সৌদি আরব জব ভিসা ২০২৪ - কোন কাজের বেতন বেশি

সৌদি আরব জব ভিসা ২০২৪ সে সম্পর্কে জানতে চাইলে আমাদের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহ করুন। এই আর্টিকেলে আমরা সৌদি আরব কোন ভিসা ভালো এবং সৌদি আরব জব ভিসা ২০২৪। কোন ভিসা নিয়ে গেলে সৌদি আরবে কাজের চাহিদা বেশি হয় তা আলোচনা করেছি।
সৌদি আরবে কোন কাজের বেতন বেশি - জব ভিসা ২০২৪

সৌদি আরব হচ্ছে আমাদের মুসলিম রাষ্ট্রের একটি প্রধান মুসলিম দেশ যে দেশে আমাদের প্রিয় নবীজি জন্মগ্রহণ করেছেন সেই সূত্রে আমরা অনেকেই সৌদি আরবে কাজে যেতে চাই। কাজে যাওয়ার পরে দেখে আমাদের কাজের মজুরি অনেকটাই কম তাই তাড়াহুড়ো না করে জেনে শুনে যাওয়াই ভালো।

পোস্ট সূচিপত্রঃ সৌদি আরব জব ভিসা ২০২৪ - কোন কাজের বেতন বেশি 

সৌদি আরবে কোন কাজের বেতন বেশি

সৌদি আরবে কোন কাজের বেতন বেশি সে সম্পর্কে আপনারা অবশ্যই জানার জন্য আগ্রহী হয়েছেন। আপনারা কি সৌদি আরবে কাজের জন্য যেতে চান কিন্তু আপনারা জানেন না কোন কাজের বেতন বেশি। আসলে এটি আমাদের সবারই জানা উচিত কোন কাজ আমাদের জন্য ভালো এবং নিচের কাজগুলো যেমন, ওয়েল্ডিং, অটোমোবাইল, ইলেকট্রিশিয়ান, টেকনিশিয়ান, প্লাম্বিং, কনস্টাকশনের, অফিস ম্যানেজার গাড়িচালক, ইঞ্জিনিয়ার, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ার, পাইপ ফিটিং, রেস্টুরেন্ট এর কাজ পারেন।

আরো পড়ুনঃ পাকা টমেটো খাওয়ার অপকারিতা

অর্থাৎ আপনি এক কথায় কারিগরি বিষয়ে যদি বেশি দক্ষ হয়ে থাকেন এবং ইলেকট্রিক হয়ে থাকেন তাহলে সেই সকল কাজের বেতন অন্য কাজের বেতনের থেকে অনেকটাই বেশি। এছাড়াও আপনার যদি কোন দক্ষতা না থাকে তাহলেও আপনি সৌদি আরবে আপনার শারীরিক পরিশ্রম করে টাকা ইনকাম করতে পারেন। তবে সেই কাজের জন্য আপনাকে বেতন কম নিতে হবে তবে ধীরে ধীরে আপনি অভিজ্ঞ হওয়ার সাথে সাথে আপনার বেতনটিও বাড়তে থাকবে। তবে আপনি যদি আপনার দেশে কোন কাজে পারদর্শী হয়ে থাকেন তবে আপনি যদি সেই কাজের ভিসায় যান তাহলে আপনাকে অভিজ্ঞ হিসেবে কাজের বেতন বেশি দেওয়া হবে। 

আপনি যদি সৌদি আরবে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে চান তাহলে আপনি ১০০০ থেকে ১২০০ রিয়েল পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন। আর যদি আপনি ওয়েল্ডিং, অটোমোবাইল, ইলেকট্রিশিয়ান, টেকনিশিয়ান, প্লাম্বিং এই সকল কাজগুলোর ভিসায় যে থাকেন এবং এই কাজে পারদর্শী হন তাহলে আপনি প্রতি মাসে ১২০০ থেকে ১৫০০ ও ১৬০০ এবং ওভার ডিউটি করলে ১৮০০ থেকে ২০০০ রিয়েল ইনকাম করতে পারবেন।

