/

"ক্যান্সার"। ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর ১০ লক্ষণ জেনে নিন ।

পেঁপে । শরীরকে সুস্থ রাখতে পেঁপে খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানুন।আপনি কি ক্যান্সার রোগ সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন তাহলে আপনার জন্য আজকের এই আর্টিকেলটি বেস্ট হতে চলেছে। আপনি এই আর্টিকেল পড়ে ক্যান্সার রোগের ১০টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ সম্পর্কে জানতে পারবেন। বর্তমান বিশ্বে ক্যান্সার একটি ভয়াবহ ও জীবনঘাতী রোগ হিসেবে পরিচিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে এবং সচেতনতার অভাবে অনেক ক্ষেত্রেই রোগটি ধরা পড়ে দেরিতে। ক্যান্সার এমন একটি রোগ যা শরীরের যেকোনো অঙ্গকে আক্রান্ত করতে পারে এবং প্রাথমিক পর্যায়ে এর লক্ষণগুলো অনেক সময় সাধারণ অসুস্থতার মতো 
মনে হয়। ফলে রোগীরা বিষয়টিকে গুরুত্ব দেন না। অথচ শুরুতেই ক্যান্সারের লক্ষণগুলো শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। এই আর্টিকেলে আমরা ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর ১০টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করবো, যাতে আপনারা সময়মতো সতর্ক হতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন।
পেজ সূচিপত্রঃ  

১. অস্বাভাবিক ওজন হ্রাস 

অস্বাভাবিক ওজন হ্রাস ক্যান্সারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হয়। যদি কোনো ব্যক্তি ডায়েট নিয়ন্ত্রণ বা অতিরিক্ত ব্যায়াম ছাড়াই স্বল্প সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ওজন কমিয়ে ফেলেন, তাহলে তা উদ্বেগের বিষয়। সাধারণত ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে শরীরের মোট ওজনের ৫–১০ শতাংশ হ্রাস ক্যান্সারের সতর্ক সংকেত হতে পারে। বিশেষ করে পাকস্থলী, অগ্ন্যাশয়, ফুসফুস ও খাদ্যনালীর ক্যান্সারে এই লক্ষণ বেশি দেখা যায়। ক্যান্সার কোষ শরীরের স্বাভাবিক বিপাক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে এবং প্রচুর শক্তি ব্যবহার করে, ফলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে রোগীর ক্ষুধা স্বাভাবিক থাকলেও ওজন কমতে থাকে। এই ধরনের ওজন হ্রাস দীর্ঘদিন চলতে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।

২. দীর্ঘদিনের ক্লান্তি ও দুর্বলতা 

দীর্ঘদিন ধরে ক্লান্তি ও শারীরিক দুর্বলতা অনুভব করা ক্যান্সারের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে। সাধারণ কাজকর্মের পর সাময়িক ক্লান্তি হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরও যদি দুর্বলতা দূর না হয়, তাহলে তা উদ্বেগের বিষয়। বিশেষ করে রক্তের ক্যান্সার যেমন লিউকেমিয়া ও লিম্ফোমায় এই উপসর্গটি বেশি দেখা যায়। ক্যান্সার শরীরের স্বাভাবিক রক্ত উৎপাদন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে, ফলে রক্তস্বল্পতা সৃষ্টি হয় এবং শরীরের কোষগুলো পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না। এর ফলে রোগী সবসময় অবসন্ন, ঝিমুনি ভাব ও শক্তিহীনতা অনুভব করেন। দৈনন্দিন কাজ করতে অনীহা দেখা দেয় এবং কর্মক্ষমতা কমে যায়। এই ধরনের ক্লান্তি দীর্ঘদিন স্থায়ী হলে তা উপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

৩. দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা 

দীর্ঘ সময় ধরে শরীরের কোনো নির্দিষ্ট স্থানে ব্যথা অনুভব করা ক্যান্সারের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে। সাধারণ আঘাত, পেশির টান বা স্বাভাবিক শারীরিক সমস্যার কারণে হওয়া ব্যথা সাধারণত কিছুদিনের মধ্যেই কমে যায়। কিন্তু ক্যান্সারজনিত ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং ধীরে ধীরে তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। যেমন মাথায় দীর্ঘদিন ব্যথা থাকা মস্তিষ্কের টিউমারের লক্ষণ হতে পারে, আবার পিঠ বা কোমরের ব্যথা প্রোস্টেট, কিডনি বা ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারের ইঙ্গিত দিতে পারে। 
ক্যান্সার যখন আশপাশের টিস্যু, হাড় বা স্নায়ুর ওপর চাপ সৃষ্টি করে, তখন এই ব্যথা হয়। অনেক ক্ষেত্রে ব্যথানাশক ওষুধে সাময়িক উপশম মিললেও পুরোপুরি সারে না। দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা উপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

