/

"গলা ব্যথা"। গলা ব্যথার কারণ, লক্ষণ, করনীয়, ও কি ধরনের রোগ জেনে নিন ।

“কাজু বাদাম ও কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা”,“ত্বক ও চুলের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার”আপনি কি গলা ব্যথা নিয়ে চিন্তা করছেন, গলা ব্যথার কারনে কিছু খেতে পারছেন না তাহলে আপনার জন্য আজকের আর্টিকেলটি বেস্ট হতে চলেছে। গলা ব্যথা হলো একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা যা প্রায় সব বয়সের মানুষের মধ্যে দেখা দিতে পারে। এটি সাধারণত ঠান্ডা, ফ্লু, বা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে হয়, যদিও ব্যাকটেরিয়া, এলার্জি বা অতিরিক্ত কণ্ঠ ব্যবহার থেকেও গলার ব্যথা হতে পারে। গলা ব্যথার সাধারণ উপসর্গের মধ্যে রয়েছে গলাব্যথা, খোঁচাখোঁচি, কাশি, কণ্ঠ পরিবর্তন এবং গিলতে কষ্ট। 
সাধারণত গলা ব্যথা স্বাভাবিকভাবেই কয়েকদিনের মধ্যে সেরে যায়, তবে কখনো কখনো এটি গুরুতর অসুখের সংকেতও হতে পারে। সুতরাং উপযুক্ত বিশ্রাম, পর্যাপ্ত পানি পান, এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। গলা ব্যথা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস যেমন হাত ধোয়া, ধূমপান এড়ানো এবং ঠান্ডা-গরম পরিবর্তনের সময় সতর্ক থাকা গুরুত্বপূর্ণ। সচেতনতা এবং সময়মতো চিকিৎসা গলা ব্যথাকে সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
পেজ সূচিপত্রঃ  

গলা ব্যথার কারণ কী? 

গলা ব্যথা সাধারণত বিভিন্ন কারণে হতে পারে। সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো ভাইরাস সংক্রমণ, যেমন সর্দি, কাশি বা ফ্লু। এই ধরনের সংক্রমণে গলার শ্লেষ্মা বা টিস্যুতে প্রদাহ সৃষ্টি হয়, যার ফলে ব্যথা এবং গিলতে অসুবিধা হয়। অন্য একটি কারণ হলো ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, যেমন স্ট্রেপটোকক্কাল সংক্রমণ, যা গুরুতর গলা ব্যথা এবং জ্বর সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া এলার্জি, ধুলো বা ধোঁয়া, তীব্র ঠান্ডা বা গরম পানীয়, এবং অতিরিক্ত কণ্ঠ ব্যবহারও গলার টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত করে ব্যথার কারণ হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে গলা ব্যথা পেটের অ্যাসিডের অতিরিক্ত উর্ধ্বস্রবণের কারণেও হতে পারে। ধূমপান, মদ্যপান এবং পরিবেশগত দূষণও গলার স্বাভাবিক সুরক্ষা কমিয়ে ব্যথার সম্ভাবনা বাড়ায়। ফলে গলা ব্যথা বিভিন্ন শারীরিক এবং পরিবেশগত কারণে হতে পারে।

গলা ব্যথা কোন ধরনের রোগ ? 

গলা ব্যথা একটি সাধারণ শারীরিক সমস্যা, যা মূলত সংক্রমণজনিত বা প্রদাহজনিত রোগ হিসেবে দেখা যায়। সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো ভাইরাস সংক্রমণ, যেমন সর্দি, কাশি বা ফ্লু। এই ক্ষেত্রে গলার শ্লেষ্মা বা টিস্যুতে প্রদাহ সৃষ্টি হয়, যার ফলে ব্যথা হয়। এছাড়া ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ, যেমন স্ট্রেপটোকক্কাল সংক্রমণ, গলা ব্যথার তীব্র রূপ দিতে পারে এবং জ্বর, ফোলা টনসিল ও লাল গলা দেখা যায়। গলা ব্যথা কখনো অ্যালার্জি বা পরিবেশজনিত সমস্যা থেকেও হতে পারে, যেমন ধুলো, ধোঁয়া বা ধূমপান। এছাড়া অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা অতিরিক্ত কণ্ঠ ব্যবহারও গলা ব্যথার কারণ হতে পারে। যদিও সাধারণত গলা ব্যথা গুরুতর রোগ নয়, তবে দীর্ঘস্থায়ী বা তীব্র ব্যথা প্রায়ই সংক্রমণ বা শারীরিক দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়। সঠিক যত্ন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

গলা ব্যথা রোগ কীভাবে ছড়ায় ? 