সৌদি আরবে কোন কাজের বেতন কত

সৌদি আরবে কোন কাজের বেতন কত সেটি অবশ্যই তাদেরকে জানা উচিত যারা সৌদি আরবে নতুন এবং প্রথম কাজে যাচ্ছেন। সৌদি আরবে এমন কাজ রয়েছে যে কাজের বেতন গুলো খুবই কম এবং এমন কিছু কাজ রয়েছে সেই কাজের বেতন গুলো অনেকটা বেশি। এখন আপনারা যদি সেগুলো না জেনে সৌদি আরবে যান তাহলে যেই কাজের বেতনটি কম সেটি যদি আপনারা ভিসায় লিখে ফেলেন তাহলে আপনাদের অনেক পরিশ্রম করতে হবে কিন্তু এই পরিশ্রমের সঠিক ফল আপনারা পাবেন না। সেজন্য আপনাকে জানতে হবে সৌদি আরবে কোন কাজ করলে এবং কোন কাজের বেতন কত। আরব দেশে কোন কাজের কত বেতন তা হচ্ছেঃ

কাজের পদবী

  মাসিক কাজের বেতন

ড্রাইভিং

১৭০০ থেকে ২৭০০ রিয়েল

কনস্টাকশনের কাজ

১৭০০ থেকে ২৩৫০ রিয়েল

ইলেকট্রিক্যাল কাজ

১৭০০ থেকে ২০০০ রিয়েল

  ক্লিনারের কাজ

১৩০০ থেকে ১৭০০ রিয়েল

ইলেকট্রিক কাজ

১৫০০ থেকে ২৩৫০ রিয়েল

গ্রাহক সেবা

৩৮,৭০০  ডলার

মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার

৩০,৫০০ ডলার

রিসিপশন

১৫,০০০ ডলার

ওয়েটার

১৬,০৫০ ডলার

হিসাব রক্ষক

১৭,৮০০ ডলার

অফিস ম্যানেজার

৩১,২৫০ ডলার

ফার্মাসিস্ট

২০,৫৫০ ডলার

নির্বাহী সহকারী

২৫,৯০০ ডলার

  সিভিল ইঞ্জিনিয়ার

৩২,৪৫০ ডলার

ইঞ্জিনিয়ার

৭ থেকে ১২,০০০ রিয়েল

হেলথ কেয়ার, ডাক্তার, নার্স

১০ থেকে ১৫,০০০  রিয়েল

মিডিয়া, জার্নালিস্ট

৩ থেকে ৮,০০০ রিয়েল

কোম্পানিতে শ্রমিকের কাজ

৩ থেকে ৭,০০০ রিয়েল

ইলেকট্রিশিয়ান

২ থেকে ৫০০০ রিয়েল


সৌদি আরব কোন ভিসা ভালো - সৌদি আরব জব ভিসা ২০২৪ - কোন কাজের বেতন বেশি 

সৌদি আরবে আপনি অনেক ভিসায় যেতে পারেন তবে এর মধ্যে কোন বিষয় গেলে সব থেকে ভালো হয় এটি হয়তো জানেন না। এই আর্টিকেলে আমরা সৌদি আরব কোন ভিসা ভালো সম্পর্কে আলোচনা করতে চলেছি। সৌদি আরবে আসলে অনেক ভিসা রয়েছে কিন্তু এ ভিসার মধ্যে কয়েকটি ভিসা রয়েছে যেগুলো শ্রেষ্ঠ ও তাদের থেকে ভালো আপনি যদি সৌদি আরবে আমেল আইদি এবং ফ্রি ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে যান তাহলে এটি আপনার জন্য সবথেকে ভালো হবে কারণ এ বিষয়ে আপনি যেকোন কাজ করতে পারবেন এবং বেশি বেতন পাবেন। 

অন্য বিষয় গেলে আপনি হয়তো সকল কাজ করতে পারবেন না কিন্তু আপনি যদি আপেল আইদি বা ফ্রি ভিসা করে যান তাহলে আপনি সৌদি আরবে সকল ধরনের কাজ করতে পারেন যদি আপনি সেই কাজের প্রতি দক্ষ হয়ে থাকেন। এছাড়াও আপনাদের জন্য আরও একটি ভিসা ভালো হবে সেটি হচ্ছে কোম্পানি ভিসা। এই ভিসাতে গেলে আপনার কাজের চাহিদা থাকবে বেশি এবং আপনার কাজের বেতন বেশি। এছাড়া আপনি চাইলে মাঝারি টাইপের একটি ভিসা রয়েছে যেই বিষয় গেলে আপনার দক্ষতা খুব একটা বেশি লাগবে না সেটি হচ্ছে ইলেকট্রিসিয়ান ভিসা।

