/

সেরা চিকেন বিরিয়ানি রেসিপি ঘরোয়া স্টাইলে ২০২৬ | খুব সহজে পারফেক্ট চিকেন বিরিয়ানি রান্না করুন

গরম ভাতের সঙ্গে গরম ইলিশ মাছ ভাজা | বাঙালির ঐতিহ্যবাহী স্বাদের গল্পবিরিয়ানি নামটি শুনলেই জিভে জল চলে আসে। আপনি কি বিরিয়ানি রেসিপি বানানোর কথা ভাবছেন? কিভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে চিকেন বিরিয়ানি রেসিপি বানানো যায়, বিরিয়ানির ইতিহাস, বিরিয়ানি তৈরির উপকরণ সম্পর্কে সমুস্থ বিষয়ে আজ এই আর্টিকেলে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব। উপমহাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলোর মধ্যে বিরিয়ানি একেবারে শীর্ষে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিরিয়ানি ভিন্ন ভিন্ন স্বাদ ও ঘরানায় তৈরি করা হলেও মূল আকর্ষণ থাকে এর সুগন্ধি চাল, মশলাদার মাংস এবং ঘিয়ে ভেজানো অসাধারণ স্বাদে। 
অনেকেই মনে করেন বিরিয়ানি রান্না করা খুব কঠিন, কিন্তু সঠিক নিয়ম ও কৌশল জানলে ঘরেই সহজে পারফেক্ট বিরিয়ানি তৈরি করা সম্ভব। এই আর্টিকেলে আমরা ধাপে ধাপে একটি সহজ কিন্তু রেস্টুরেন্ট স্টাইল চিকেন বিরিয়ানি রেসিপি ব্যাখ্যা করবো।
পেজ সূচিপত্রঃ  

🍗 বিরিয়ানি কী এবং এর ইতিহাস

বিরিয়ানির উৎপত্তি নিয়ে নানা মত রয়েছে। কেউ বলেন এটি পারস্য থেকে এসেছে, আবার কেউ বলেন মোগল আমলেই এই খাবার ভারতীয় উপমহাদেশে জনপ্রিয় হয়। বিরিয়ানি মূলত এক ধরনের স্তরযুক্ত রান্না যেখানে আধা সিদ্ধ চাল ও মশলাদার মাংস একসাথে দমে রান্না করা হয়। সময়ের সাথে সাথে কাচ্চি বিরিয়ানি, পাকা বিরিয়ানি, হায়দ্রাবাদি বিরিয়ানি, লখনৌ বিরিয়ানি ইত্যাদি নানা ধরন তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো কাচ্চি ও চিকেন বিরিয়ানি। বাংলাদেশে কাচ্চি ও চিকেন বিরিয়ানি স্বাদে ও গন্ধে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে। শহরের পাশাপাশি এখন গ্রামে গঞ্জে ও কাচ্চি ও চিকেন বিরিয়ানি পাওয়া যাচ্ছে। তাই এখন আর মানুষ কে কষ্ট করে দূরে কোথাও যেতে হবে না।

🍚 ভালো বিরিয়ানি বানানোর মূল রহস্য

একটি পারফেক্ট বিরিয়ানি তৈরি করতে কয়েকটি বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত চালের মান—বাসমতি বা দীর্ঘ দানার সুগন্ধি চাল হলে বিরিয়ানির স্বাদ বহুগুণে বেড়ে যায়। দ্বিতীয়ত মশলার সঠিক অনুপাত এবং তৃতীয়ত রান্নার ধৈর্য। বিরিয়ানি কখনোই তাড়াহুড়ো করে রান্না করা উচিত নয়। ধাপে ধাপে সময় দিয়ে রান্না করলে স্বাদ ও ঘ্রাণ দুটোই অসাধারণ হয়। ভালো বিরিয়ানি বানানোর মূল রহস্য লুকিয়ে আছে সঠিক উপকরণ, নিখুঁত মশলার ব্যবহার এবং ধৈর্যশীল রান্নার প্রক্রিয়ায়। মাংস অবশ্যই ভালোভাবে ম্যারিনেট করতে হবে যাতে মশলার স্বাদ ভেতরে পর্যন্ত ঢুকে যায়। মশলা্র পরিমাণ ঠিক রাখা জরুরি—বেশি মশলা বিরিয়ানির আসল স্বাদ নষ্ট করতে পারে। কম আঁচে ধীরে ধীরে দমে রান্না করাই পারফেক্ট বিরিয়ানির আসল চাবিকাঠি।