গলা ব্যথা সাধারণত ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে হয়, এবং এটি সহজেই একজন মানুষ থেকে অন্যের মধ্যে ছড়ায়। ভাইরাসজনিত গলা ব্যথা কাশির ফোঁটা বা নাকের স্রাবের মাধ্যমে বায়ুর মধ্যে আসে, যখন একজন অসুস্থ ব্যক্তি কাশে বা হাঁচিতে ছোট ছোট ফোঁটা ছড়ায়। এই ফোঁটা অন্য মানুষ যখন শ্বাস নেয় বা চোখ, নাক বা মুখে স্পর্শ হয়, তখন সংক্রমণ ঘটে। এছাড়া সংক্রমিত ব্যক্তির ব্যবহার করা চশমা, চামচ, গ্লাস বা তোয়ালে ব্যবহার করলে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। 
ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণও একইভাবে ছড়ায়। তাই গলা ব্যথার রোগীর কাছাকাছি থাকা, অস্বাস্থ্যকর হাত ধোয়া, বা ধূমপান ও ধোঁয়ার সংস্পর্শ এড়ানো জরুরি। সচেতনতা এবং ভালো স্বাস্থ্য অভ্যাস সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে।

ঢোক গিলতে গলা ব্যথা কেন হয় ? 

গিলতে গলার ব্যথা অনেকেরই সাধারণ সমস্যা। সাধারণত এটি তখন হয় যখন গলার শ্লেষ্মা ঝালঝুলে, ফোলা বা সংক্রমিত থাকে। ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ যেমন সর্দি, কাশি বা স্ট্রেপটোকক্কাল গলা ব্যথার প্রধান কারণ। সংক্রমণের ফলে গলার টিস্যু ফোলা যায় এবং খাদ্য বা পানি গিলে টিস্যুর সঙ্গে ঘষা লাগে, যার ফলে ব্যথা হয়। এছাড়া গলা শুষ্ক থাকা, এলার্জি, ধূমপান, ধুলো-বালির সংস্পর্শ বা অতিরিক্ত কণ্ঠ ব্যবহারও গিলে ব্যথা সৃষ্টি করতে পারে। কখনো কখনো অ্যাসিড রিফ্লাক্সের কারণে পেটে থাকা অ্যাসিড গলায় ওঠে, যা গিলতে ব্যথা ও জ্বালা অনুভূত করতে পারে। 
গিলে ব্যথা হলে গলায় প্রদাহ ও অস্বস্তি হয়, ফলে খাবার ও পানীয় গ্রহণ কঠিন হয়ে যায়। উপযুক্ত বিশ্রাম, পর্যাপ্ত পানি, এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

গলা ব্যথা হলে করণীয় কি ? 

গলা ব্যথা হলে কিছু সাধারণ যত্ন এবং ঘরোয়া ব্যবস্থা নেওয়া অনেক উপকারি। প্রথমত, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া উচিত, কারণ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন। প্রচুর পানি পান করা গলা শুষ্ক হওয়া প্রতিরোধ করে এবং শ্লেষ্মা পাতলা করে। গরম চা, স্যুপ বা মধু মিশ্রিত পানীয় গলা আরাম দিতে সাহায্য করে। তামাক এবং ধোঁয়া এড়ানো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলো গলার টিস্যু আরও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ঘরে আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য বাষ্প গ্রহণ বা হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করা যেতে পারে। যদি ব্যথা তীব্র হয় বা জ্বর, সর্দি, গিলে অসুবিধা দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ক্ষেত্রে ডাক্তার অ্যান্টিবায়োটিকের পরামর্শ দিতে পারেন। সঠিক যত্ন এবং সময়মতো চিকিৎসা গলা ব্যথা দ্রুত কমাতে সাহায্য করে।

গলা ব্যথা হলে কি খাওয়া উচিত ?