সৌদি আরবে কোন কাজের বেতন বেশি - জব ভিসা ২০২৪

অর্থাৎ আপনি যদি ইলেকট্রিকের কাজ জেনে থাকেন ওয়েল্ডিং এর কাজ জেনে থাকেন তাহলে আপনি এই সকল ভিসায় আসতে পারেন। কারণ এই সকল ভিসায় কাজের চাহিদা বেশি এবং কাজের বেতনও বেশি। সেজন্য আমি আপনাদের উপদেশ দেবো যে আপনারা চাইলে উপরের দুইটি ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে যেতে পারেন কারণ এই দুইটি ভিসার দিয়ে আপনারা সব ধরনের কাজ করতে পারেন এবং এই সকল কাজের চাহিদাও বেশি এবং বেতনও বেশি যা আপনাদের লাভবান হতে সাহায্য করবে।

সৌদি আরবের হোটেল ভিসা বেতন কত

সৌদি আরবের হোটেল ভিসা বেতন কত সম্পর্কে আলোচনা করেছি। আপনি যদি সৌদি আরবে হোটেল ভিসা যেতে চান তাহলে এটিও একটি ভালো চিন্তাভাবনা আপনার মধ্যে পড়ে। কারণ এই কাজের চাহিড়াও বেশি এবং কাজের বেতনও মোটামুটি ভালো দাঁড়ায়। তবে এই কাজের জন্য আপনার বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৩০ বছরের ভেতরে আপনি যদি এই ভিসায় সৌদি আরবে আসতে চান তাহলে সেখানে থাকা অবস্থায় আপনার বাসস্থান মেডিকেল খরচ ইন্সুরেন্স খাওয়া দাওয়া সকল কিছু কোম্পানির বহন করবে এছাড়া আপনি দুই বছর পর যদি বাড়িতে আসতে চান তাহলে আপনার বিমান ভাড়া অর্থাৎ এক কথায় আপনার সম্পূর্ণ খরচ কোম্পানি বহন করবে।

আরো পড়ুনঃ মালদ্বীপ বাংলাদেশ কর্মী ভিসা নতুন প্রক্রিয়াকরণ ২০২৪

এবং এই কাজের জন্য আপনাকে ভালো সেলারি দেবে। আপনি যদি সৌদি আরবের বড় হোটেল গুলোতে কাজ পান তাহলে সেই ক্ষেত্রে আপনাকে তারা ১০০০ থেকে ১২০০ অথবা ১২০০ থেকে ১৫০০ রিয়েল বেতন দেবে। অর্থাৎ আমাদের বাংলাদেশের সেই টাকার পরিমাণ হয় ৪০,০০০ থেকে ৬০,০০০ টাকা। এর জন্য আপনাকে আট থেকে নয় ঘন্টা ডিউটি করতে হবে। এর পাশাপাশি আপনি যদি বেশি টাকা ইনকাম করতে চান অর্থাৎ মাসিক বেতন বৃদ্ধি করতে চান তাহলে ওভারটাইম এর সুযোগও রয়েছে।

সৌদি আরব ক্লিনার ভিসা বেতন কত

সৌদি আরব এমন পরিমাণে লোক নিচ্ছে যে আপনার যদি কোন দক্ষতা না থাকে তাহলেও আপনি সৌদি আরবে গিয়ে কাজ করতে পারেন। পড়ালেখা যারা জানেন না কোন কাজের দক্ষতা নেই তারা সৌদি আরবে ক্লিনার ভিসায় গিয়ে কাজ করতে পারেন। সর্বপ্রথম আপনাকে এই বিষয়ে যাওয়ার জন্য চার লক্ষ তবে ২০২৪ সাল থেকে ৪ লক্ষ হতে হচ্ছে না ৪.৫ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা লাগবে। এর বিনিময়ে সৌদি আরব ক্লিনার ভিসার শ্রমিকদের ১০০০ থেকে ১২০০ রিয়েল প্রদান করবে। অর্থাৎ আপনি বাংলাদেশের টাকায় ৩০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকা বেতন পাবেন প্রতিমাসে।

