি একজন খারাপ সাথে পরিণত হবেন এবং কখনোই পড়াশোনা ভালো হতে পারবেন না।

মোবাইল থেকে দূরে থাকুন

আপনারা সকলে জানেন শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড মানুষ যেরকম মেরুদন্ড ছাড়া চলতে পারেনা ঠিক মানুষকে ভবিষ্যতে উন্নত করতে হলে শিক্ষা প্রয়োজন। তাই আপনি যদি ভবিষ্যতে নিজেকে উন্নত করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে পড়াশোনা ভালো করতে হবে। আর পড়াশোনা ভালো করার জন্য আপনাকে মোবাইল থেকে দূরে থাকতে হবে কেননা যত নষ্টের গোড়া হচ্ছে মোবাইল। মোবাইল পেলে আমরা পড়াশোনা ছেড়ে দেই মোবাইলে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেই মোবাইলে গেম খেলি ফেসবুক চালায় এছাড়াও নানান ধরনের কাজ কাম করে মোবাইলের উপরে আমরা আকৃষ্ট হয়ে পড়ি আর তখন আমরা পড়ায় মন বসাতে পারি না পড়তে বসি না পড়তে বিরক্ত লাগে।

পড়ায় মন বসে না কেন

তাই আমাদের উচিত যত দ্রুত সম্ভব পড়াশোনা ভালো করার জন্য আমরা মোবাইল ত্যাগ করে দেব। আপনার ফলো করে দেখবেন ভালো ছাত্ররা কখনোই মোবাইল ব্যবহার করেনা আর চুরি করেও থাকে সেটি শুধু কথা বলার জন্য।

পড়ার আগে শরীরচর্চা ও ব্যায়াম

পড়ার আগে শরীরচর্চা ও ব্যায়াম করলে আমাদের মনটি ফ্রেশ ও তরতাজা হয়ে ওঠে তখন আমাদের সকল কাজকর্মে মন বসে এমনকি তখন আমরা আমাদের পড়াতে আগ্রহী হতে পারব। কেন যখন আমরা শরীর চর্চা করব ব্যায়াম করবো তখন আমাদের শরীরটি সুস্থ থাকবে খাওয়া-দাওয়া ঠিক মতো করতে পারবো। এর ফলে আমরা পড়ার উপর আমাদের মন বসাতে পারবো।

রুটিন তৈরি করুন

পড়ার উপরে মন বসাতে হলে রুটিন তৈরি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা আপনি যদি সব সময় পড়েন তাহলে পড়ার উপর আপনার কোন আগ্রহ থাকবে না ইচ্ছা জাগবে না। সেই জন্য একটি রুটিন তৈরি করতে হবে। তখন আপনারা পড়াশোনায় মন বোঝাতে পারবেন। কারণ রুটিন তৈরি করলে আপনারা কিছুক্ষণ পর পরে মাঝেমধ্যে বিরতি নিতে পারবেন এবং রুটিন অনুযায়ী পড়লে খুব দ্রুত পড়াটি মুখস্ত করতে পারবেন। তখন পড়ায় মনোযোগী হতে পারবেন।

ক্লাসে সামনে বসা

যখন আপনি ক্লাসে সামনে বসবেন তখন আপনি পড়াটি সম্পূর্ণভাবে বুঝতে পারবেন। এবং সেই পড়াটি ভালোভাবে মুখস্ত করতে পারবেন। এছাড়া সামনের দিকে বসলে একটি ভয় থাকে যে হয়তো শিক্ষক আমাকে ধরবে সে জন্য আপনি ভয়ে ভয়ে সেই গলাটি মুখস্ত করবেন এবং খুব দ্রুত ভালো ছাত্রের পরিণত হবেন তখন আপনি লক্ষ্য করতে পারবেন যে কিভাবে আপনি পড়াশোনা ভালো হয়ে গেছেন তা নিজেও বুঝতে পারবেন না।

ভালো ছাত্রদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করা

পড়াশোনায় ভালো করার জন্য ভালো ছাত্রদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করা খুবই একটি ভালো কাজ এবং উপায়। কেননা ভালো ছাত্রকে লক্ষ্য করলে তার অভ্যাস আপনার মধ্যে গড়ে উঠবে। এবং আপনার বিভিন্ন সমস্যা নেই সে সমাধান করবে তখন আপনি তার থেকে কিছু অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারবেন এবং পড়াশোনায় ভালো হতে পারবেন।

লেখক এর মন্তব্য | পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ইসলামিক উপায়

প্রিয় পাঠক এতক্ষণে আপনারা হয়তো আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়েছেন এবং আর্টিকেলটি পড়ে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ইসলামিক উপায় ও পড়াশোনায় ভালো হওয়ার উপায় বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। এখন আপনাদের উচিত হবে এই উপায় গুলো পালন করা এবং নিজেদেরকে পড়াশোনায় মনোযোগী করে গড়ে তোলা। এবং নিজেকে ভালো ছাত্রে পরিণত করা। এছাড়াও আমাদের আর্টিকেলটি যে আপনার এতক্ষণ যাব আপনাদের মূল্যবান সময়টি ব্যয় করে পড়েছেন তার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আরাবি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url