🛒 চিকেন বিরিয়ানি তৈরির উপকরণ

চিকেন বিরিয়ানি রেসিপি সফল করতে সঠিক উপকরণ নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি। এখানে মাঝারি আকারের ৪–৫ জনের জন্য উপকরণ দেওয়া হলো। বাসমতি চাল ৫০০ গ্রাম, মুরগির মাংস ১ কেজি, টক দই আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ৪টি বড়, আদা বাটা ২ চা চামচ, রসুন বাটা ২ চা চামচ, কাঁচা মরিচ বাটা ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, লাল মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা চামচ, তেজপাতা ২টি, দারুচিনি ২ টুকরো, এলাচ ৪টি, লবঙ্গ ৪টি, ঘি ৩ টেবিল চামচ, তেল প্রয়োজনমতো, কেওড়া জল ১ টেবিল চামচ এবং গোলাপ জল ১ টেবিল চামচ।

🍳 মাংস মেরিনেশন করার নিয়ম

মাংস মেরিনেশন করার সঠিক নিয়ম অনুসরণ করলে বিরিয়ানির স্বাদ ও গন্ধ দুটোই বহুগুণে বেড়ে যায়। প্রথমে তাজা ও পরিষ্কার মাংস ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এরপর একটি বড় বাটিতে মাংস নিয়ে এর মধ্যে টক দই যোগ করতে হবে, কারণ দই মাংসকে নরম করে এবং মশলার স্বাদ ভেতরে প্রবেশ করতে সাহায্য করে। দইয়ের সঙ্গে আদা বাটা, রসুন বাটা, কাঁচা মরিচ বাটা, লবণ, লাল মরিচ গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, জিরা ও ধনে গুঁড়া পরিমাণমতো মেশাতে হবে। চাইলে সামান্য গরম মসলা গুঁড়া যোগ করা যেতে পারে।

সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে মাংসের প্রতিটি অংশে মাখিয়ে নিতে হবে যাতে কোনো জায়গা খালি না থাকে। এরপর সামান্য তেল বা ঘি এবং অল্প কেওড়া জল বা লেবুর রস যোগ করলে মেরিনেশনের ঘ্রাণ আরও উন্নত হয়। ম্যারিনেট করা মাংস কমপক্ষে এক থেকে দুই ঘণ্টা ঢেকে রেখে দিতে হবে; সময় বেশি পেলে সারারাত ফ্রিজে রাখলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়। এই ধাপে ধাপে মেরিনেশনই বিরিয়ানির গভীর স্বাদের মূল ভিত্তি তৈরি করে।

🍚 চাল সেদ্ধ করার সঠিক পদ্ধতি

চাল সেদ্ধ করা হলো পারফেক্ট বিরিয়ানি তৈরির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোর একটি। ভাল মানের বিরিয়ানির জন্য সুগন্ধি বাসমতি চাল ব্যবহার করা বাঞ্ছনীয়, কারণ এটি দীর্ঘ দানার এবং রান্নার পরে আলাদা থাকে। প্রথমে চাল ভালোভাবে ধুয়ে কমপক্ষে ৩০ মিনিট পানি ভিজিয়ে রাখতে হবে। এতে চালের অতিরিক্ত শর্করা দূর হয় এবং রান্নার সময় চাল ভাঙে না। একটি বড় হাঁড়িতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি ফুটিয়ে তেজপাতা, দারুচিনি, এলাচ ও লবঙ্গের মতো পুরো মশলা দিয়ে দিন। মশলাগুলো চালে সুগন্ধ আনবে। পানি ফোটার পর ধুয়ে রাখা চাল দিয়ে দিন। 