সৌদি আরব জব ভিসা ২০২৪

সৌদি আরব জব ভিসা ২০২৪ সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন। তাহলে চিন্তা নেই এই আর্টিকেল থেকে আপনারা সৌদি আরব জব ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। সৌদি আরব প্রতিবছর বিভিন্ন ধরনের শ্রমিক নিয়ে থাকে তো সৌদি আরবে কোন ভিসায় কোন কাজের এপ্লাই করতে হয় সেটা হয়তো আপনারা জানেন না তো আজকে আপনারা এখান থেকে জেনে নিতে পারবেন সৌদি আরব জব ভিসা এবং সৌদি আরবের যাওয়ার জন্য কয়টি জব ভিসা রয়েছে সে সম্পর্কে জানতে পারবেন। সৌদি আরব ভিসা ২০২৪ হচ্ছেঃ

  • ব্যবসা ভিসা
  • শিক্ষা ভিসা
  • টুরিস্ট ভিসা
  • ফ্যামিলি ভিসা
  • কাজের ভিসা
    1. আমেল আইদি ভিসা
    2. ক্লিনার ভিসা
    3. সুপার মার্কেট ভিসা
    4. মাজরার ভিসা
    5. আমের মঞ্জিল ভিসা
    6. চাওয়াক খাছ ভিসা
  • হজের ভিসা

সৌদি আরবের ফ্রি ভিসার দাম কত

সৌদি আরবে ফ্রি ভিসার দাম কত জানার জন্য আর্টিকেলটি ভিজিট করুন কেননা এখানে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করতে চলেছি। সৌদি আরবের সকল ভিসা থেকে ফ্রি ভিসার দাম বেশি কেননা আপনি এই ভিসা দিয়ে যেকোনো ধরনের জব চাকরি কোম্পানিতে চাকরি অর্থাৎ সব রকমের কাজ করতে পারেন। কিন্তু অন্যান্য ভিসা দিয়ে তা পারা যায় না শুধু একটি মাত্রই কাজ করা যায় যে কাজের কথা বলে আপনি আসবেন সেটি। সেজন্য ফ্রি ভিসার দাম সকল ভিসা থেকে অনেকটা বেশি। কেননা এটি দিয়ে আপনি আপনার মনের মতো কাজ করতে পারবেন। অন্যান্য ভিসার ক্ষেত্রে আপনাকে ৪ থেকে সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা খরচ করতে হয়।

কিন্তু অন্যান্য ভিসা থেকে ফ্রি ভিসার জন্য আপনাকে কমপক্ষে ২০২৪ সালে এখন ৬ থেকে ৭ লক্ষ টাকা খরচ করতে হবে। ২ থেকে ১ বছর আগে ফ্রি ভিসার জন্য সাড়ে ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকা দিতে হতো। বর্তমান যুগে সকল জিনিস পাতির দাম বাড়ায় এখন সকল জিনিসের যাতায়াতের খরচ বেড়ে গেছে তাই ভিসার দামও অনেকটা বেড়ে যায়।

বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব যেতে কত টাকা লাগে ২০২৪

বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব যেতে কত টাকা লাগে তা আসলে এককভাবে বলা যায় না কারণ বিভিন্নভাবে বিভিন্ন প্লেনে যাওয়া যায় সৌদি আরবে আর বিভিন্ন প্লেনের ভাড়া বিভিন্ন হয়ে থাকে তাই আপনি যেভাবে যাবেন তার ভাড়া সেই ভাবে পড়বে। তো আজকে আমরা আপনাদের সুবিধার্থে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব যেতে হলে কত টাকা খরচ করতে হবে ২০২৪ সালে আপনাকে তার নিচে তালিকা তৈরি করে দেওয়া হলোঃ 