৪. শরীরের কোথাও গাঁট বা ফোলা 

শরীরের কোনো অংশে হঠাৎ বা দীর্ঘস্থায়ী গাঁট, ফোলা বা চাকা অনুভব করা ক্যান্সারের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। সাধারণত গাঁট দেখা দিলে মানুষ তা সামান্য স্বাভাবিক সমস্যা মনে করে, কিন্তু অনেক সময় তা ক্যান্সারের প্রাথমিক ইঙ্গিত হয়। বিশেষ করে স্তন, গলা, বগল বা কুঁচকিতে হঠাৎ গাঁট দেখা দিলে দ্রুত পরীক্ষা করা প্রয়োজন। স্তন ক্যান্সারে স্তনের টিস্যুতে ছোট কিন্তু শক্ত গাঁট তৈরি হয়, যা সাধারণত ব্যথাহীন হয়। লিম্ফ নোড ক্যান্সারে গলার বা বগলের লসিক নোড ফোলা দেখা যায়। থাইরয়েড ক্যান্সারে গলা বা ঘাড়ে ছোট ফোলা লক্ষ্য করা যেতে পারে। শুরুতে এই গাঁটগুলো ছোট হলেও সময়ের সাথে আকার বৃদ্ধি পায় এবং সংলগ্ন টিস্যুর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তাই শরীরে নতুন কোনো গাঁট বা ফোলার উপস্থিতি দীর্ঘদিন থাকলে তা অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

৫. ত্বকের পরিবর্তন 

ত্বকের স্বাভাবিক রঙ, গঠন বা চেহারায় অস্বাভাবিক পরিবর্তন ক্যান্সারের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে। যদি ত্বক হঠাৎ করে কালচে, লালচে বা হলদেটে হয়ে যায়, তাহলে তা লিভার বা অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের ইঙ্গিত দিতে পারে। ত্বকে নতুন তিল, আঁচিল বা দাগ দেখা দেওয়া কিংবা পুরোনো তিলের আকার, রঙ বা প্রান্ত পরিবর্তিত হওয়া ত্বক ক্যান্সারের প্রধান লক্ষণ। এছাড়া ত্বকে ক্ষত তৈরি হয়ে দীর্ঘদিনেও না শুকালে বা বারবার রক্তপাত হলে সেটিও সতর্ক সংকেত। অনেক ক্ষেত্রে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক, চুলকানিযুক্ত বা খোসা ওঠার মতো হয়ে যায়। এসব পরিবর্তন সাধারণ অ্যালার্জি বা ত্বকের সমস্যার মতো মনে হলেও দীর্ঘদিন স্থায়ী হলে তা উপেক্ষা করা উচিত নয়। সময়মতো পরীক্ষা ও চিকিৎসা গ্রহণ করলে ত্বকজনিত ক্যান্সার প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

৬. দীর্ঘদিনের কাশি বা স্বরভঙ্গ 

দীর্ঘদিন ধরে কাশি থাকা বা কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন ক্যান্সারের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে। সাধারণ সর্দি-কাশির কারণে কাশি সাধারণত এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে সেরে যায়, কিন্তু যদি কাশি তিন সপ্তাহ বা তার বেশি সময় স্থায়ী হয়, তাহলে তা উদ্বেগের কারণ। বিশেষ করে ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী কাশি ফুসফুসের ক্যান্সারের ইঙ্গিত দিতে পারে। অনেক সময় কাশির সঙ্গে রক্ত বের হওয়া, বুকে ব্যথা বা শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। অন্যদিকে স্বরভঙ্গ বা কণ্ঠস্বর ভেঙে যাওয়া গলা বা স্বরযন্ত্রের ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। এতে কথা বলতে কষ্ট হয়, গলা খুসখুস করে এবং খাবার গিলতে সমস্যা দেখা দেয়। এসব উপসর্গ দীর্ঘদিন অব্যাহত থাকলে অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

৭. হজমজনিত সমস্যা ও খাবারে অনীহা 

দীর্ঘদিন ধরে হজমজনিত সমস্যা ও খাবারের প্রতি অনীহা ক্যান্সারের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে। যদি কোনো ব্যক্তি নিয়মিত বদহজম, বমি ভাব, বুকজ্বালা, পেট ফাঁপা বা অল্প খাবারেই পেট ভরে যাওয়ার অনুভূতিতে ভোগেন, তবে তা পাকস্থলী, খাদ্যনালী বা অন্ত্রের ক্যান্সারের ইঙ্গিত দিতে পারে। 
অনেক সময় খাবারের স্বাদ বদলে যায় অথবা প্রিয় খাবারেও আগ্রহ কমে যায়, যার ফলে ধীরে ধীরে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। দীর্ঘমেয়াদি এই সমস্যাগুলো শরীরে পুষ্টির ঘাটতি সৃষ্টি করে এবং ওজন কমতে শুরু করে। সাধারণ গ্যাস্ট্রিক বা হজমের সমস্যা কয়েক দিনের মধ্যে সেরে উঠলেও ক্যান্সারজনিত সমস্যাগুলো দীর্ঘদিন স্থায়ী হয় এবং ধীরে ধীরে তীব্র আকার ধারণ করে। তাই হজমের সমস্যা ও খাবারে অনীহা দীর্ঘদিন চললে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