এবার চালকে প্রায় ৭০% সেদ্ধ করতে হবে। অর্থাৎ চাল অর্ধেক সেদ্ধ, আউটলাইন ধরে রয়েছে, ভেতরে সামান্য কাঁচা থাকে। এই পর্যায়ে চাল পুরোপুরি সিদ্ধ করলে পরবর্তীতে দম দেওয়ার সময় ঝরঝরে হওয়া সম্ভব হয় না। চাল সেদ্ধ করার সময় লবণ সামান্য দেওয়া যায়, তবে খুব বেশি নয়। চাল সেদ্ধ হওয়ার পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিলে চাল আলাদা থাকে এবং স্টিকি হয় না। এই সঠিক সেদ্ধ পদ্ধতি অনুসরণ করলে মাংস ও মশলার সঙ্গে মিলিয়ে বিরিয়ানি দমে ভালোভাবে রান্না হবে এবং পারফেক্ট টেক্সচার আসবে।

🍳 মাংস রান্না করার ধাপ

চিকেন বিরিয়ানির স্বাদ নির্ভর করে মাংসের রান্নার উপর। প্রথমে একটি বড় হাঁড়ি বা প্যানের মধ্যে তেল ও ঘি মিশিয়ে গরম করতে হবে। এরপর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। পেঁয়াজের বাদামী রঙ ও ঘ্রাণই বিরিয়ানি রান্নার প্রথম ধাপের স্বাদ বাড়ায়। এরপর ম্যারিনেট করা মুরগির মাংস হাঁড়িতে দিন এবং মাঝারি আঁচে কষাতে থাকুন। মাংস থেকে নিজের তেল ছাড়তে শুরু করবে তা থেকে বুঝে নিবেন যে মাংস কষানো ঠিক হয়েছে। মাংস কষানোর সময় চামচ বা কড়াই দিয়ে ভালোভাবে মেশাতে হবে যাতে মশলা স্বাদ সমানভাবে মাংসের সঙ্গে মিশে যায়। প্রয়োজনে সামান্য একটু তেল ও  পানি দিয়ে মাংসকে প্রায় ৭০% সিদ্ধ করে নিতে হবে, কারণ পরবর্তী দম দেওয়ার ধাপে মাংস সম্পূর্ণভাবে সিদ্ধ হবে।

মাংস রান্নার সময় অতিরিক্ত নাড়াচাড়া বা ঢাকনা খুলে দেখার দরকার নেই, কারণ এটি মশলার ঘ্রাণ ও মাংসের কোমলতা নষ্ট করতে পারে। এছাড়া, এই পর্যায়ে গরম মসলা, কেওড়া জল বা সামান্য গোলাপ জল মাংসের মধ্যে যোগ করলে স্বাদ আরও বাড়ে। মাংস ভালোভাবে কষানো হলে পরবর্তী ধাপে চালের সঙ্গে মিলিয়ে দম দেওয়ার সময় পুরো রান্না প্রক্রিয়ার স্বাদ নিখুঁত হয়। এই পদ্ধতিতে রান্না করা মাংস হবে কোমল, সুগন্ধি এবং মশলার সঙ্গে সমন্বিত, যা পারফেক্ট চিকেন বিরিয়ানি তৈরি করার মূল ভিত্তি।