গলা ব্যথা হলে খাবারের দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া জরুরি। এমন খাবার খাওয়া উচিত যা গলা আরামদায়ক করে এবং সহজে গিলে যায়। গরম তরল যেমন স্যুপ, চা বা লেবুর পানি গলা শ্লেষ্মা নরম করে এবং ব্যথা কমায়। মধু মিশ্রিত খাবার বা পানীয় গলা প্রাকৃতিকভাবে শান্ত করতে সাহায্য করে। নরম খাবার যেমন দই, ওটস, খিচুড়ি বা পুডিং সহজে গিলে যায় এবং গলার ওপর চাপ কমায়। প্রচুর ফল ও সবজি, বিশেষ করে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ যেমন কমলা, স্ট্রবেরি, পেঁপে ইমিউনিটি বাড়ায় এবং সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে। তীব্র, ঝাল বা খাস্তা খাবার এড়ানো উচিত, কারণ এগুলো গলায় চামড়া ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। পর্যাপ্ত পানি পান করা, হালকা এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়া গলা ব্যথা কমাতে এবং শরীর শক্ত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।

গলার একপাশে ব্যথা কেন হয়? 

গলার একপাশে ব্যথা সাধারণত তখন হয় যখন গলার কোনো একটি অংশে সংক্রমণ, প্রদাহ বা ক্ষতি ঘটে। সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো টন্সিলাইটিস, যেখানে গলার টনসিলের একটি পাশ ফোলা বা সংক্রমিত হয়। এছাড়া গলার শ্লেষ্মার প্রদাহও একপাশের ব্যথার কারণ হতে পারে। 
ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের সংক্রমণের ফলে গলার লিম্ফ নোড ফুলে যেতে পারে, যা শুধু একপাশে ব্যথা অনুভূত করতে পারে। কখনো কখনো ডেন্টাল সমস্যা, যেমন দাঁতের ফোঁড়া বা মাড়ির সংক্রমণ গলার একপাশে ব্যথা ছড়াতে পারে। এছাড়া কণ্ঠের অতিরিক্ত ব্যবহার, এলার্জি বা অ্যাসিড রিফ্লাক্সও একপাশের গলায় ব্যথা সৃষ্টি করতে পারে। যদি ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হয়, জ্বর বা গিলে সমস্যা থাকে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

গলা ব্যথা কিভাবে কমবে? 

গলা ব্যথা কমানোর জন্য কিছু সহজ ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যায়। প্রথমত, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া উচিত, যাতে শরীর সংক্রমণ বা প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। প্রচুর পানি বা হালকা গরম তরল, যেমন স্যুপ, গরম চা বা লেবু-মধু মিশ্রিত পানি গলা শুষ্কতা কমায় এবং আরাম দেয়। ঘরে আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য বাষ্প নেওয়া বা হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করা ভালো। নরম খাবার যেমন দই, খিচুড়ি, ওটস বা পুডিং গিলে সহজ হয় এবং গলার ওপর চাপ কমায়। ধূমপান, ধোঁয়া এবং খুব ঝাল বা অতিরিক্ত ঠান্ডা খাবার এড়ানো উচিত। যদি ব্যথা গুরুতর হয় বা জ্বর, গিলে সমস্যা, দীর্ঘস্থায়ী কাশি থাকে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এই সহজ যত্ন ও ঘরোয়া ব্যবস্থা গলা ব্যথা কমাতে এবং দ্রুত আরাম দিতে সাহায্য করে।

গলা ব্যথা সমস্যার সমাধান কী? 