যেকোনো দেশে যাওয়ার আগে আপনাকে সর্বপ্রথম পাসপোর্ট করতে হবে এবং ভিসা করতে হবে তো সৌদি আরবে যেতে হলে আপনাকে ভিসা ফি ৫০ থেকে ৬০০০০ টাকা দিতে হবে সরকারিভাবে আর বেসরকারিভাবে যদি আপনি কোন দালাল এজেন্সির সাহায্য নিয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে সৌদির ভিসার জন্য ৮০ থেকে ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা দিতে হবে। এছাড়াও মেডিকেল চেকআপ বিএমটি প্লেনের টিকেট সব মিলিয়ে আরো নানান ধরনের খরচ রয়েছে যা মিলিয়ে আপনার পায় সরকারিভাবে কাজের জন্য যেতে চান তাহলে আপনাকে ৪ থেকে সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা খরচ করতে হবে আর আপনি যদি দালালের এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা করে থাকেন সব মিলিয়ে আপনার খরচ প্রায় পাঁচ লাখ এর কাছে পৌঁছাবে।

আরো পড়ুনঃ টমেটো খেলে কি গ্যাস হয়

এছাড়াও আপনি যদি হয় এর জন্য বা অন্য কোন কাজের জন্য যেতে চান তাহলে আপনাকে সাত থেকে চল্লিশ দিন থাকতে হবে এবং এর জন্য আপনার খরচ হবে দেড় লক্ষ থেকে এক লক্ষ আশি হাজার টাকা। এছাড়া বিভিন্ন কাজের জন্য বিভিন্ন ধরনের খরচ হতে পারে।

সৌদি আরব যেতে বয়স কত লাগে

সৌদি আরব যেতে বয়স কত লাগে সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করতে চলেছি। আপনি শুধু দেশের নাগরিক হলেই যে কোন দেশে কাজের জন্য যেতে পারবেন না কারণ আপনাকে প্রাপ্তবয়স্ক এবং প্রাপ্ত যুবক হতে হবে। তো তারা ধরে ২১ বছর হলে আপনি একজন প্রাপ্ত বয়স্ক যুবক হয়ে উঠতে পারেন সেই জন্য তারা ২১ বছরের নিচে কোন মানুষকে কাজের জন্য নিবন্ধন করতে দেন না। আপনি যদি সৌদি আরবে যেতে চান কাজের জন্য তাহলে আপনাকে অবশ্যই ২১ থেকে ৪৫ বছর এর ভেতরে হতে হবে। আবার আরেকটি কথা হচ্ছে আপনি ভাবছেন ২১ বছরের ওপর হলেই হবে আসলে এটা আবার ঠিক নয় আপনার শরীরের আকৃতি গঠন ঠিক থাকা লাগবে মেডিকেল টেস্ট ঠিক থাকা লাগবে এবং আপনার বয়স ৪৫ বছরের ওপর হলে আপনাকে তারা নিবন্ধনে বাতিল করে দেবে।

সৌদি আরব মহিলা ভিসা

সৌদি আরবে মহিলা ভিসা প্রসেসিং হচ্ছে এখন কারণ সৌদি সরকার মহিলাদেরকে পর্দা ভাবে থেকে গাড়ি চালানোর অর্থাৎ ড্রাইভিং এর সুযোগ দিয়েছে। এছাড়াও গৃহপালিত বসতবাড়িতে কাজের জন্য মহিলাদেরকেও এখন সৌদি আরব নিয়োগ দিয়েছে। তাই সকল নারীগণের ও সৌদি আরবে মহিলা ভিসা কাজের জন্য নিবন্ধন করতে পারে।

উপসংহার - সৌদি আরবে কোন কাজের বেতন বেশি

প্রিয় পাঠক আপনারা নিশ্চয়ই এতক্ষণে আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়ে সৌদি আরবে কোন কাজের বেতন বেশি এবং সৌদি আরবের ফ্রি ভিসার দাম কত কোন ভিসা সৌদি আরবের কাজের জন্য সুবিধা বেশি সেই সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পেয়েছেন। আমার পক্ষে প্রবাসী ভাইদের অর্জিত হবে তাদের ফ্রি ভিসা আবেদন করা এই ভিসাতে হয়তো কিছুটা টাকা বেশি লাগে কিন্তু এর চাহিদা অনেক এবং এই ভিসায় গেলে আপনি আপনার নিজের ইচ্ছা মত কাজ করতে পারবেন এবং আপনার কাজের বেতনও বেশি হবে। প্রিয় পাঠক আপনাকে ধন্যবাদ এতক্ষণ যাবৎ আমাদের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহ পড়ার জন্য।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আরাবি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url