🍲 বিরিয়ানি দম দেওয়ার নিয়ম

বিরিয়ানি দম দেওয়া হলো পুরো রান্নার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, যা মাংস, চাল এবং মশলার স্বাদকে একত্রিত করে চূড়ান্ত সুগন্ধি এবং স্বাদ আনে। প্রথমে একটি ভারী তলার হাঁড়িতে প্রথমে কষানো মাংসের স্তর বসান। তার উপরে আধা সিদ্ধ বাসমতি চাল ছড়িয়ে দিন। স্তর তৈরি করার সময় মাংস এবং চাল সমানভাবে রাখা উচিত, যাতে প্রতিটি অংশে স্বাদ পৌঁছে। প্রত্যেকটি স্তরের উপরে সামান্য ঘি, বাকি গরম মসলা, কেওড়া জল ও গোলাপ জল ছিটিয়ে দিন। এতে বিরিয়ানিতে অতিরিক্ত ঘ্রাণ এবং স্বাদের গভীরতা আসে। এরপর হাঁড়ির মুখ ভালোভাবে ঢেকে দিন। ঢাকনার সাথে হাঁড়ির সংযোগ ভালোভাবে মোম বা দাগ দিয়ে আটকালে বাষ্প বের হয় না এবং দম ঠিকমতো হয়।

দম দেওয়ার সময় কম আঁচে ২০–২৫ মিনিট রান্না করুন। খুব বেশি আঁচ দিলে চাল ভেঙে যেতে পারে এবং স্বাদ ঠিকমতো মেশবে না। কিছু মানুষ হাঁড়ির তলার জন্য চুলার নিচে ধরা প্লেট বা চুলার পাশে পানি ব্যবহার করে “ডাবল বয়েল” পদ্ধতি ব্যবহার করেন, যা তাপ সমানভাবে বিতরণ করে। দম শেষ হলে হাঁড়ি ৫–১০ মিনিট ঢাকনা খোলা না রেখে রাখুন। এরপর হালকা করে নেড়ে পরিবেশন করুন। সঠিক দম দেওয়া হলে বিরিয়ানির চাল আলাদা, মাংস কোমল এবং স্বাদ ও ঘ্রাণের সমন্বয় নিখুঁত হয়।

🍽️ পরিবেশন ও পরিবেশন কৌশল

বিরিয়ানি পরিবেশন ও পরিবেশন কৌশল পারফেক্ট বিরিয়ানির স্বাদ সম্পূর্ণ করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দম দেওয়া শেষে বিরিয়ানিকে ৫–১০ মিনিট ঢাকনা বন্ধ রেখে রাখা উচিত। এতে ভাপ পুরো মাংস ও চালের মধ্যে ছড়িয়ে যায় এবং স্বাদ আরও গাঢ় হয়। পরিবেশনের সময় হাঁড়ি থেকে সরাসরি নাড়াচাড়া না করে, হালকা করে চাপ দিয়ে নেড়ে নিন যাতে চাল আলাদা থাকে এবং মাংস নরম থাকে। বিরিয়ানিকে সুন্দরভাবে পরিবেশন করার জন্য পাতিল বা বড় সার্ভিং বাট ব্যবহার করা ভালো। উপরে সামান্য ভাজা পেঁয়াজ ছড়িয়ে দিলে নরম স্বাদ ও ক্রাঞ্চি টেক্সচার দুইই আসে। এছাড়া, কেওড়া জল বা গোলাপ জল ছিটিয়ে পরিবেশন করলে সুগন্ধ আরও বাড়ে

বিরিয়ানির সাথে সালাদ, বোরহানি বা দইয়ের রায়তা রাখলে স্বাদ আরও সম্পূর্ণ হয়। লেবুর স্লাইস ও পুদিনা পাতা পরিবেশনেও যুক্ত করলে খাবারের রঙ এবং প্রেজেন্টেশন আরও আকর্ষণীয় হয়। বিরিয়ানির স্বাদ ও ঘ্রাণ ঠিকমতো নিতে চাইলে খাবারের তাপমাত্রা গুরুত্বপূর্ণ। খুব ঠান্ডা বা অতিরিক্ত গরম না হওয়া ভালো। এই ছোটখাটো কৌশলগুলো মেনে চললে পরিবেশন কেবল মুখরোচক নয়, বরং পুরো খাবার অভিজ্ঞতাকেও আনন্দদায়ক করে তোলে। সঠিক পরিবেশন এবং টিপস অনুসরণ করলে, বিরিয়ানির স্বাদ এবং ঘ্রাণ থেকে সেরা তৃপ্তি পাওয়া যায়, যা পরিবারের বা অতিথিরা সবাই মুগ্ধ হয়।