গলা ব্যথার সমস্যা সমাধান করার জন্য সঠিক যত্ন এবং চিকিৎসা নেওয়া খুব জরুরি। প্রথমত, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং শরীরকে শক্ত রাখার জন্য প্রচুর পানি পান করা উচিত। হালকা গরম পানীয়, চা বা স্যুপ গলা আরাম দেয় এবং শ্লেষ্মা পাতলা করে। নরম খাবার যেমন দই, খিচুড়ি বা পুডিং খেলে গিলতে সমস্যা কম হয়। গলা শুষ্ক না রাখার জন্য আর্দ্রতা বজায় রাখা জরুরি, যেমন বাষ্প নেওয়া বা হিউমিডিফায়ার ব্যবহার। ধূমপান, ধোঁয়া, অতিরিক্ত ঝাল বা খাস্তা খাবার এড়ানো উচিত। যদি গলা ব্যথা গুরুতর হয়, দীর্ঘস্থায়ী হয়, জ্বর বা গিলে সমস্যা হয়, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ক্ষেত্রে ডাক্তার প্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক দিতে পারেন। এই সতর্কতা এবং ঘরোয়া যত্ন মেনে চললে গলা ব্যথা দ্রুত কমানো সম্ভব।

গলা ব্যথার লক্ষণ কি কি? 

গলা ব্যথা সাধারণত বিভিন্ন উপসর্গের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলো গলায় ব্যথা বা খোঁচাখোঁচি অনুভব করা, বিশেষ করে গিলে বা কথা বলার সময়। গলা ফোলা বা লাল দেখাও একটি সাধারণ লক্ষণ। এছাড়া গিলে অসুবিধা, শুকনো বা কণ্ঠ ভাঙা অনুভব হওয়া, কাশি, হালকা জ্বর এবং গলার লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়াও দেখা যেতে পারে। কখনো কখনো মাথা ব্যথা, নাক বন্ধ হওয়া বা শরীর দুর্বল লাগার মতো উপসর্গও সঙ্গে থাকতে পারে। শিশুদের মধ্যে খাবার খাওয়ায় অনীহা বা অস্বস্তি লক্ষ্য করা যেতে পারে। ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ক্ষেত্রে জ্বর এবং গলার তীব্র ব্যথা বেশি দেখা দেয়। 
এই লক্ষণগুলি লক্ষ করলে সময়মতো বিশ্রাম, পর্যাপ্ত পানি এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

গলা ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ 

গলা ব্যথা সাধারণত ঘরোয়া যত্নে কিছুদিনের মধ্যে কমে যায়। তবে যদি ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হয়, তীব্র হয় বা জ্বর, গিলে অসুবিধা, শ্বাসকষ্ট বা লসনির্গমনের মতো সমস্যা থাকে, তখন অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। চিকিৎসক প্রথমে রোগীর ইতিহাস ও লক্ষণ পরীক্ষা করে, প্রয়োজন হলে গলার স্ক্যান বা থ্রোট কালচার পরীক্ষা করতে পারেন। যদি গলা ব্যথার কারণ ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হয়, তবে ডাক্তার প্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক প্রেসক্রাইব করবেন। ভাইরাসজনিত সংক্রমণে ডাক্তার সাধারণত আরামদায়ক ও ঘরোয়া যত্নের পরামর্শ দেবেন। এছাড়া চিকিৎসক ব্যথা উপশমের জন্য ওষুধ বা স্প্রে দিতে পারেন। চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সময়মতো সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করে, জটিলতা এড়ায় এবং গলার স্বাভাবিক স্বাস্থ্য দ্রুত ফিরিয়ে আনে।

লেখকের শেষ কথা 

গলা ব্যথা একটি সাধারণ কিন্তু অস্বস্তিকর সমস্যা, যা সাধারণত সংক্রমণ, এলার্জি বা অতিরিক্ত কণ্ঠ ব্যবহার থেকে হয়। যদিও এটি সাধারণত স্বাভাবিকভাবে ঠিক হয়ে যায়, তবে তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী গলা ব্যথা কখনো কখনো গুরুতর অসুখের সংকেতও হতে পারে। সময়মতো বিশ্রাম, পর্যাপ্ত পানি পান, নরম ও হালকা খাবার, ঘরোয়া যত্ন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গলা ব্যথা দ্রুত কমাতে সাহায্য করে। সচেতনতা, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস এবং সঠিক যত্ন মেনে চললে গলার স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের রক্ষা সম্ভব এবং দৈনন্দিন জীবনে অসুবিধা কমানো যায়। তাই গলা ব্যথাকে ছোট করে দেখবেন না, বরং সময়মতো পদক্ষেপ নিন এবং শরীরকে সুস্থ রাখুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আরাবি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ১

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ২

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৩

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