৮. অস্বাভাবিক রক্তপাত বা নিঃসরণ

শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার বাইরে কোথাও অস্বাভাবিক রক্তপাত বা নিঃসরণ ক্যান্সারের একটি গুরুতর লক্ষণ হতে পারে। যেমন কাশির সঙ্গে রক্ত বের হওয়া ফুসফুসের ক্যান্সারের ইঙ্গিত দিতে পারে, আবার প্রস্রাবে রক্ত দেখা দিলে মূত্রথলি বা কিডনি ক্যান্সারের সম্ভাবনা থাকে। পায়খানার সঙ্গে রক্ত বা কালচে মল অন্ত্র কিংবা কোলন ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। নারীদের ক্ষেত্রে মাসিক ছাড়া অকারণে যোনিপথে রক্তপাত জরায়ু বা সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত। অনেক সময় স্তনবৃন্ত বা অন্যান্য অঙ্গ থেকে অস্বাভাবিক তরল নিঃসরণও দেখা যায়। এসব লক্ষণকে সাধারণ সমস্যা ভেবে অবহেলা করা উচিত নয়। অস্বাভাবিক রক্তপাত দীর্ঘদিন চলতে থাকলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে এবং জটিলতা বাড়ে, তাই দ্রুত পরীক্ষা ও চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন।

৯. জ্বর ও সংক্রমণ প্রবণতা

দীর্ঘদিন ধরে জ্বর থাকা বা বারবার বিভিন্ন সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়া ক্যান্সারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত হতে পারে। সাধারণত জ্বর সর্দি-কাশি বা সংক্রমণের কারণে হয় এবং কিছুদিনের মধ্যেই সেরে যায়, কিন্তু ক্যান্সারের ক্ষেত্রে জ্বর দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং অনেক সময় কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই দেখা দেয়। বিশেষ করে রক্তের ক্যান্সার যেমন লিউকেমিয়া বা লিম্ফোমায় এই লক্ষণটি বেশি পরিলক্ষিত হয়। ক্যান্সার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়, ফলে সামান্য সংক্রমণও মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। রোগী বারবার জ্বর, ঠান্ডা লাগা, ঘাম হওয়া বা সংক্রমণজনিত সমস্যায় ভোগেন। রাতের বেলা জ্বর ও অতিরিক্ত ঘাম হওয়াও একটি লক্ষণ হতে পারে। এসব উপসর্গ দীর্ঘদিন স্থায়ী হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

১০. মল-মূত্রের অভ্যাসে পরিবর্তন

মল-মূত্রের স্বাভাবিক অভ্যাসে হঠাৎ বা দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন ক্যান্সারের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে। যদি কোনো ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া অথবা কখনো কোষ্ঠকাঠিন্য আবার কখনো ডায়রিয়ার সমস্যায় ভোগেন, তাহলে সেটি অন্ত্র বা কোলন ক্যান্সারের ইঙ্গিত দিতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে মলের রঙ, আকার বা গন্ধে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা যায় এবং মলের সাথে রক্ত বা কালচে পদার্থ বের হতে পারে। একইভাবে প্রস্রাবের সময় জ্বালা, ব্যথা, ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ বা প্রস্রাবে রক্ত দেখা দিলে মূত্রথলি বা প্রোস্টেট ক্যান্সারের সম্ভাবনা থাকে। এসব লক্ষণ সাধারণ সংক্রমণ বা হজম সমস্যার মতো মনে হলেও দীর্ঘদিন স্থায়ী হলে তা উপেক্ষা করা উচিত নয়। সময়মতো পরীক্ষা ও চিকিৎসা গ্রহণ করলে গুরুতর জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

লেখকের শেষ কথা 

ক্যান্সার কোনো একদিনে হঠাৎ করে হয় না, ধীরে ধীরে শরীরে পরিবর্তন এনে এটি বেড়ে ওঠে। তাই শরীরের যেকোনো অস্বাভাবিক লক্ষণকে গুরুত্ব দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। উপরে উল্লেখিত ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর ১০টি লক্ষণ যদি কারো মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দেখা যায়, তাহলে দেরি না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার শনাক্ত হলে চিকিৎসা অনেক সহজ ও কার্যকর হয়। সচেতনতা, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই পারে ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে আমাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হতে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আরাবি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ১

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ২

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৩

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