✅ পারফেক্ট বিরিয়ানি বানানোর টিপস

পারফেক্ট বিরিয়ানি বানানোর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস মেনে চলা প্রয়োজন। প্রথমে ভালো মানের বাসমতি চাল ব্যবহার করুন, কারণ এটি রান্নার পরে আলাদা এবং সুগন্ধি থাকে। মাংস ভালোভাবে ম্যারিনেট করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; দই, মশলা এবং কিছু তেল মিশিয়ে কমপক্ষে এক ঘণ্টা রাখতে হবে। রান্নার সময় মশলার পরিমাণ সমানভাবে ব্যবহার করুন—অধিক বা কম মশলা স্বাদ নষ্ট করতে পারে।চাল আধা সিদ্ধ করতে হবে, পুরোপুরি না, কারণ দম দেওয়ার সময় তা পুরোপুরি সিদ্ধ হবে। দম দেওয়ার সময় কম আঁচে এবং ঢাকনা ভালোভাবে বন্ধ করে রান্না করুন। উপরে সামান্য ঘি, গোলাপ জল এবং কেওড়া জল ছিটিয়ে দিলে ঘ্রাণ এবং স্বাদ বৃদ্ধি পায়। সবশেষে, পরিবেশনের আগে হালকা করে নেড়ে চাল আলাদা এবং মাংস কোমল রাখতে হবে। এই ছোট টিপসগুলো মানলে ঘরোয়া বিরিয়ানি হবে একদম রেস্টুরেন্ট মানের।

📝 উপসংহার

পারফেক্ট বিরিয়ানি বানানো মানে শুধু চাল ও মাংস মিশিয়ে রান্না করা নয়; এটি একটি ধৈর্য, সঠিক উপকরণ এবং সঠিক রান্নার কৌশলের মিলন। ভালো মানের বাসমতি চাল, সঠিক মশলা, ভালোভাবে ম্যারিনেট করা মাংস এবং দম দেওয়ার সঠিক পদ্ধতি মেনে চললে ঘরে বসেই তৈরি করা সম্ভব রেস্টুরেন্ট স্টাইলের বিরিয়ানি। পরিবেশনের সময় ছোটখাটো কৌশল যেমন পেঁয়াজ ভাজা ছিটানো, কেওড়া জল বা গোলাপ জল ব্যবহার করা এবং সালাদ বা রায়তার সঙ্গে পরিবেশন করা স্বাদ ও ঘ্রাণকে আরও বাড়িয়ে তোলে। 

সঠিকভাবে রান্না করা বিরিয়ানি শুধু মুখরোচকই নয়, বরং পরিবার ও অতিথিদের কাছে আনন্দের অভিজ্ঞতাও তৈরি করে। তাই প্রতিটি ধাপ মনোযোগ দিয়ে অনুসরণ করলে, ঘরোয়া রান্নাঘরেই তৈরি হতে পারে একদম নিখুঁত, সুগন্ধি এবং রসালো বিরিয়ানি। এই ছিল ঘরে বসে সহজ ও সুস্বাদু বিরিয়ানি রেসিপি। সঠিক উপকরণ, ধৈর্য এবং ভালোবাসা দিয়ে রান্না করলে আপনার বিরিয়ানি হবে একদম রেস্টুরেন্ট মানের। নিয়মিত এই ধরনের ঘরোয়া রেসিপি জানতে আমাদের ব্লগ ফলো করতে ভুলবেন না।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আরাবি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ১

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ২

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৩

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